আজঃ বুধবার ১ এপ্রিল, ২০২৬

মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন নাগরিক ছাত্র ঐক্য।

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যাত্রী আন্দোলনের প্রবক্তা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব ও বিশিষ্ট মানবাধিকার সংগঠক মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীর ওপর অব্যাহত হুমকি-ধামকি এবং তার জীবনের নিরাপত্তা সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে নাগরিক ছাত্র ঐক্য কেন্দ্রীয় সংসদ।

এক যৌথ বিবৃতিতে নাগরিক ছাত্র ঐক্য কেন্দ্রীয় সংসদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি ও সদস্য সচিব তানভীর ইসলাম স্বাধীন বলেন, দেশের সাধারণ যাত্রীদের অধিকার, নিরাপদ সড়ক এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার থাকা একজন সাহসী কণ্ঠস্বরকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য হুমকিস্বরূপ।

মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি বলেন,“মোজাম্মেল হক চৌধুরী দীর্ঘ দুই দশক ধরে যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠা, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবহন খাতে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা রেখে আসছেন। ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার বিরুদ্ধে যেসব হুমকি দেওয়া হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই এ ধরনের হুমকি দিয়ে সত্যকে থামানো যাবে না। অবিলম্বে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

তানভীর ইসলাম স্বাধীন বলেন,একজন মানবাধিকার কর্মী ও সামাজিক সংগঠকের ওপর এভাবে নজরদারি, অনুসরণ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি শুধু একজন ব্যক্তির নিরাপত্তা নয়, বরং নাগরিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মোজাম্মেল হক চৌধুরীর বাসা, অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে সন্দেহজনক লোকজনের অবস্থান এবং তার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি একটি পরিকল্পিত ভীতি সৃষ্টির প্রচেষ্টা, যা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

নাগরিক ছাত্র ঐক্য কেন্দ্রীয় সংসদ মনে করে, যারা জনগণের পক্ষে কথা বলে, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। অন্যথায় সমাজে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

অতএব, আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীর জীবনের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে হুমকিদাতাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবেযাত্রী অধিকার আন্দোলনে বাধা সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে

নাগরিক ছাত্র ঐক্য কেন্দ্রীয় সংসদ সবসময় অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে এবং জনগণের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে দৃঢ় অবস্থানে থাকবে।যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠা হোক, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত হোক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

১২৫ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি সাংবাদিক দম্পতি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ১২৫ বার তারিখ পেছাল। আলোচিত এ মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।বুধবার (১ এপ্রিল) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআই’র অতিরিক্ত এসপি মো. আজিজুল হক আদালতে হাজির হলেও প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ আটজনকে আসামি করা হয়। বাকি আসামিরা হলেন— বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদকে আসামি করা হয়।

ভাঙ্গুড়ায় আইন-শৃঙ্খলা সভায় ২৪ ঘণ্টা জন সেবার প্রতিশ্রুতি ইউএনও মিজানুর রহমানের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় এক ব্যতিক্রমধর্মী আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় অংশগ্রহণকারী ইচ্ছুক সকল কে মুক্তভাবে মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয়, যা উপস্থিতদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ১১টায় ভাঙ্গুড়া উপজেলার হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মিজানুর রহমান।

সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন পর এমন সভা অনুষ্ঠিত হওয়ায় ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় এবং উপজেলা হলরুম ছিল পরিপূর্ণ।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জনসেবা কার্যক্রম, মাদক প্রতিরোধ, বাজার ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন জনদুর্ভোগের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা খোলামেলা ভাবে তাদের মতামত ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। সভায় উত্থাপিত বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন সভার সভাপতি জনাব মিজানুর রহমান। সহকারীদের পাশাপাশি তিনি নিজেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নোট করে রাখেন এবং সেসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমানে তিনি চারটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব পালন করছেন এবং উপজেলার মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি ২৪ ঘণ্টা জনসেবার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। উপজেলার যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাকে তাৎক্ষণিকভাবে জানালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নত ভাঙ্গুড়া গড়ে তোলা অবশ্যই সম্ভব। সভায় উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

ছবি: ভাঙ্গুড়া উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও জনাব মিজানুর রহমান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ