আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্রগ্রামে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর ওমেনের ডিন ড. ফাতেমা মেরী সিডতামের ওব্যাট হেল্পার্স প্রজেক্ট পরিদর্শন

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন সেগুনবাগানস্থ
ওব্যাট হেল্পার্স চট্টগ্রামের প্রজেক্ট পরিদর্শন করেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর ওমেন এর ডিন ড. ফাতেমা মেরী সিডতাম। ওব্যাট জুনিয়র হাই স্কুল ক্যাম্পাসে পরিদর্শন করতে আসেন ড. ফাতেমা মেরী সিডতাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এ ইউ ডব্লিউ এর সহকারী রেজিস্ট্রার তপু চৌধুরী। তার আগমন উপলক্ষে ওব্যাট জুনিয়র হাই স্কুল স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা তাকে ফুলেল শুভেচছা ও অভ্যর্থনা জানায়। অভ্যর্থনা শেষে তিনি খান একাডেমি ম্যাথ ল্যাব পরিদর্শন করেন।
এরপর পর্যায়ক্রমে ওব্যাট জুনিয়র হাই স্কুল সেগুনবাগান, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের স্কুল উচ্ছ্বাস (মমতাজ নিশাত অটিজম সেন্টার), ওব্যাট প্রি-স্কুল, ওব্যাট সুইং সেন্টার, ওব্যাট ওয়াটার পয়েন্ট ও ওব্যাট স্কাউট গ্রুপ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে ফাতেমা মেরী সিডতাম ওব্যাটের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর ওমেনে ওব্যাট এর সহযোগিতায় ও ওব্যাট স্কুলের ১৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত আছে।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন ওব্যাট হেল্পার্স বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার সোহেল আকতার খান, ওব্যাট হেল্পার্স চট্টগ্রামের প্রজেক্ট অফিসার মুহাম্মদ মোজাম্মেল হোসাইন, মনিটরিং অফিসার ইসরাত পারভীন, ওব্যাট জুনিয়র হাই স্কুল সেগুনবাগানের প্রধান শিক্ষিকা রাজিয়া পারভীন, ওব্যাট জুনিয়র হাই স্কুল সেগুনবাগানের সহকারি প্রধান শিক্ষক ও ওব্যাট স্কাউট গ্রুপ চট্টগ্রামের সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
এছাড়াও উচ্ছ্বাস এর ইনচার্জ ফারহা বেগম, খান একাডেমির ইনচার্জ চম্পা বিনতে ইসমাঈল, ওব্যাট সুইং সেন্টার এর ইনচার্জ রুনা বেগম প্রমুখ।
এ সময় শিক্ষার্থীদের সাথে আমন্ত্রিত অতিথিরা বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও কুশল বিনিময় করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা ওব্যাটের বিভিন্ন প্রজেক্টের কারনে আত্ননির্ভরশীল হতে পেরে ওব্যাটের কতৃপক্ষের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ