আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ব্যানিজিকভাবে বস্তায় আদা চাষ বোয়ালখালীতে

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে প্রথম বারের মতো বস্তায় আদা চাষে ঝুঁকেছেন প্রান্তিক পর্যায়ের ক্ষুদ্র কৃষক-কৃষাণীরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রণোদনা পেয়ে গতানুগতিক পদ্ধতির বাইরে এই প্রথম ২০টি প্রদর্শনীর মাধ্যমে বস্তায় মসলা জাতীয় ফসল আদার চাষ শুরু করেছেন তারা। অনাবাদি পতিত জমি কিংবা বসত বাড়ির আঙ্গিনায় স্বল্প জায়গায় অল্প খরচে এই পদ্ধতিতে আদা চাষে আগ্রহী হয়েছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক পুষ্টি বাগান কর্মসূচীর আওতায় বোয়ালখালীতে প্রথম বারের মতো বস্তায় আদা চাষের জন্য ২০টি প্রদর্শনী দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি প্রদর্শনীতে ৩০ টি বস্তায় ২ কেজি ৫০০ গ্রাম দেশীয় উন্নত জাতের আদার বীজ, ৫ কেজি মিশ্র সার, ২ কেজি বালাইনাশক সার ও জৈবসার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বস্তা প্রতি খরচ পড়েছে প্রায় ৬৫-৭০ টাকা। এর বাইরেও কধুরখীল, শ্রীপুর-খরণদ্বীপ করলডেঙ্গা এলাকায় কৃষকেরা স্ব উদ্যোগে অনেকে বস্তায় আদা করছেন। যার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০০ বস্তা। এতে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আতিক উল্লাহ।

শনিবার উপজেলার সারোয়াতলী ইউনিয়নের কঞ্জুরি ও আমুচিয়া ইউনিয়নের ধোরলা গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, বাড়ির পাশে পতিত জমি, বাড়ির আঙ্গিনা ও পুকুর পাড়ের পরিত্যক্ত জায়গায় সারি সারি বস্তায় সবুজ আদার গাছে ভরে আছে। প্রথম বারের মতো বস্তা পদ্ধতিতে আদার চাষ করেছেন ধোরলা গ্রামের কৃষক তপন চৌধুরী, সুমা বৈদ্য, কঞ্জুরি গ্রামের রাণু আলম।

তারা বলেন, ছায়ার কারণে যেসব জায়গাগুলোতে কোন ফসল হয় না, সে জায়গায় এবার কৃষি অফিসের পরামর্শে বস্তায় আদার চাষ করেছেন । আদার বীজ রোপণের পরে তেমন কোন পরিচর্যা করতে হয়নি। আদা বেশ ভালো হয়েছে। দুই এক মাস পরেই আদাগুলো বস্তা থেকে উঠতে শুরু করবে। বস্তা প্রতি দের থেকে দুই কেজি আদার ফলন হবে বলে আশা করছেন তারা। আগামীতে আরো বেশি আদার চাষ করবেন বলে জানান তারা।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আতিক উল্লাহ বলেন, প্রথম বারের মতো বোয়ালখালীতে বস্তা পদ্ধতিতে আদার চাষ হয়েছে। বস্তায় আদা চাষ একটি সহজ ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি। পুকুরপাড়, ছাদ কিংবা বাড়ির যে কোনো ফাঁকা জায়গায় সহজেই এটি করা যায়। পরিচর্যার ঝামেলা কম এবং আগাছাও হয় না। আমরা কৃষকদের আদা চাষে উদ্বুদ্ধ করছি। বস্তায় আদা চাষ লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা এই প্রদ্ধতিতে পতিত জমিতে আদা চাষে আগ্রহী হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ