আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

বন্ধের দাবি, কঠোর কর্মসূচি কর্ণফুলী সেতুতে টোল আদায়ে দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর ভোগান্তি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কর্ণফুলী শাহ আমানত (রহ.) সেতুর টোল আদায় বন্ধে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনটি সংগঠন। একই সাথে টোল আদায়ের বিষয়ে স্থায়ী সমাধান চান তারা। ‘অন্যায় ও অযৌক্তিক’ টোল আদায়ের প্রতিবাদে শনিবার সকালে চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ- নুর নাহার মিলনায়তনে কর্ণফুলী নাগরিক পরিষদ, সিডিএ কর্ণফুলী আবাসিক প্লট মালিক কল্যাণ সমিতি এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন, চট্টগ্রাম জেলা শাখা যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কর্ণফুলী সেতুর টোলের কারণে দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসী দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। প্রতিদিন একাধিকবার একই সেতুতে টোল দিতে বাধ্য হওয়ায় মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। যানজট ও ভোগান্তি নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নদীর দুই তীরে জনবসতি থাকলে সেতু থেকে টোল আদায় করা হয় না। অথচ কর্ণফুলী সেতুর ক্ষেত্রে সেই নীতি উপেক্ষা করা হচ্ছে, যা দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর প্রতি বৈষম্যের শামিল। টোলের কারণে এলাকার উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলেও তারা উল্লেখ করেন। বক্তারা অবিলম্বে টোল আদায় বন্ধ এবং স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা ঘোষণা দেন, আগামী ১৭ অক্টোবর শুক্রবার বিকাল ৪ টায় মইজ্জ্যারটেক টোলপ্লাজার পশ্চিম পাশে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, সিডিএ কর্ণফুলী আবাসিক প্লট মালিক কল্যাণ সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান, কর্ণফুলী নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এস.এম ফোরকান, সদস্য সচিব সাংবাদিক শফিক আহমেদ সাজিব, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন (বিএইচআরএফ) চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এএইচএম জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ সমিতি (ইউএই) সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. রফিক সিকদার, সিডিএ কর্ণফুলী আবাসিক প্লট মালিক কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি মো. গোলাম ওয়ারেছ, কর্ণফুলী নাগরিক পরিষদের এইচএম হারুন অর রশিদ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ