আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

বর্জ্য এখন একটি সম্ভাবনাময় সম্পদ : চুয়েট ভিসি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, আজকের বিশ্ব বাস্তবতায় বর্জ্যকে আর শুধু অপদ্রব্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বর্জ্য এখন একটি সম্ভাবনাময় সম্পদ। যথাযথ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বর্জ্যকে রূপান্তর করা যায় সম্পদে, শক্তিতে এবং টেকসই উন্নয়নের হাতিয়ারে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, চুয়েটের মতো প্রযুক্তি-ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলো জ্ঞান সৃষ্টি করা, গবেষণাকে বাস্তব সমস্যার সমাধানের সঙ্গে যুক্ত করা এবং নীতিনির্ধারণে প্রমাণভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা। আমি বিশ্বাস করি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগুলো শুধু গবেষণাপত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং তা জাতীয় নীতি, শিল্পখাতের বাস্তব প্রয়োগ এবং ভবিষ্যৎ গবেষণার দিকনির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
সোমবার সকালে চুয়েটের প্রি-ইঞ্জিনিয়ারিং ভবনের ভিডিও কনফারেন্স রুমে রসায়ন বিভাগের উদ্যোগে

“রেডিওঅ্যাকটিভ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, এনভায়রনমেন্টাল রেমিডিয়েশন, রিসোর্স রিকোভারি এন্ড সার্কুলার-ইকোনমি প্র্যাকটিসেস” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. এ.এইচ. রাশেদুল হোসেন। সেমিনারে কী-নোট স্পীকার ছিলেন জাপানের ফুকুশিমা ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব

এনভায়রনমেন্টাল রেডিওঅ্যাকটিভিটি (আইইআর) এর অধ্যাপক ড. ঈসমাইল রহমান ও জাপানের কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট-ডক্টোরাল রিসার্চার ড. শফিকুর রহমান। রসায়ন বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান ড. মোসাঃ রোকসানা খাতুনের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাশ্বত রবি। এতে সঞ্চালনা করেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাতুল কুমার শীল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি, খুবি শিক্ষকের কুশপুত্তলিকা দাহ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি)এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানিমূলক বার্তা পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে।
অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ওই শিক্ষককে ইতোমধ্যে ডিসিপ্লিন-প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্র’।

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার উত্তাল হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল, শিক্ষকের কুশপুত্তলিকা দাহ এবং জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করেন।

কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে সারা বিশ্বে চমক লাগান চট্টগ্রামের সন্তান ড. শুভ রায়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিডনি ফেইলিউরে বিশ্বের লাখো মানুষের জন্য যিনি আশার আলো হয়ে এসেছেন, সেই কৃত্রিম কিডনির (Artificial Kidney) উদ্ভাবক একজন বাংলাদেশী বিশ্বখ্যাত বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার ড. শুভ রায়। তিনি ‘বায়ো-এমইএমএস’ (Bio-MEMS) প্রযুক্তির সাহায্যে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক অভাবনীয় মাইলফলক স্থাপন করেছেন।

​শেকড় ও শিক্ষাজীবন:
১৯৬৯ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করা শুভ রায়ের পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। বাবার পেশাগত কারণে ছোটবেলায় উগান্ডায় চলে যান এবং সেখানেই তাঁর স্কুলজীবন কাটে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়ে তিনি মাউন্ট ইউনিয়ন কলেজ থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে কেস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটি থেকে তড়িৎ প্রকৌশল ও ফলিত পদার্থবিজ্ঞানে মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

​গবেষণা ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার:
১৯৯৮ সালে ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তাঁর পেশাগত জীবনের সূচনা। দীর্ঘ এক দশক সেখানে স্পাইন রিসার্চ এবং বায়ো-এমইএমএস ল্যাবে কাজ করার পর, ২০০৮ সাল থেকে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (UCSF) জৈবচিকিৎসা এবং থেরাপিউটিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।
​চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং আধুনিক প্রযুক্তির এই অপূর্ব সমন্বয়ে ড. শুভ রায়ের অসামান্য কাজ শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, পুরো বিশ্বের জন্য এক বিশাল আশীর্বাদ। এমআইটি, নাসা থেকে শুরু করে বিশ্বমঞ্চে তাঁর এই অসামান্য অর্জনের জন্য চট্টগ্রাম বাসী গর্বিত, বিশ্বের দরবারে বাঙালিরা আবার প্রমান করে দিল আমরা ও পারি। এই বিজ্ঞানী জানাই অভিবাদন বীর চট্টলার গৌরব, এই স্মৃতি অম্লান।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ