আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

সাতকানিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের অন্যতম সংগঠন সাতকানিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ের লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে সাতকানিয়ার একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও সংবাদকর্মীদের সম্মানে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সাতকানিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রুবেল-এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব তারিকুল ইসলাম-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সংগঠনের উপদেষ্টাগণ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, থানা পুলিশের কর্মকর্তারা, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা, কৃষি কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ এবং গণমানুষের কণ্ঠস্বর। একটি সমাজের সমস্যা, সম্ভাবনা ও বাস্তব চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বক্তারা আরও বলেন, ইফতার মাহফিলের মতো এমন আয়োজন শুধু ধর্মীয় তাৎপর্য বহন করে না, বরং এটি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাতকানিয়ার সম্ভাবনা ও উন্নয়নের চিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার আহ্বানও জানান বক্তারা। একই সঙ্গে অপসাংবাদিকতা রোধে সাংবাদিক ইউনিয়নের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানকে স্বাগত ও সাধুবাদ জানান আমন্ত্রিত অতিথিরা।

ইফতারের আগে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাতে দেশের স্থিতিশীলতা, মানুষের কল্যাণ এবং সাংবাদিক সমাজের মঙ্গল কামনা করা হয়। মোনাজাত শেষে উপস্থিত অতিথিরা একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পরে এক প্রীতিভোজে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানটি সাতকানিয়ার সাংবাদিক সমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত অতিথিরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ