আজঃ মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভাঙ্গুড়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময়।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার সংসদীয় আসন-৭০ (পাবনা-৩) থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আলী আছগার (দাঁড়িপাল্লা) ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) সকালে ভাঙ্গুড়া স্মৃতিসৌধ চত্বরে প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সংবাদের উপজেলা প্রতিনিধি মো: রায়হান আলী।

মতবিনিময় সভায় মাওলানা আলী আছগার বলেন,
“দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকার মানুষ অবহেলিত ও বঞ্চিত। ক্ষমতার রাজনীতি নয়, আমরা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করি। আমি নির্বাচিত হলে সংসদকে ব্যক্তিস্বার্থের নয়, জনস্বার্থের কেন্দ্রে পরিণত করবো। দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা না থাকায় সাধারণ মানুষ আজ দিশেহারা। জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, নৈতিক রাজনীতি ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠন করবে।”

সুষ্ঠু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি জনগণ তাদের ভোটাধিকার স্বাধীনভাবে প্রয়োগ করতে পারে, তাহলে ইসলামী আন্দোলনের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। জনগণই আমাদের শক্তি, জনগণের রায়ই চূড়ান্ত। আমি নির্বাচিত হলে চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুরবাসীর ন্যায্য অধিকার আদায়ে কাজ করবো।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিলে অন্যায় টিকে থাকতে পারে না। সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিনিধি মোঃ সাইফুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি মোঃ মইনুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক মানব কণ্ঠের প্রতিনিধি মোঃ গোলাম রাব্বি, সাংগঠনিক সম্পাদক এনটিভি মাল্টিমিডিয়া ও প্রতিদিনের সংবাদের (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া) প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম আপন, দপ্তর সম্পাদক ও দৈনিক এ যুগের দ্বীপের প্রতিনিধি মোঃ সৈকত আহমেদ, ক্রীড়া সম্পাদক ও পাবনা প্রতিদিনের প্রতিনিধি খালিদ হোসেন হৃদয় এবং সদস্য ও দৈনিক ঘোষণার প্রতিনিধি ওমর ফারুক।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মো: মজিবর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাফিজ উদ্দিন বাহার, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো: আবু হুরায়রা হৃদয়, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল মালেক প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আমূল পরিবর্তন চট্টগ্রাম বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রমে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও দূরদর্শী পরিকল্পনায় ড্রেজিং কার্যক্রমে এক আমূল পরিবর্তন এসেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট সকলের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সরাসরি হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের তত্ত্বাবধানে কর্ণফুলী নদীর মোহনা হতে বন্দর সীমানার অন্তর্গত প্রধান জেটি এবং কালুরঘাট পর্যন্ত নেভিগেশনাল চ্যানেলে ও বন্দর সীমার অন্যান্য চ্যানেলে নাব্যতা রক্ষায় এখন এক সাশ্রয়ী ও কার্যকর মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে।


বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও চবক এর যৌথ হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ কার্য পরিচালনা করতঃ সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। কর্তৃপক্ষের এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ড্রেজিং খাতের ব্যয় অতীতের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, যা সংস্থার আর্থিক সাশ্রয়ে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের মাধ্যমে পরিচালিত এই ড্রেজিং কার্যক্রমে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে দক্ষ ঠিকাদার নিয়োগ নিশ্চিত করে ড্রেজিংয়ের কাজগুলোকে ছোট ছোট পরিকল্পিত অংশে ভাগ করে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও কাজের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়ায় ঠিকাদাররা অনেক বেশি দায়বদ্ধতার সাথে কাজ সম্পন্ন করতে পারছে। বাস্তবসম্মত ব্যয় নির্ধারণ এবং আধুনিক মনিটরিং ব্যবস্থার ফলে অতীতে ড্রেজিং খাতে যে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রবণতা ছিল, তা কমানো সম্ভব হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর প্রশাসনিক তদারকি এই সাফল্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। চবক-এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে নিয়মিত তদারকির ফলে ড্রেজিংয়ের প্রকৃত পরিমাণ ও মান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই কৌশলী উদ্যোগের ফলে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ নৌ-চ্যানেলগুলোতে প্রয়োজনীয় নাব্যতা সার্বক্ষণিক বজায় থাকছে, যার ফলে বড় আকৃতির বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এখন অনেক বেশি নিরাপদে এবং নির্বিঘ্নে বন্দরে যাতায়াত করতে পারছে।

এর ফলে বন্দরের পণ্য খালাস ও হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌ-রুটে চট্টগ্রাম বন্দরের বিশ্বস্থতা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।ড্রেজিং খাতে সাশ্রয় হওয়া এই বিপুল অর্থ এখন বন্দরের অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে।

যথাযথ তদারকির ফলে ঠিকাদার-নির্ভর ড্রেজিং কার্যক্রমে এই ধরনের আর্থিক শৃঙ্খলা ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শুধুমাত্র বন্দরের অভ্যন্তরীণ ভিত্তিকেই শক্তিশালী করেনি, বরং জাতীয় অর্থনীতিতেও অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের এই ধারা বজায় রেখে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের এই প্রধান প্রবেশদ্বারকে বিশ্বমানের আধুনিক বন্দরে রূপান্তর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

৬৯ পদাতিক ব্রিগেড সদর দপ্তরের আরএইচআইসি’র অভিযানে শটগানের কার্তুজ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বান্দরবান ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড সদর দপ্তরের আরএইচআইসি’তেমোতায়েন আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যদের সাহসিকতা ও বিচক্ষণতায় শটগানের কার্তুজ ও বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের সময় অস্ত্র বহনকারী সন্ত্রাসীরা একটি ব্যাগ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে তাদের আনাগোনা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ২৬ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টা ৫৫ মিনিটে বান্দরবান বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ট্যানেলের পশ্চিম পাশে দায়িত্ব পালনকালে বান্দরবান আনসার ব্যাটালিয়ন (১০ বিএন)-এর নায়েক মোঃ জাহিদুল ইসলাম এবং সিপাহি মকছুদুর রহমান দুইজন সন্দেহজনক ব্যক্তির গতিবিধি লক্ষ্য করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে গাঁজা সেবনের গন্ধ পাওয়া যায় এবং কথাবার্তায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়।


সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এগিয়ে গেলে তারা পূরবী পরিবহনের একটি বাসের পেছনে একটি পুরাতন শপিং ব্যাগ ফেলে রেখে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশি করে একটি পলিথিনে মোড়ানো ১০ রাউন্ড শটগানের কার্তুজ এবং ৫টি বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

আলোচিত খবর

ডাকযোগে কারাবন্দিদের ভোট শুরু হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডাকযোগে কারাবন্দিদের ভোট শুরু হয়েছে। যা চলবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আজ ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নির্বাচন কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালটে কারাবন্দিদের জন্যও ভোট দেয়ার সুবিধা রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

দেশের ৭১টি কারাগারে বন্দি রয়েছে ৮৪ হাজার। অনেক বন্দির এনআইডি জটিলতা আছে, আবার অনেক বন্দি আশায় আছেন ভোটের আগে জামিনে বের হবেন। তা নাহলে বন্দিদের মধ্যে ভোটার সংখ্যা আরও বাড়তো বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ