আজঃ বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

হাম সন্দেহ : চট্টগ্রামে আরও ১৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৫ জন হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, পরীক্ষার জন্য নতুন করে ৪টি নমুনা ল্যাবে পাঠানো হয়েছে এবং এ নিয়ে মোট প্রেরিত নমুনার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১৩টিতে। চিকিৎসা শেষে এ পর্যন্ত ২০ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

ওই প্রতিবেদনে জানানো, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় এই ১৫ জন রোগী হামে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তবে জেলার ১৫টি উপজেলায় আজ নতুন কোনো রোগী ভর্তির খবে পাওয়া যায়নি। এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলায় হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪ জনে, যাদের সবাই মহানগরীর বাসিন্দা।

নতুন করে ল্যাব পরীক্ষায় হাম রোগী শনাক্ত না হলেও, এ পর্যন্ত জেলায় সর্বমোট ৩৭ জন নিশ্চিত হাম রোগী পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২৬ জন মহানগরীর এবং ১১ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরে হাম-রুবেলা টিকা পাবে ৩ লাখের বেশি শিশু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে হাম-রুবেলা টিকা পাবে ৩ লাখের বেশি শিশু। বৃহস্পতিবার লালদীঘির পাড়ে চসিক পাবলিক লাইব্রেরি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান।

এ সময় মেয়র নগরের শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যে ২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত মাসব্যাপী টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে বলে জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন। বক্তব্য রাখেন, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) শেখ ফজলে রাব্বী, সিভিল সার্জন ড. জাহাঙ্গীর আলম, চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ডা. হোসনে আরা, ডা. তপন কুমার, ডা. খাদিজা আহমেদ, ডা. আব্দুল মজিদ শিকদার, ইউনিসেফের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দেলোয়ার হোসেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর ডা. ইমং প্রো চৌধুরী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক ফাহমিদা বেগম।

মেয়র আরো বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয় এবং পরবর্তীতে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি এমনকি মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি।তিনি জানান, এই ক্যাম্পেইনের আওতায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। প্রতিদিন (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বাদে) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

চসিক সূত্রে জানা যায়, এবারের ক্যাম্পেইনে ৭টি জোনের ৪১টি ওয়ার্ডে মোট ৩ লাখ ৩০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য ৪৮টি স্থায়ী টিম, ২০৫টি অস্থায়ী টিম, ৪১টি মপ-আপ টিম এবং ১৪টি সন্ধ্যাকালীন টিকাদান সেশন চালু থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, টিকা গ্রহণের জন্য অভিভাবকদের ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে অনলাইনে নিবন্ধন করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে নিবন্ধন না থাকলেও কোনো শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হবে না। বিশেষ করে বস্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে।

মেয়র আরও জানান, ক্যাম্পেইন সফল করতে ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ, স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতকরণ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় সভা, মাইকিং ও গণসচেতনতা কার্যক্রম।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচি সফল করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। সাংবাদিক, শিক্ষক, ইমাম, পেশাজীবীসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই আমরা একটি সুস্থ, নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে পারবো।
আগামী ২০ এপ্রিল সকাল ১০টায় চসিক জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে এ টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন হবে।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা দিয়ে চলছেন-সিভিল সার্জন, চট্টগ্রাম। ==================================

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সম্মিলিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক পরিষদ, বাংলাদেশ এর বিভাগীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি সভায় চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন -হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা দিয়ে চলছেন। খুব কম লোক রয়েছে, যাহারা হোমিও ঔষধ খাননি।

এ পদ্ধতির চিকিৎসা সেবায় যারা রয়েছেন,সকলকেই আরো দক্ষ ও আন্তরিকতার সাথে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। তিনি ৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিভাগীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি সভায় সাবেক অধ্যক্ষ ডাঃ আবুল কালাম আজাদ এর সভাপতিত্বে এবং সাবেক হোমিওপ্যাথিক বোর্ সদস্য ডাঃ এ কে এম ফজলুল হক এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

াচট্টগ্রাম বিভাগের প্রয়াত হোমিও ডাক্তারদের স্মরণ করে শোক প্রস্তাবের পর বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক -এডভোকেট গোলাম মাওলা মুরাদ , এনএসডিএফ এর আহ্বায়ক ও বিশিস্ট চিকিৎসক ডাঃ হাবিবুর রহমান,ডাঃ কিরন শর্মা, অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ডাঃ উজ্জ্বল দাস,ডাঃ সওকত ইমরান সুমন,ডাঃ কামাল হোসেন, ডা সাগর দে,ডাঃ ফয়সাল উদ্দিন, ডাঃ রুপম রুদ্র, ডাঃ দিপাল মিত্র, ডাঃ ফরিদ,ডাঃ লোকমান,ডাঃ জানে আলম, ডাঃআব্দুস সোবহান, ডাঃ শাহ আলম,ডাঃ আব্দুল করিম প্রমূখ।

বক্তাগণ বলেন -আগামী বিভাগীয় সম্মেলনে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্প্রসারণে ৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশে করনাকালীন সময়ে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারগণ নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের থেকে মানুষের সেবাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাছাড়াও
অন্য সময়েও মানবতার সেবায় সচেষ্ট থাকেন।


প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বেশিরভাগ মানুষের সেবায় নিয়োজিত হোমিও ডাক্তারদের কল্যানে যথাযথ সম্মান ও মর্যাাদা প্রদান সময়ের দাবি। আশাকরি বর্তমান সরকার এলোপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও চিকিৎসকদের কল্যানে কাজ করবে।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ