আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ভাঙ্গুড়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময়।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার সংসদীয় আসন-৭০ (পাবনা-৩) থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আলী আছগার (দাঁড়িপাল্লা) ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) সকালে ভাঙ্গুড়া স্মৃতিসৌধ চত্বরে প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সংবাদের উপজেলা প্রতিনিধি মো: রায়হান আলী।

মতবিনিময় সভায় মাওলানা আলী আছগার বলেন,
“দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকার মানুষ অবহেলিত ও বঞ্চিত। ক্ষমতার রাজনীতি নয়, আমরা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করি। আমি নির্বাচিত হলে সংসদকে ব্যক্তিস্বার্থের নয়, জনস্বার্থের কেন্দ্রে পরিণত করবো। দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা না থাকায় সাধারণ মানুষ আজ দিশেহারা। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, নৈতিক রাজনীতি ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠন করবে।”

সুষ্ঠু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি জনগণ তাদের ভোটাধিকার স্বাধীনভাবে প্রয়োগ করতে পারে, তাহলে ইসলামী আন্দোলনের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। জনগণই আমাদের শক্তি, জনগণের রায়ই চূড়ান্ত। আমি নির্বাচিত হলে চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুরবাসীর ন্যায্য অধিকার আদায়ে কাজ করবো।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিলে অন্যায় টিকে থাকতে পারে না। সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিনিধি মোঃ সাইফুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি মোঃ মইনুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক মানব কণ্ঠের প্রতিনিধি মোঃ গোলাম রাব্বি, সাংগঠনিক সম্পাদক এনটিভি মাল্টিমিডিয়া ও প্রতিদিনের সংবাদের (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া) প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম আপন, দপ্তর সম্পাদক ও দৈনিক এ যুগের দ্বীপের প্রতিনিধি মোঃ সৈকত আহমেদ, ক্রীড়া সম্পাদক ও পাবনা প্রতিদিনের প্রতিনিধি খালিদ হোসেন হৃদয় এবং সদস্য ও দৈনিক ঘোষণার প্রতিনিধি ওমর ফারুক।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মো: মজিবর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাফিজ উদ্দিন বাহার, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো: আবু হুরায়রা হৃদয়, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল মালেক প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ