আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চসিকের উদ্যোগে আধুনিক ফিজিওথেরাপি সেন্টার গড়ে তোলা হবে : মেয়র ডা. শাহাদাত।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রেড ক্রিসেন্ট ফিজিওথেরাপি সেন্টারে চাইল্ড কেয়ার জোনের উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সোমবার বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের উদ্যোগে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস ২০২৫ উদযাপন অনুষ্ঠানে হুমায়ুন কবির-রোজি কবির ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এ চাইল্ড কেয়ার কর্ণার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে মেয়র সরাসরি ফিজিওথেরাপি সেন্টারের রোগীদের সেবায় অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো চট্টগ্রামের প্রতিটি নাগরিকের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। এজন্য ফিজিওথেরাপি সেন্টারকে আধুনিক ও সুবিধাসম্পন্ন করে তোলা হচ্ছে, যাতে এখানে আগত প্রতিটি রোগী সঠিক চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের সুবিধা পেতে পারে। আমরা শুধু রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছি না, বরং তাদের পূর্ণভাবে সুস্থ ও স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তাও নিশ্চিত করছি।

তিনি আরও বলেন, ফিজিওথেরাপি সেন্টারটি শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীসহ সকল বয়সী রোগীর জন্য সমানভাবে খোলা। বিশেষ করে শিশুদের জন্য স্থাপিত চাইল্ড কেয়ার কর্ণার আমাদের বিশেষ পদক্ষেপ। এখানে শিশুরা নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশে থাকতে পারবে, যাতে রোগীর পরিবারও নির্ভয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারে।
মেয়র গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আমরা চাই চট্টগ্রামে ফিজিওথেরাপি সেবাকে আধুনিক মানের সঙ্গে সমন্বয় করা হোক। সেন্টারে নতুন প্রযুক্তি ও আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে, যাতে রোগীদের পুনর্বাসন দ্রুত এবং কার্যকর হয়। এছাড়া চিকিৎসা প্রদানের পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গে মানসিক সহায়তা এবং সামাজিক পরিচর্যাও দেওয়া হবে।শেষে তিনি জানান, আমাদের পরিকল্পনা শুধু ফিজিওথেরাপি সেন্টারকে উন্নত করা নয়, বরং নগরের প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব করার। আমরা চাই চট্টগ্রামের প্রতিটি মানুষ সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান ও এশিয়ান গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম. এ ছালাম এবং সঞ্চালনা করেন সিটি রেড ক্রিসেন্টের সেক্রেটারি গোলাম বাকি মাসুদ।

আলোচনা সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের কার্যকরী পর্ষদ সদস্য এইচ এম সালাহউদ্দিন, জিয়াউল হক সোহেল, মো: মেহেদী হাসান রায়হান, সালাহউদ্দিন সাহেদ, ডাঃ ফারহানাজ মাবুদ সিলভী, মো: এনামুল হক, ইউনিট লেভেল অফিসার আবদুর রহিম আকন, চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্টের যুব প্রধান আ. ন. ম. তামজীদ, সাংগঠনিক বিভাগীয় প্রধান দীপ্ত ভট্টাচার্য, দুর্যোগ ও মানবিক সাড়া প্রদান বিভাগীয় প্রধান মো. রকিবুল ইসলামসহ যুব স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ