আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ আহত -৫।

শাহিদুল ইসলাম কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষের ঘটনায় ৫ জন আহত হয়েছে ।এর মধ্যে একজনের অবস্থা খুব গুরুতর। কালিয়াকৈর পৌরসভারস্থ
কালামপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় মুসলেমের বাড়ির সামনে এই ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন সোহান (২৫), তোফাজ্জল হোসেন (৩৫) কফিল উদ্দিন (৬৫) ছাদেকা বেগম (৫৫) ইছাম উদ্দিন (৪৫) শিল্পী বেগম (২৮) এই ঘটনায় মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত জখম হয়েছেন সোহান। সে বর্তমানে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছে। অন্যন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছে।
এই ঘটনায় সোহানের বাবা মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন, পারভেজ (২২), জহির (৫৮), আব্দুল মালেক (৫৫) আহাম্মদ আলী (৪৬) জাহাঙ্গীর (৩৮) জুয়েল (৩৫) রাকিব (৩৫) সহ অজ্ঞাত নামা ৫-৬ জন নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় এবং অভিযোগ সূত্রে জানা যায় ,কালামপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত প্রতিপক্ষদের সাথে বিরোধ চলিয়া আসিতেছে এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দুপুরে উক্ত জমি নিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের তাকে নিয়ে উভয়পক্ষ নিয়ে সালিশি বৈঠক করা হয়। সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিচার না মানিয়া বিভিন্ন প্রকার তালবাহানা করিয়া জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয় । এই সময় সোহান এর উপরে লোহার এস এস পাইপ দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মাথা আঘাত করে রক্তাক্ত যখন করলে সোহান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা আহত সোহানকে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন এখন তার বর্তমান অবস্থা খুব আশঙ্কাজনক। ভুক্তভোগী পরিবারের সাথে কথা বললে তারা জানান আমাদের নিকটে থাকা নগদ ১৪,৭৫০ টাকা এবং প্রায় তিন লক্ষ টাকা সমপরিমাণ স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় ওই হামলাকারীরা।

৳৳পএই ঘটনায় অভিযুক্ত আব্দুল মালেক এর ছেলে জুয়েলের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সালিশি বৈঠকের পর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আমার বাবা আব্দুল মালেক এবং পারভেজসহ ৫ জন গুরুতর ভাবে আহত হয়েছে। পরিবারের লোকজন সুস্থ করার পরে আমরা আইনের সহায়তা নেব।কালিয়াকৈর থানার কর্তব্যরত অফিসার এসআই আব্বাস আলী তালুকদার জানান এ বিষয়ে একটি অভিযোগ হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ