আজঃ রবিবার ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ,সিএমপি,র গণবিজ্ঞপ্তি।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শ্রমিক-কর্মচারীদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থার পর মধ্যরাতে ওই এলাকায় সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।শনিবার রাতে রাত সাড়ে ১১টার দিকে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।তবে সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে।

বিদেশি কোম্পানির কাছে এনসিটি ইজারার বিরোধিতা করে শনিবার শ্রমিক দলের ডাকা আট ঘণ্টার ধর্মঘটে দিনভর চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম অচল ছিল।রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া শ্রমিক-কর্মচারি ঐক্য পরিষদ (স্কপ) রোববার বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দর ভবন অভিমুখে কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

গণবিজ্ঞপ্তি জারিতে বলা হয়েছে, বন্দর এলাকায় মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন, পথসভা করলে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত হয়, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।
এ কারণে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও স্বাভাবিক রাখাসহ জনশৃঙ্খলা, শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন বারেক বিল্ডিং মোড়, নিমতলা মোড়, ৩ নম্বর জেটি গেইট, কাস্টমস মোড়, সল্টগোলা ক্রসিংসহ আশপাশের এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র, তলোয়ার, বর্শা, বন্দুক, ছোরা, লাঠি, বিস্ফোরক দ্রব্য, ইট-পাথর বহন ও ব্যবহার এবং যে কোনো ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও পথসভা ১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ১ মাসের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।এ আদেশ না মানলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে হুঁশিয়ার করা হয়।চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮ এর ৩০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সিএমপি কমিশনার এ পর্যন্ত তিন দফায় এমন নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ওয়েজ বোর্ড ছাড়া কোনো মিডিয়া আমরা চলতে দেব না-বিএফইউজে মহাসচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে কেউ কেউ হস্তক্ষেপ করতে চায়। আমি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই—এই প্রেসক্লাব চলবে প্রেসক্লাবের সদস্যদের মতামতে; কোনো দল বা সরকারের মতামতে নয়, কোনো উপদেষ্টার মতামতে নয়।
শনিবার সন্ধ্যায় ভিআইপি লাউঞ্জে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের কোনো প্রতিষ্ঠানে দিকে হাত বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না, হাত ভেঙে দেওয়া হবে। এটা কোনো দলের কার্যালয় হবে না। কোনো দলের ইঙ্গিতে এই প্রেসক্লাব পরিচালিত হবে না, কোনো সরকার বা উপদেষ্টার ইচ্ছায় এই প্রেসক্লাব পরিচালিত হবে না। এই প্রেসক্লাব একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এই প্রেসক্লাব চলবে এখানকার সদস্যরা মিলে যে সিদ্ধান্ত নিবেন, এখানকার যে গঠনতন্ত্র আছে সেই অনুযায়ী; যেভাবে জাতীয় প্রেসক্লাব চলছে। এখানে বক্রচক্ষে দেখার কেউ চেষ্টা করবেন না। আমরা সেটা থামিয়ে দিতে জানি এবং থামিয়ে দেব।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর আমাদের কিছু কিছু সাংবাদিকের কারণে সাংবাদিকতার যে মর্যাদা, সেটা ম্লান হয়ে গিয়েছে। কিছু কিছু সাংবাদিকের এত বেশি দলদাসত্ব সাংবাদিকতাকে একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছে। কিছু কিছু সাংবাদিকের লোভ ও লালসা আমাদের সাংবাদিকদের সম্পর্কে মানুষের মধ্যে বিরূপ ধারণা তৈরি করেছে। সে সময়ে শুধু চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নয়, জাতীয় প্রেসক্লাবসহ অধিকাংশ প্রেসক্লাবগুলো আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়েছিল। কিছু ছদ্মবেশী সাংবাদিক সেই কাজটি করেছিলেন। এই কাজটি কিন্তু তাদের ছিল না।

যখন ছাত্র-জনতা নির্বিচারে ও নির্মমভাবে হত্যার শিকার হচ্ছিল, তখন এই তথাকথিত কিছু সাংবাদিক সেই রক্তপাতকে উৎসাহিত করেছেন উল্লেখ করে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, এদেরকে আমি জাতির বিবেক বলি কীভাবে? এদেরকে আমি সাংবাদিক বলি কীভাবে? এরা তো জাতির শত্রু, সমাজের শত্রু; এদেরকে সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে ‘শত্রু’ হিসেবে আমাদের চিহ্নিত করতে হবে। এদের সাথে কোনো আপস হতে পারে না। যারা আমার সন্তানদের নির্মম হত্যাকে উৎসাহিত করেছে, যারা আমার পেশাকে কলঙ্কিত করেছে, যারা গণমাধ্যমের আস্থা নষ্ট করে দিয়েছে—ওদেরকে গণমাধ্যমের বন্ধু বলা যাবে না, শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। এবং গণমাধ্যমে চিহ্নিত করাটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।

সাংবাদিকদের বাঁচার একটিই পথ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সেটা হলো ঐক্যবদ্ধতা, একতাবদ্ধতা। একসাথেই আমরা সবার হাত ধরে এগোবো। সেটা যদি পারি, আমরা বাঁচতে পারবো; না হলে আমাদেরকে নির্যাতিত ও নিপীড়িত হতে হবে। আর ঐক্যবদ্ধ হতে হবে প্রকৃত সাংবাদিকদের সাথে, কোনো সন্ত্রাসীর সাথে নয়, কোনো দলদাসের সাথে নয়। আমরা যদি গণমাধ্যমকে বাঁচাতে চাই, নিজেরা বাঁচতে চাই, আমাদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চাই, তাহলে এক শামিয়ানার নিচে সমবেত হওয়ার বিকল্প নেই।

বিএফইউজে মহাসচিব বলেন, ওয়েজ বোর্ড ছাড়া কোনো মিডিয়া আমরা চলতে দেব না। ‘নো ওয়েজ বোর্ড, নো মিডিয়া’ নীতিমালা কার্যকর করতে হবে। এই নীতিমালার শুভঙ্করের ফাঁকি রাখা যাবে না। আপনারা ঘোষণা দিচ্ছেন যে নবম ওয়েজ বোর্ড দিচ্ছি, দশম ওয়েজ বোর্ড দিচ্ছি—বাস্তবে হাতেগোনা দু-চারজনকে দেন, অন্যদের দেন না; বিশেষ করে ঢাকার বাইরের সাংবাদিকরা পায় না। এই বৈষম্য দূর করতে হবে। অবিলম্বে নবম ওয়েজ বোর্ড সকল গণমাধ্যমে কার্যকর করার আহ্বান জানাচ্ছি এবং দশম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।

সভায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, আরিচ আহমেদ শাহ ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ। ক্লাবের সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুলের সঞ্চালনায় এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ হোসাইন এবং মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম।

সাঈদ আল নোমানের সমর্থনে ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর মত বিনিময় সভা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের সমর্থনে ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক মত বিনিময় সভা ৩০ জানুয়ারী রাতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ হারুনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর উপদেষ্টা তোফাজ্জল হোসেন।

বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুল হক চৌধুরী ফয়সাল, যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দিন লিটন, রাশেদুল হক জুয়েল, ব্যারিস্টার নাজমুল হক, রায়হান উদ্দিন চৌধুরী জুয়েল, ওমর ফারুক ভূঁইয়া, সিরাজুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন সুজন, হারুনুর রশীদ হারুন,

মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, মোহাম্মদ হাশেম, মোহাম্মদ বেলাল, মোহাম্মদ আব্দুল, ইব্রাহিম খলিল সুমন, নার্গিস আক্তার, রিয়াদ মোরশেদ, নুরুল আফসার টিটু, জাহেদুল আলম নিপু, শহিদুল ইসলাম পারভেজ, বাহার আহমেদ, মীর পারভেজ, আজফার ইকতিদার শাফি, ফরহাদ উদ্দিন চৌধুরী সুমন, ওসমান গনি তুষার, খলিলুর রহমান, মোহাম্মদ এস্কান্দার, জসীম উদ্দিন, মোঃ সানজিদ, মোহাম্মদ আরিফ, মোহাম্মদ রকি, মোহাম্মদ জিয়া, মোহাম্মদ বাবর, নিজামুদ্দিন, সখিনা বেগম, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ ফিরোজ, মোহাম্মদ রিপন, সাজ্জাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাকি, ইয়াসমিন আক্তার সুমি, জানু আক্তার, শওকত হোসেন প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, সাঈদ আল নোমান ক্লিন ইমেজের স্মার্ট রাজনীতিবিদ। তাকে বিজয়ী করার জন্য ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীকে ব্যাপকভাবে গণসংযোগ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের আগামীর ভূমিকা চট্টগ্রামবাসীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন,সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিরলস পরিশ্রম করে, মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য আহবান করতে হবে। সাঈদ-আল-নোমান দলের সম্পদ তথা দেশের সম্পদ। সাঈদ- আল- নোমানকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয়ী করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ