আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

মেক্সিকো সিমান্তে ফের দেয়াল তুলছেন জো বাইডেনও।

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবৈধ অভিবাসী আটকাতে মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল দেওয়া শুরু করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ভোটের লড়াইয়ে তাকে হারান বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রতিশ্রুতি ছিল, আর দেয়াল উঠবে না। তবে কথা রাখতে পারলেন না তিনি।

প্রতিবেশী দেশটির সীমান্তে আবার প্রাচীর উঠছে। বাইডেন প্রশাসনই দিয়েছেন এই অনুমোদন। অভিবাসীদের ঢল আটকাতে টেক্সাসের স্টার কাউন্টিতে মেক্সিকো সীমান্তজুড়ে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ দেয়াল উঠবে।

মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণ ট্রাম্পের ‘সিগনেচার পলিসি’ হিসেবে পরিচিত। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের সেই উদ্যোগের ঘোরতর বিরোধিতা করেছিল ডেমোক্রেটিক পার্টি। ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে নিজের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে মেক্সিকো সীমান্তে আর এক ফুট দেয়ালও নির্মাণ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাইডেন। কিন্তু যেভাবে মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশ বাড়ছে, তাতে নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনের জন্য বিষয়টি খুবই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।

এ বছর এরইমধ্যে রিও গ্র্যান্ডে ভ্যালি এলাকা দিয়ে ২ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশ করেছে বলে সরকারি তথ্যে জানা গেছে। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ হয়েছে সেপ্টেম্বর মাসে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি নগরী থেকে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা অস্বাভাবিক রকম বেড়ে যাওয়ার খবর এসেছে।

নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র এরিক অ্যাডামস ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, গত বছর থেকে সেখানে যে এক লাখের বেশি নতুন অভিবাসী এসেছে, তাদের আবাসনের জন্য আগামী তিন বছর ১২শ কোটি মার্কিন ডলার খরচ হবে।

অবৈধ অভিবাসীর প্রবেশ আটকাতে মেয়র অ্যাডামস মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও ইকুয়েডর সফর করছেন। মঙ্গলবার তিনি বলেন, “আমার পক্ষে আর কাউকে জায়গা দেওয়া সম্ভব না। আমরা সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করেছি।

-সংবাদ সূত্র: বিবিসি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইরানের প্রাইমারি বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হা’ম’লায় নি’হ’তদের পরিবারকে ২ লাখ ডলার অনুদান  দেবে চীন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইরানের প্রাইমারি বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হা’ম’লায় নি’হ’তদের পরিবারকে ২ লাখ ডলার অনুদান  দেবে চীন।

আমিরাতে ‘আটকে পড়া’ প্রবাসীদের নিয়ে দেশের সংবাদমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর খবর: ক্ষোভে ফুঁসছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের কিছু মূলধারার সংবাদমাধ্যম ও একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের ‘অতিরঞ্জিত’ এবং ‘বিভ্রান্তিকর’ খবরে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

বিশেষ করে ‘দুবাইয়ে আটকে পড়া ৩৭৮ জন প্রবাসীকে ফিরিয়ে আনলো ইউএস-বাংলা’ এমন শিরোনামের সংবাদকে প্রবাসীরা ‘নাটক’ এবং ‘স্বাভাবিক যাত্রীদের আটকে পড়া শ্রমিক’ হিসেবে দেখানোর অপচেষ্টা বলে দাবি করেছেন।​এই সংবাদটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিরা একে অত্যন্ত বিব্রতকর ও অসম্মানজনক বলে অভিহিত করছেন।

​আরটিভি আরব আমিরাত প্রতিনিধি সাফাওয়াত উল্লাহ তার ফেসবুকে একটি নিউজ পোর্টালের ফটোকার্ড শেয়ার করে লিখেছেন, দেশের মিডিয়ায় যা প্রচার হচ্ছে, তার বেশিরভাগই অতিরঞ্জিত। ১২ লাখের বেশি বাংলাদেশি যে দেশে থাকে, সেখানে ১৮৯ জন কোথায় আটকে পড়েছিল? নিয়মিত যাত্রীদের নিয়ে প্রথমে ভারত নাটক দেখালো, এখন আপনারা দেখাচ্ছেন। মানুষ যেখানে টিকিট না পেয়ে দেশ থেকে দুবাই আসতে পারছে না, সেখানে আপনারা ফেরার হিড়িক দেখাচ্ছেন।

​প্রবাসী মুহাম্মদ মোরশেদ বিন ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, আটকা পড়া’ মানে কী? আমরা কি কোথাও বন্দি হয়ে আছি? আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইটে সামান্য বিলম্ব হওয়াকে ‘আটকা পড়া’ বলে প্রচার করা সম্পূর্ণ ভুল। এ ধরনের খবরে আমাদের পরিবার-পরিজন দেশে অযথা দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়।

​প্রবাসী শিল্পী বঙ্গ শিমুল বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে তিনি লিখেন, ৩৭৮ জন প্রবাসীকে ফেরত নেওয়া হয়েছে বলে যে নিউজ করা হচ্ছে, আমার প্রশ্ন হলো এরা কোন জঙ্গলে আটকা পড়েছিল? আমরা ১২ লাখ প্রবাসী এখানে অত্যন্ত স্বাভাবিক ও সুন্দর জীবনযাপন করছি। এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক নিউজ আমাদের দেশের ইমেজ নষ্ট করছে।

​অন্যদিকে, মাসুদ মল্লিক নামের এক প্রবাসী এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের আচরণের তীব্র সমালোচনা করে প্রবাসীদের নিয়ে এমন ‘আদিক্ষেতা’ বন্ধের অনুরোধ জানান।

​আমিরাতের প্রবাসী কমিউনিটি নেতারা মনে করেন, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার অত্যন্ত দক্ষতা ও কঠোরতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। বর্তমানে দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা নিয়মিতভাবে তাঁদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

​নেতারা দেশের গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, কয়েকশ নিয়মিত যাত্রীকে ‘আটকে পড়া’ তকমা দিয়ে ১২ লাখ প্রবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো সাংবাদিকতার নৈতিকতা পরিপন্থী। সত্যনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে প্রবাসীদের পরিবারকে আশ্বস্ত করার আহ্বান জানান তাঁরা।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ