আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এলজিইডি কর্মকর্তা নিহত। আহত ৪

উখিয়া প্রতিনিধি: এম.এ. রহমান সিমান্ত:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

সিএনজি-বাস সংঘর্ষে উখিয়া এলজিইডির উপ সহকারী প্রকৌশলী জহুরুল হক (৪৮) নিহত হয়েছেন। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছে আরেক সহকমী আমিনুল হক মজুমদার ড্রাইভার,ও যাত্রী সহ ৪জন।

১২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ১০ টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের হিজলীয়া নামক স্টেশনে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

 

 

 

এলজিইডি উখিয়া সূত্রে জানা যায় নিহত জহুরুল হক কুষ্টিয়া সদরের নিহিংশ এলাকার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি উখিয়া উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলীর দায়িত্বে ছিলেন। আহতদের উখিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অন্যান্য আহতরা হলেন উখিয়া এলজিইডি অফিসের উপ সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল হক মজুমদার (৪২) পিতা মমিনুল হক মজুমদার বাড়ী উপজেলা চৌদ্দগ্রাম জেলা কুমিল্লা, সিএনজি ড্রাইভার জাকির আলম(৫০), পিতা-মৃত রশিদ আহমদ, গ্রাম-খয়রাতি পাড়া, রাজাপালং, থানা-উখিয়া, বালুখালী ১২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের রোহিঙ্গা মোহাম্মদ হাশিম (৩৯) ছেলে মোঃ রিয়াজ(১ বছর ৬ মাস), ও স্ত্রী নুর কায়েস (৩২)

শাহপুরী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটের দিকে উখিয়ামুখী একটি সিএনজির সাথে কক্সবাজারমুখী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে ঘটনাস্থলে এক সিএনজি যাত্রী নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন। নিহতদের লাশ উদ্ধার উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্ত করা হয়।

 

 

 

উখিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রোকনুজ্জামান খান সহকর্মীর লাশ গ্রহন করে তার গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান। এ তথ্য জানানোর সময় তিনি অঝোরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।অশ্রুসিক্ত নয়নে বলেন তিনি উখিয়া অফিসে এক অক্টোবর যোগদান করেছেন।

তার ছোট ছোট তিনটি বাচ্চা রয়েছে ভবিষ্যৎ কি হবে তার পরিবারের? একজন সহকর্মীকে এভাবে হারাতে হবে যা আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।এদিকে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে।এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে হাইওয়ে পুলিশ জানায়।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হলেন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১১৮ কর্মকর্তা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হলেন প্রশাসনের যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ১১৮ কর্মকর্তা। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের সবাই বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই পদোন্নতির তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর বা কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে তাকে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। জনপ্রশাসন সচিবের কাছে সরাসরি বা ইমেইলে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে।

পদোন্নতি পাওয়া কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে কোনো বিরূপ বা ভিন্নরূপ তথ্য পেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন বা বাতিল করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে বড় পরিবর্তনবর্তমানে ২৮৫ জন অতিরিক্ত সচিব রয়েছেন। নতুন ১১৮ জনকে নিয়ে অতিরিক্ত সচিবরে সংখ্যা হয়েছে ৪০৩ জন। অতিরিক্ত সচিবের স্থায়ী পদের সংখ্যা ২১২ জন হওয়ায় পদোন্নতি পাওয়া বেশির ভাগ কর্মকর্তাকে আগের পদেই (ইনসিটু) কাজ করতে হবে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের এই পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনেক যোগ্য ও দক্ষ কর্মকর্তা আবারও বাদ পড়েছেন। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের বড় একটি অংশ এই তালিকায় জায়গা পাননি বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ