আজঃ সোমবার ২৫ মে, ২০২৬

মানুষের মুখে হাসি ফোটানো আমাদের দায়িত্ব : চসিক মেয়র।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, পবিত্র মাহে রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধি ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। এই মাস কেবল নিজের জন্য নয়, বরং পাশের অভাবী মানুষটির কথা ভাবার মাস। আজ মরহুম আবু বক্কর ফাউন্ডেশন যে মহতী উদ্যোগ নিয়েছে, তা মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কিছু মুনাফালোভী ব্যবসায়ীর কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে অসহায় ও নিম্নবিত্ত মানুষ যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন তাদের হাতে ইফতারসামগ্রী তুলে দেওয়া অত্যন্ত সময়োপযোগী উদ্যোগ। কারণ, একজনের সহযোগিতা আরেকজনের ইফতারের আনন্দ হয়ে উঠতে পারে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নগরের কাজীর দেউড়ি কাঁচাবাজার সংলগ্ন সড়কে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে মরহুম আবু বক্কর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায়দের মধ্যে ইফতারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে কয়েকশ অসহায় ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, তেল, ছোলাসহ প্রয়োজনীয় ইফতার ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রমজান মাসজুড়ে তাদের এ সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।

ডা. শাহাদাত আরও বলেন, আমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, নগরীর উন্নয়ন কেবল রাস্তাঘাট বা অবকাঠামো নির্মাণেই সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে পাশে থাকাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা একটি মানবিক চট্টগ্রাম গড়তে কাজ করছি। আমি নগরীর প্রতিটি সচ্ছল ব্যক্তির প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় প্রতিবেশীর পাশে দাঁড়ান। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে চট্টগ্রামের কোনো মানুষ রমজানে অনাহারে থাকবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবু সুফিয়ান বলেন, মানুষের সেবা করাই রাজনীতির মূল লক্ষ্য। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর যোগসাজশে রমজানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে সাধারণ মানুষের হাতে ইফতারসামগ্রী তুলে দেওয়া বড় ইবাদত। আমরা চাই, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় এমন মানবিক কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ুক।

বাগমনিরাম ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু ফয়েজের সভাপতিত্বে এবং মহানগর যুবদল নেতা মো. ইদ্রিছ সবুজের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মহানগর বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু এবং মহানগর মহিলা দলের সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাকপ্রতিবন্ধীকে পিটিয়ে হত্যা:চোর সাজানোর নাটক: দামাচাপা দিতে মরিয়া মালিকপক্ষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বিসমিল্লাহ ফেব্রিক্স ফ্যাক্টরিতে” চুরির অপবাদ দিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক হাসমত আলীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের মা মাজমা বেগম বাদী হয়ে বোয়ালখালী থানা এ হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ফ্যাক্টরির কর্মকর্তাসহ ১০ জনকে এজাহারভুক্ত এবং আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

নিহত হাসমত আলী পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের লাকুরা কালারপুল এলাকার ১নং ওয়ার্ডের ইয়াকুব আলীর ছেলে। তিনি বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন। তার তিন সন্তান রয়েছে— জিহাদ (১০), নিহাত (৮) ও ফাহাদ (৪)।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর রাতে বিসমিল্লাহ ফেব্রিক্স ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করলে হাসমত আলীকে আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এরপর তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং আহত অবস্থায় হাত-পা বেঁধে দীর্ঘ সময় ফেলে রাখা হয়। তাকে কোনো প্রাথমিক চিকিৎসাও দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি ভোর রাতে ঘটলেও দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।স্থানীয়দের দাবি, নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল এবং সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ,এইচআর ম্যানেজার মোঃ মোশারফ হোসেন,জেনারেল অ্যাডমিন হাফেজ মোঃ মনিরুল ইসলাম, সিকিউরিটি শিফট ইনচার্জ আমির হোসেন
বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহাফুজুর রহমান বলেন মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণের পর আটক-৩০

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করেছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় তারা নির্মাণাধীন নতুন ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে গেশ, র‌্যাব, পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী রাতেই অভিযানে নামে। গুলিবর্ষণের পাশাপাশি সন্ত্রাসীরা যাতায়াতের সড়কগুলো কেটে দিয়েছে। ফলে যৌথবাহিনীর যানবাহন ছাড়াই অভিযান পরিচালনা করতে হয়েছে। অভিযানে র‌্যাব-পুলিশ ২০ থেকে ৩০ জনকে আটক করেছে। সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, রোববার দিবাগত রাত ১টার পর জঙ্গল সলিমপুরে সদ্য প্রতিষ্ঠিত র‌্যাব ক্যাম্প লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করেছে। সন্ত্রাসীরা একে-৪৭ থেকেও গুলি ছুড়েছে। আমাদের সদস্যরা প্রথমে রাবার বুলেট ব্যবহার করে তখন সন্ত্রাসীরা বুলডোজার দিয়ে নির্মাণাধীন নতুন ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দিয়েছে।একপর্যায়ে আমাদের সদস্যরা রাইফেল থেকে ফাঁকা গুলি ছোড়েন। ততক্ষণে আমরা চতুর্পাশ থেকে ঘিরে ফেলি। রাস্তা কাটা থাকায় আমরা হেঁটে ক্যাম্পে পৌঁছতে যে সময় লেগেছে সেই সুযোগে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এই হামলার জন্য তিনি ইয়াসিনবাহিনীকে দায়ী করে আরো বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে জঙ্গল সলিমপুর থেকে বিতাড়িত সন্ত্রাসী ইয়াসিন গ্রুপ হামলা চালিয়েছে বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। অভিযানে ২০ থেকে ৩০ জন আটক আছে।যাচাই-বাছাই করে নিরপরাধ ব্যক্তিদের আমরা ছেড়ে দেব।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, যে ক্যাম্পটি সন্ত্রাসীরা গুঁড়িয়ে দিয়েছে সেটির কাজ শেষ পর্যায়ে ছিল। ঈদের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রাম সফরে সেটি উদ্বোধন করার কথা ছিল। সন্ত্রাসীদের হামলায় আমাদের কেউ আহত হয়ননি। সন্ত্রাসীরা জঙ্গল সলিমপুরে আর ফিরতে পারবে না।

প্রসঙ্গত, গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশের যৌথ অভিযান চালিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ নেয়। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এখানে ৩ হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে বিভিন্ন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানের পর এলাকাটিতে পুলিশ ও র‌্যাবের জন্য দুটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা দেয় সরকার। এরই অংশ হিসেবে র‌্যাব আলীনগরে একটি ক্যাম্প তৈরির কাজ শুরু করে। গতকাল রাতে সেই ক্যাম্পটি গুঁড়িয়ে দিল সন্ত্রাসীরা।

আলোচিত খবর

পবিত্র ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, ২৩ মে।শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটি থাকছে। তবে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে আগামীকাল শনিবারের ২৩ মে ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ঈদের ছুটি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এর আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও পরদিন ২৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ