আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে সেতুর মুখে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচীতে যানজটে ভোগান্তি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে চট্টগ্রাম মহানগরীর শাহ আমানত সেতুর প্রবেশমুখে অবরোধ কর্মসূচী পালন করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে শত, শত যানবাহন আটকা পড়ে। ভোগান্তিতে পড়ে শত, শত যাত্রী।পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী রোববার দুপুর ২টার দিকে শ’খানেক তরুণ-যুবক নগরীর বাকলিয়া এলাকায় সেতুর প্রবেশমুখে অবস্থান নেন। পরে সেখানে আরও লোকজন এসে জড়ো হন।

অবস্থানকারীরা জাতীয় পতাকা, হাদি হত্যার বিচার দাবিতে লেখা প্লেকার্ড নিয়ে স্লোগানে-স্লোগানে মুখর করে তুলে পুরো এলাকা। হাদির খুনিদের সবাইকে গ্রেফতার ও বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না বলে জানিয়েছেন তারা।

অবরোধ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, আজাদির লড়াইয়ে শহীদ হাদি একটি অনুপ্রেরণার নাম। বাংলাদেশকে আর কারও করদ রাজ্যে পরিণত করার সুযোগ দেওয়া হবে না। শহীদ হাদি যুগ যুগ ধরে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আমাদের পথ দেখিয়ে যাবেন।তারা আরও বলেন, ঘটনার তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও হাদি হত্যার মূল আসামিদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারা সরকারের চরম ব্যর্থতারই বহিঃপ্রকাশ। হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বিকল্প নেই।

এদিকে প্রবেশমুখে অবস্থানের কারণে সেতু অতিক্রম করতে বাস, ট্রাকসহ অনেক যানবাহন সেতুর ওপর আটকে থাকে। এর ফলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কেও যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রায় এক ঘণ্টা পর পুলিশ গিয়ে সেতুর একপাশ থেকে অবস্থানকারীদের সরিয়ে দেন। এতে সেতুর ওপর দিয়ে কক্সবাজারমুখী লেইনে গাড়ি চলাচল ধীরগতিতে শুরু হয়। তবে আরেকপাশে অবস্থানের কারণে নগরীতে কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারেনি।

বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, প্রথমে সেতুর উভয় লেইন তারা আটকে রেখেছিল। আমরা পরে বুঝিয়ে তাদের সরিয়ে একপাশের লেইন সচল করেছি। এখন কক্সবাজারের দিকে গাড়ি চলাচল সীমিত আকারে চলছে। আরেকপাশ থেকে বিক্ষোভকারীদের সরানোর চেষ্টা করে।

আগেরদিন শনিবার বিকেলে নগরীর ব্যস্ততম নিউমার্কেট মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে রিকশায় থাকা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে পুলিশ ও র‌্যাব গ্রেফতার করেছে। তবে গুলিবর্ষণকারী হিসেবে শনাক্ত হওয়া ফয়সাল করিম মাসুদ গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হাদির অনুসারীরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ
আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে স্বাক্ষর নকল ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার দায়ে নজরুল ইসলাম একজনকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন একটি আদালত। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খানের আদালত এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নজরুল ইসলাম পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের বিশেষ পিপি মোকাররম হোসাইন। তিনি বলেন, রায়ের সময় আসামি পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ও মো. শাহাজাহান ডবলমুরিং এলাকার মেসার্স নবী এন্ড সন্সের কর্মচারী ছিলেন। নজরুল ইসলাম ছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার। ২০০৭ সালের ৩ জুন দুপুর ২টার দিকে নগরীর সদরঘাট এলাকার স্ট্যান্ড রোডের জনতা ব্যাংকের শাখা থেকে তারা দুই কর্মচারী মিলে প্রতিষ্ঠানের মালিকের বড় ভাই মো. সেলিমের স্বাক্ষর জাল করে ৬টি চেক জনতা ব্যাংকে জমা দেয় টাকা উত্তোলনের জন্য। পরে ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা টাকা দিতে নিষেধ করেন। পরদিন অর্থাৎ ওই বছরের ৫ জুন চেকগুলোর মাধ্যমে টাকা প্রদান না করার জন্য ব্যাংক বরাবর লিখিত আবেদন করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবু সাদাত মোহাম্মদ শামীম। পরে ওই বছরের ১৮ জুলাই তিনি এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ ২ নম্বর আসামির সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় শাহাজাহানকে চার্জশিট থেকে বাদ দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। ওই মামলায় আজ আসামি নজরুল ইসলামকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সৌদি আরবের উপহার চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরবের উপহার
চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ
ছবি-১
চট্টগ্রাম ব্যুরো: সৌদি আরব থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুর চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন বরাদ্দ দয়ো হয়েছে। এদিকে খেজুর বরাদ্দ নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তার বক্তব্যের পর বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার খেজুর বরাদ্দের তালিকা সামনে আসতে শুরু করে এবং কোথায় কত কার্টন খেজুর গেছে তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়। একই সঙ্গে বরাদ্দের পরিমাণ, বণ্টনের স্বচ্ছতা এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে এসব খেজুর পৌঁছাচ্ছে কি না, এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে।
চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন মো. ছাইফুল্লাহ মজুমদার জানান, চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলায় মোট ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ফটিকছড়িতে ৩৯ কার্টন, আনোয়ারায় ২৫ কার্টন, হাটহাজারীতে ৩৫ কার্টন, পটিয়ায় ৩৭ কার্টন এবং সীতাকুণ্ডে ২৫ কার্টন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সন্দ্বীপে ৩৭ কার্টন, মিরসরাইয়ে ৩৭ কার্টন, রাঙ্গুনিয়ায় ৩৫ কার্টন, বোয়ালখালীতে ২৫ কার্টন, রাউজানে ৩৫ কার্টন এবং চন্দনাইশে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী বাঁশখালীতে ৩৭ কার্টন, লোহাগাড়ায় ২৫ কার্টন, সাতকানিয়ায় ৩৭ কার্টন, কর্ণফুলীতে ১৫ কার্টন এবং চট্টগ্রাম মহানগরে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সৌদি আরবের বাদশাহ প্রতিষ্ঠিত ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ১২ হাজার ২৫০ কার্টন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর গত ৫ মার্চ সংশোধিত এক আদেশের মাধ্যমে এই বরাদ্দ চূড়ান্ত করে জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে পাঠিয়েছে। জনসংখ্যার অনুপাত ও ইউনিয়নের সংখ্যা বিবেচনা করে এই খেজুর বণ্টন করা হয়েছে বলে সরকারি নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ