আজঃ সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মানুষের মুখে হাসি ফোটানো আমাদের দায়িত্ব : চসিক মেয়র।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, পবিত্র মাহে রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধি ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। এই মাস কেবল নিজের জন্য নয়, বরং পাশের অভাবী মানুষটির কথা ভাবার মাস। আজ মরহুম আবু বক্কর ফাউন্ডেশন যে মহতী উদ্যোগ নিয়েছে, তা মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কিছু মুনাফালোভী ব্যবসায়ীর কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে অসহায় ও নিম্নবিত্ত মানুষ যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন তাদের হাতে ইফতারসামগ্রী তুলে দেওয়া অত্যন্ত সময়োপযোগী উদ্যোগ। কারণ, একজনের সহযোগিতা আরেকজনের ইফতারের আনন্দ হয়ে উঠতে পারে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নগরের কাজীর দেউড়ি কাঁচাবাজার সংলগ্ন সড়কে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে মরহুম আবু বক্কর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায়দের মধ্যে ইফতারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে কয়েকশ অসহায় ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, তেল, ছোলাসহ প্রয়োজনীয় ইফতার ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রমজান মাসজুড়ে তাদের এ সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।

ডা. শাহাদাত আরও বলেন, আমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, নগরীর উন্নয়ন কেবল রাস্তাঘাট বা অবকাঠামো নির্মাণেই সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে পাশে থাকাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা একটি মানবিক চট্টগ্রাম গড়তে কাজ করছি। আমি নগরীর প্রতিটি সচ্ছল ব্যক্তির প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় প্রতিবেশীর পাশে দাঁড়ান। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে চট্টগ্রামের কোনো মানুষ রমজানে অনাহারে থাকবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবু সুফিয়ান বলেন, মানুষের সেবা করাই রাজনীতির মূল লক্ষ্য। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর যোগসাজশে রমজানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে সাধারণ মানুষের হাতে ইফতারসামগ্রী তুলে দেওয়া বড় ইবাদত। আমরা চাই, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় এমন মানবিক কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ুক।

বাগমনিরাম ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু ফয়েজের সভাপতিত্বে এবং মহানগর যুবদল নেতা মো. ইদ্রিছ সবুজের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মহানগর বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু এবং মহানগর মহিলা দলের সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দৈনিক ১২শ’ র উপরে চক্ষু রোগীর সেবা দিতে সক্ষম ‘চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল’।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চক্ষু চিকিৎসা সেবায় দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)। একসময় ক্ষুদ্র পরিসরে যাত্রা শুরু করলেও গুণে ও মানে এখন তারা আন্তর্জাতিকমানের দাবিদার। যার খ্যাতি ও সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে দেশের গন্ডি পেরিয়ে বহিবিশ্বেও।সেবার মানসিকতাই তাদের এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের নিরলস প্রচেষ্টায় বর্তমানে আন্তর্জাতিকমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এটি।

প্রতিষ্ঠানটি সকলের কাছে পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতাল নামে পরিচিত। এক সময় ছোট পরিসরে এই চিকিৎসাসেবা শুরু করলেও এখন হাসপাতালের দুই লাখ বর্গফুট ফ্লোরের ৩টি ব্লকে রয়েছে ১০০টি সাধারণ শয্যা,৩১টি বিভিন্ন ধরনের কেবিন এবং ৮টি বিশ্বমানের অপারেশন থিয়েটার। গত ৫৩ বছরে প্রায় ৭০ লাখ মানুষের চোখের চিকিৎসা সফলভাবে সম্পন্ন করে। বছরে অস্ত্রোপচার করে আসছে প্রায় ২৭ হাজার রোগীর। দূর্ভাগ্যবশত এ গর্বিত যাত্রায় সম্প্রতি কিছু স্বার্থন্বেষীমহল অপ্রপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যক্তিগত পারিবারিক আক্রমন চালিয়ে দরিদ্র চিকিৎসাপ্রার্থীদের বিভ্রন্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, স্বার্থন্বেষীমহল এ মহলের বিভিন্ন সমস্যাও মোকাবেলা করে আসছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ২০২৪ সালের বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে ৩০-৪০ জনের একটি দল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ক্যাম্পাসের ভেতরে বিএনএসবি, চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক, চিকিৎসক ও ট্রাস্ট বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের উপর বেআইনি আক্রমণ চালায়। তবে কর্তৃপক্ষের দৃঢ মনোভাবে স্বাস্থ্যসেবা একদিনও বন্ধ থাকেনি বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, ছায়া ঘেরা সুনিবিড় পরিবেশে গড়ে ওঠা এ হাসপাতালটি চক্ষু চিকিৎসা শিবিরের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হলেও উদ্দেশ্য ছিল গরীবদের চক্ষু চিকিৎসার মাধ্যমে অন্ধত্ব নিবারণ ও দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেয়া। শুরু থেকেই অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন হাসপাতালটিকে একটি পূর্নাঙ্গমানের রূপ দিতে স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্নের সারথী অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে কয়েকজন সমাজ কর্মীর উদ্যোগে মাত্র ৩৬শ’ টাকা মূলধনে জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতির নামে প্রথমে চিকিৎসা সেবা শুরু করেন। পরবর্তীতে ৪০ শষ্যায় রূপান্তরিত হওয়ায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন “ইংল্যান্ডের রয়েল কমনওয়েলথ সোসাইটি ফর দি ব্লাইন্ড” এর তৎকালীন পরিচালক স্যার জন উইলসন। এভাবেই অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন চালিয়ে যান মানুষের চিকিৎসা সেবার কাজ। ১৯৭৪ সালে পশ্চিম জার্মানির ‘আন্দেরি হিলফি’ নামে একটি সংস্থার প্রেসিডেন্ট মিস রোজী গোলমম্যান বাংলাদেশে আসেন। অন্ধত্ব নিবারণ ও নিরাময়ে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করতে চাইলে তার সঙ্গে যোগাযোগ হয় আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের। স্বপ্নের শুরু সেখানেই। ১৯৮৩ সালে এসে আরও ডালপালা বাড়ে এ স্বপ্নের। অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের চোখে থাকা স্বপ্ন দেখতে শুরু করে আরও কয়েকজন। এদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জহুর আহম্মদ চৌধুরী, এ কে খান, অধ্যাপক এম.এ আমিন, ডা. ছমিউদ্দীন, ডা. এস আর দাশ প্রমূখ। শুরুতেই শিল্পপতি এ.কে.খান ছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি।

১৯৮৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারী হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হলেও এর আগে ১৯৭৯ সালের ১৯ এপ্রিল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। তবে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় ভূমির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এই হাসপাতালে সারাদেশে তিনশতধিক চিকিৎসক উচ্চতর ডিগ্রীর মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়। আরও সহস্রাধিক চক্ষু সেবা প্রদানকারী নিয়োজিত নার্স ও প্যারামেডিক (এমএলওপি) তৈরি করে হাসপাতালটি। এ ছাড়া পাঁচ শতাধিক লোককে দেওয়া হয়েছে চিকিৎসাবিষয়ক টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ। আরও সহস্রাধিক চক্ষু সেবা প্রদানকারী প্রশিক্ষিত কর্মী তৈরি করেছে এ হাসপাতাল। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রায় ১২ শতাধিক রোগী এ হাসপাতালে এসে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। এ ছাড়া ইমার্জেন্সি বিভাগে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। প্রতিদিন গড়ে ১৫০-১৬০জন রোগীর অপারেশন করানো হয়।

হাসপাতালটিতে ৫০ জন চিকিৎসক ও ৪৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। একটি ট্রাস্টি বোর্ডের আওতায় পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানটিতে দেশের বাইরে থেকেও উচ্চ প্রশিক্ষণ নিতে অনেকেই ছুটে আসেন। চক্ষু পরিচর্যায় ডাক্তারদের এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাকে প্রাথমিক চক্ষু বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। শিশুর চোখের ক্যান্সার নির্ণয়ে দেশে প্রথমবারের মতো একটি বিভাগও খোলা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দেশের চক্ষু সেবা কার্যক্রমের সঙ্গে তাল মেলাতে ডাক্তার, নার্স, প্যারামেডিকস এবং অন্যান্য টেকনিক্যাল ব্যক্তির জন্য এখানে ‘হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প’ চালু করা রয়েছে। এছাড়া ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও সিইআইটিসি এর মাধ্যে একাডেমিক চুক্তির মাধ্যমে ডিপ্লোমা ইন কমিউনিটি অফথালমোলোজি (ডিসিও) কোর্স শুরু হয়। এরপর ১৯৯১ সালে ইনস্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলোজি (আইসিও) এর যাত্রা শুরু হয়। অন্যদিকে হতদরিদ্র রোগীদের জন্য বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয় করছে বিএনএসবি ও সিইআইটিসি।
সিইআইটিসি’র প্রতিষ্ঠাতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন বলেন,

মানসম্পন্ন চক্ষু সেবা প্রদান এমনকী চক্ষু চিকিৎসার জন্য প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ উন্নয়ন ও একটি উৎকৃষ্ট চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই ছিল আমার স্বপ্ন। এত বড় প্রতিষ্ঠান করবো এমন কোন পরিকল্পনা ছিলনা। এ অবস্থায় পৌঁছানোর সবার সহযোগিতা রয়েছেন বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, হাসপাতালটির পেছনে এই দেশের জনগণ, কতৎকালীন প্রেসিডেন্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশ সরকার এবং দেশী-বিদেশী কিছু দাতা সংস্থার আর্থিক সহায়তা এটিকে সম্প্রসারিত করতে সাহায্য করে। এই কার্যক্রম প্রথমে ছানি রোগীর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ধাপে ধাপে অনুধাবন হয় যে দক্ষ চিকিৎসক, জনবল ও কারিগরি দক্ষতা ছাড়া উন্নত চিকিৎসা জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই একটি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। আর এই উপলব্ধি ও চিন্তারই বহিঃপ্রকাশ চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল। আজ এটি চক্ষু রোগের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে সমান দক্ষতার সাথে পরিচালিত হচ্ছে। দেশ বিদেশের উন্নত চক্ষু চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ ও নানাবিধ সেবার আশ্রয়স্থল এই হাসপাতাল।

ফলমন্ডিতে অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে নগরের ফলমন্ডিতে ২টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরের স্টেশন রোডের ফলমন্ডিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মূল্য তালিকা হালনাগাদ প্রদর্শন না করা এবং ক্রয়-বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করার অপরাধে কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ২টি প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান দুটির মালিকদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে নিয়ম মেনে ব্যবসা করার অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামজীদুর রহমান জানান, রমজান উপলক্ষ্যে আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালত চলমান রয়েছে। আজকে ফলমন্ডিতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। রমজান মাসব্যাপী নিত্য পণ্যের বাজার মনিটরিং নিশ্চিত করতে এই ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।এসময় জেলা প্রশাসনের আরেক নির্বার্হী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন উপুস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

মার্চ মাসে বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসছে আগামী মাসের ১২ মার্চের মধ্যে। শনিবার রাতে সংখ্যাগরিষ্ট দল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমেদ একথা জানান। এই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে।

তিনি বলেন- এই অধিবেশনে অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়ের অধ্যাদেশসমূহ উপস্থাপন করা হবে এবং শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে।এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংখ্যা গরিষ্ঠ দলের সংসদ নেতা হিসেবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান নির্বাচিত হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ