আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চাটমোহরে উচ্ছেদ করা সোঁতি জালের বাঁধ পুনঃস্থাপন,ফের উচ্ছেদ

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 পাবনার বিখ্যাত চলনবিল অঞ্চল অধ্যুষিত পাবনার চাটমোহরে নদীর পানি প্রবাহের গতিপথ রোধকরে অবৈধভাবে দেওয়া সোঁতি বাঁধ উচ্ছেদের দুই দিনের মাথায় আবারো সোঁতি জাল স্থাপন করে অবৈধভাবে মাছ শিকার শুরু করে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

মঙ্গলবার বিকেলে এমন খবর পেয়ে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেই উপজেলার ধরমগাছা ব্রিজের নিচে গুমানী নদীর ছাওয়ালদহ এলাকায় পুণ:স্থাপন করা সোঁতি বাঁধ আবারো উচ্ছেদ করেন চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী। এর আগে শনিবার বিকেলে একই জায়গায় সোঁতি বাঁধ উচ্ছেদ করেছিলেন ইউএনও। এসময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন, থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে,প্রতি বছরের ন্যায় বর্ষার পানিতে ভরে ওঠে চলনবিল অধ্যুষিত চাটমোহর উপজেলার বিভিন্ন বিল ও নদ-নদী। এ সময় প্রচুর পরিমাণে মাছ থাকে এই নদী গুলোতে। বিল ও নদ-নদী থেকে পানি নামার সময় বাঁশের বেড়া দিয়ে স্রোত তৈরি করে অবৈধভাবে এই সোঁতি জালের বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করে থাকেন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। এর নেপথ্যে থাকেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। এদিকে এই জাল স্থাপনের ফলে বিল ও নদ-নদী থেকে পানি নামতে দেরি হওয়ায় কৃষকরা সঠিক সময়ে ফসল লাগাতে পারেন না। শুধু তাই নয়, কৃত্রিম স্রোত সৃষ্টির ফলে নদী ভাঙন দেখা দেয়। এতে নদী পাড়ের দরিদ্র মানুষের ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। অন্যদিকে প্রকৃত জেলেরা মাছ শিকার করতে পারেন না। যে কারণে সরকারিভাবেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে সোঁতি জালের বাঁধ স্থাপন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কঠোর নজরদারিতে শনিবার বিকেলে উপজেলার ধরমগাছা এলাকায় গুমানী নদীতে স্থানীয় প্রভাবশালীদের দেওয়া সোঁতি জালের বাঁধ উচ্ছেদ করেন। কিন্তু দুই দিন না যেতেই আবারো সোঁতি জালের বাঁধ স্থাপন করে মাছ শিকার করার সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে আবারো পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সহযোগিতায় সেই সোঁতি জালের বাঁধ উচ্ছেন করেন ইউএনও মুসা নাসের চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার আব্দুল মতিন।

এ ব্যাপারে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, উচ্ছেদ করা সোঁতি জালের বাঁধ আবারো পুনঃস্থাপন মানেই আইনের লঙ্ঘন। কৃষক, প্রকৃত মৎস্য জীবি বা নদীপাড়ে বসবাসকারী মানুষের অনেক ক্ষতি হয় এমন কোন বাঁধ নদীতে দিতে দেওয়া হবে না। যতো প্রভাবশালীই হোক না কেন, যতোবার সোঁতি জালের বাঁধ স্থাপন করবে, ততোবার উচ্ছেদ করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ