আজঃ বুধবার ১১ মার্চ, ২০২৬

সাতকানিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের অন্যতম সংগঠন সাতকানিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ের লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে সাতকানিয়ার একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও সংবাদকর্মীদের সম্মানে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সাতকানিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রুবেল-এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব তারিকুল ইসলাম-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সংগঠনের উপদেষ্টাগণ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, থানা পুলিশের কর্মকর্তারা, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা, কৃষি কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ এবং গণমানুষের কণ্ঠস্বর। একটি সমাজের সমস্যা, সম্ভাবনা ও বাস্তব চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বক্তারা আরও বলেন, ইফতার মাহফিলের মতো এমন আয়োজন শুধু ধর্মীয় তাৎপর্য বহন করে না, বরং এটি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাতকানিয়ার সম্ভাবনা ও উন্নয়নের চিত্র দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার আহ্বানও জানান বক্তারা। একই সঙ্গে অপসাংবাদিকতা রোধে সাংবাদিক ইউনিয়নের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানকে স্বাগত ও সাধুবাদ জানান আমন্ত্রিত অতিথিরা।

ইফতারের আগে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাতে দেশের স্থিতিশীলতা, মানুষের কল্যাণ এবং সাংবাদিক সমাজের মঙ্গল কামনা করা হয়। মোনাজাত শেষে উপস্থিত অতিথিরা একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পরে এক প্রীতিভোজে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানটি সাতকানিয়ার সাংবাদিক সমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত অতিথিরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

২৮ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পিবিআই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হামলা ও প্রকৃত ঘটনা গোপনের অভিযোগে করা এক মামলায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোনো সত্যতা পায়নি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।ওই মামলায় সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ ১০৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছিল। মামলাটিতে আসামিদের তালিকায় চট্টগ্রামের ২৮ জন সাংবাদিকও ছিলেন।দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সংস্থাটি, যা অতি সম্প্রতি জানাজানি হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় বাদীকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য চারবার নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাজির হননি এবং মামলার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যও দেননি। এমনকি বাদীর বাসায় গিয়ে যোগাযোগ করা হলেও তিনি পরে আর কোনো সাড়া দেননি। তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, মামলায় যেসব ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল, তাদের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তদন্তে জব্দ করার মতো কোনো আলামতও মেলেনি।

এ বিষয়ে মামলার বাদী হাসিনা মমতাজ বলেন, তিনি বাড়িতে ছিলেন এবং তার ভাই পিবিআই কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। পুলিশের এই তদন্ত প্রতিবেদনের বিরোধিতা করে তিনি দাবি করেন, পুলিশ এভাবে প্রতিবেদন দিতে পারে না এবং তিনি এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরের মোহরা সায়রা খাতুন কাদেরিয়া গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ হাসিনা মমতাজ আদালতে এই মামলাটি করেছিলেন। পরে আদালত পিবিআইকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনের সময় সাংবাদিকেরা প্রকৃত ঘটনা গোপন করে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করেছিলেন। গত ৪ আগস্ট নিউমার্কেট এলাকায় অবস্থানকালে বাদী দেখেন আওয়ামী লীগের সশস্ত্র কর্মীরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও গুলি চালাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা গলিতে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলে কয়েকজন সাংবাদিক তাদের মারধর করে আওয়ামী লীগ নেতাদের হাতে তুলে দেন এবং উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবেশন করেন বলে অভিযোগ আনা হয়।

মামলায় সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত ছাড়াও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর মা ও চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের ২৮ জন সাংবাদিক এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এ ছাড়া আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

চোখের নীরব ঘাতক রোগ গ্লুুকোমা : সিইআইটিসিতে র‌্যালী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চোখের নীরব ঘাতক রোগ গ্লুুকোমা : সিইআইটিসিতে র‌্যাল

ছবি-১
চট্টগ্রাম ব্যুরো: “একসাথে হাত ধরি, গ্লুকোমা মুক্ত বিশ্ব গড়ি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ‘বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ-২০২৬’ উদ্যাপন করছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার পাহাড়তলীস্থ হাসপাতাল প্রাঙ্গনে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় র‌্যালীর উদ্বোধন করেন হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা. কিউ এম অহিদুল আলম। তিনি বলেন, গ্লুুকোমা চোখের নীরব ঘাতক রোগ। বিরাট জনগোষ্ঠী গ্লুুকোমা রোগের নামই শোনেননি। গ্লুকোমা চোখের এমন একটি জটিল রোগ, ধীরে ধীরে দৃষ্টি কমে যায়। এমনকি এক সময় রোগী অন্ধত্ববরণ করতে বাধ্য হয়। সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা না নিলে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি থাকে। তাই গ্লুকোমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন. আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী, চিফ কনসালট্যান্ট ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী, প্রফেসর ডা. জেসমিন আহমেদ, কনসালটেন্ট ডা. উম্মে সালমা আকবর, এসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. মো. দস্তগীর হোসেন, ডা. কাজী তাহমিনা আক্তার. ডা. ফারজানা আক্তার চৌধুরী, ডা. এ এস এম মাহাবুবুল আলম, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া,ডা. সুইটি বড়ুয়া, ডা. আমিনুর রহমান, ডা. শেলী বিশ্বাস, ডা. মো. ইফতেখার শামীম, ডা. মৌসুমী চৌধুরী প্রমূখ।

এর আগে সকাল ৮টায় ‘বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ উপলক্ষে হাসপাতালের ইমরান সেমিনার হলে চোখের গ্লুকোমা নির্ণয় ও প্রতিরোধের বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন, ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা. কিউ এম অহিদুল আলম, মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন. আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী, চিফ কনসালট্যান্ট ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী, এসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. মো. দস্তগীর হোসেন প্রমূখ।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হাসপাতালের ডিপার্টমেন্ট অব গ্লুকোমা বিভাগের প্রধান কনসালটেন্ট ডা. উম্মে সালমা আকবর। সেমিনারে বিশ্বব্যাপী অন্ধত্বের দ্বিতীয় কারণ মারাত্মক দৃষ্টিনাশী রোগ গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত চোখ পরীক্ষা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়। শতকরা ৫০ জন লোক জানেন না তার গ্লুকোমা রোগ আছে। বিশেষ করে উপসর্গ থাকে না বলে বেশিরভাগ গ্লুকোমা রোগীই বুঝতে পারেন না এর উপস্থিতি। তুষের আগুনের মতো ভেতরে ভেতরে নষ্ট করে দেয় স্নায়ুতন্ত্র। বেশিরভাগ গ্লুকোমা রোগী আসেন অন্ধত্বের কাছাকাছি সময়ে। তখন বেশি কিছু করার থাকে না। প্রাথমিক পর্যায়ে গ্লুকোমা শনাক্ত করা গেলে অন্ধত্বের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

নীরবে চোখকে অন্ধত্বের দিকে নিয়ে যায় বলে গ্লুকোমাকে নীরব ঘাতক বা ‘সাইলেন্ট কিলার’ উল্লেখ করে সেমিনারে আরো বলা হয়, গ্লুকোমা রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব; কিন্তু নিরাময় করা সম্ভব নয়। ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ রোগীর মতো সুনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং নিয়মিত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিলে গ্লুকোমা রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। গ্লুুুকোমা রোগ সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদেরও ভূমিকা পালন করতে হবে। এছাড়া সাপ্তাহব্যাপী কর্মসূচীতে হাসপাতালের চিকিৎসকরা আগত রোগী ও তাদের স্বজনদের গ্লুুকোমা রোগ সম্পর্কে অবগত করছেন।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম নগরে ৫ হাজার ৫৭৫ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক মাসের মধ্যে এই নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করে প্রমাণ করেছে যে, নেতৃত্ব ঠিক থাকলে সব সম্ভব। ফ্যামিলি কার্ড একটি স্মার্ট কার্ড। ভবিষ্যতে জাতীয় সব সুযোগ-সুবিধা এই কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া হবে।

এছাড়া কৃষকদের কল্যাণে ১২ হাজার কোটি টাকার ঋণ মওকুফ এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি কার্ডের মতো আরও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।মঙ্গলবার চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এয়ারপোর্ট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রাম নগরের ৫ হাজার ৫৭৫ জন নারীর হাতে এই কার্ড তুলে দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

আমির খসরু বলেন, আমাদের সীমিত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আমরা এই ঝুঁকি নিয়েছি। এই কার্ড বিতরণে কোনো দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি। সরকারি কর্মকর্তারা নির্দ্বিধায় ও স্বাধীনভাবে কাজ করে হতদরিদ্রদের খুঁজে বের করেছেন।

তিনি বলেন, পরিবারের নারী প্রধানকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী না করলে আগামীর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মহিলারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিবারের সব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের এই সেবার যথাযথ মূল্যায়ন আগে কখনো হয়নি। তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে মূল্যায়নের জন্য গৃহকর্তীদের বেছে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ২ হাজার ৫০০ টাকা পৌঁছে যাচ্ছে, যা তাদের হাতে একটি অর্থনৈতিক শক্তি তৈরি করবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ