আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এলজিইডি কর্মকর্তা নিহত। আহত ৪

উখিয়া প্রতিনিধি: এম.এ. রহমান সিমান্ত:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

সিএনজি-বাস সংঘর্ষে উখিয়া এলজিইডির উপ সহকারী প্রকৌশলী জহুরুল হক (৪৮) নিহত হয়েছেন। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছে আরেক সহকমী আমিনুল হক মজুমদার ড্রাইভার,ও যাত্রী সহ ৪জন।

১২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ১০ টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের হিজলীয়া নামক স্টেশনে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

 

 

 

এলজিইডি উখিয়া সূত্রে জানা যায় নিহত জহুরুল হক কুষ্টিয়া সদরের নিহিংশ এলাকার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি উখিয়া উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলীর দায়িত্বে ছিলেন। আহতদের উখিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অন্যান্য আহতরা হলেন উখিয়া এলজিইডি অফিসের উপ সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল হক মজুমদার (৪২) পিতা মমিনুল হক মজুমদার বাড়ী উপজেলা চৌদ্দগ্রাম জেলা কুমিল্লা, সিএনজি ড্রাইভার জাকির আলম(৫০), পিতা-মৃত রশিদ আহমদ, গ্রাম-খয়রাতি পাড়া, রাজাপালং, থানা-উখিয়া, বালুখালী ১২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের রোহিঙ্গা মোহাম্মদ হাশিম (৩৯) ছেলে মোঃ রিয়াজ(১ বছর ৬ মাস), ও স্ত্রী নুর কায়েস (৩২)

শাহপুরী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটের দিকে উখিয়ামুখী একটি সিএনজির সাথে কক্সবাজারমুখী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে ঘটনাস্থলে এক সিএনজি যাত্রী নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন। নিহতদের লাশ উদ্ধার উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্ত করা হয়।

 

 

 

উখিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রোকনুজ্জামান খান সহকর্মীর লাশ গ্রহন করে তার গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান। এ তথ্য জানানোর সময় তিনি অঝোরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।অশ্রুসিক্ত নয়নে বলেন তিনি উখিয়া অফিসে এক অক্টোবর যোগদান করেছেন।

তার ছোট ছোট তিনটি বাচ্চা রয়েছে ভবিষ্যৎ কি হবে তার পরিবারের? একজন সহকর্মীকে এভাবে হারাতে হবে যা আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।এদিকে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে।এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে হাইওয়ে পুলিশ জানায়।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর স্থাপনা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. শামছুল ইসলাম চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, শিল্প ও সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা ঈসা খানে অবস্থিত আইএফএফ সেন্টার, সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিএনআরডি) এবং চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেডের (সিডিডিএল) কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আইএসপিআর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আইএফএফ সেন্টার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের সমুদ্রসীমায় সব জাহাজের গতিবিধি, তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণ করে থাকে, যা সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নজরদারি কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অপরদিকে, সিএনআরডি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি গবেষণা ও উদ্ভাবনমুখী প্রতিষ্ঠান, যেখানে জ্বালানি পরিশোধন প্রযুক্তি, ড্রোন উন্নয়ন এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা ও উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজসহ বিভিন্ন বেসামরিক জাহাজের মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে দেশের সামুদ্রিক শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ সময় তিনি চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা শিল্পে মেড ইন বাংলাদেশ নীতির আলোকে চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের গুরুত্ব অপরিসীম বলেও উল্লেখ করেন এবং চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড এবং ওয়েস্টার্ন মেরিন লিমিটেড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান সক্ষমতা, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের অগ্রগতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং দক্ষ জনশক্তির প্রশংসা করেন। তিনি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, জাহাজ নির্মাণ শিল্প এবং প্রতিরক্ষা খাতের টেকসই উন্নয়নে সবাইকে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

ভারী বৃষ্টিপাত হলেও নগরীর অধিকাংশ এলাকায় দ্রুত পানি নিষ্কাশন হয়েছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে বৃষ্টির পানি যাতে কোথাও জমে না থাকে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার কতা জানালেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হলেও নগরীর অধিকাংশ এলাকায় দ্রুত পানি নিষ্কাশন হয়েছে। ফলে কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি এবং সাধারণ মানুষের চলাচল ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি দেখা যায়নি। জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। খাল পুনরুদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ফলে ইতোমধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে। ভবিষ্যতেও নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার টানা বৃষ্টির মধ্যে নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, খাল ও জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মেয়র এলাকাগুলো ঘুরে দেখেন এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
তিনি জানান, চসিকের পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন এবং খাল, নালা-নর্দমার প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জলাবদ্ধতাপ্রবণ স্থানগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, প্রতিবন্ধকতা দ্রুত অপসারণ এবং পানি প্রবাহে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ