আজঃ সোমবার ২৫ মে, ২০২৬

রোহিঙ্গাদের ভোটার হতে সহযোগিতার অভিযোগে ঈদগাঁও ইউপি চেয়ারম্যানকে দুদকে তলব

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়ার ঘটনায় অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শুরুতে অভিযুক্ত ৩৮ রোহিঙ্গা ভোটারের নাগরিকত্ব সনদ, জন্মসনদ এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য চেয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চিঠি দেয় দুদক।

তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন তথ্যগুলো দুদকের সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান কর্মকর্তার কাছে পাঠান।

 

 

দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা অংটি চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, রোহিঙ্গা ভোটার নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে । বেশ কিছু ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করে তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়ায় সহযোগিতার অভিযোগে ঈদগাঁও উপজেলা ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলমককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে। এতে পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এই বিষয়ে, ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম বলেন, তলব করায় মঙ্গলবার চট্টগ্রাম দুদক কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান কর্মকর্তা না থাকায় জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।

রোহিঙ্গা ভোটার নিয়ে দুদকের অনুসন্ধানকে স্বাগত জানিয়ে সাধারণ নাগরিকরা বলেন, যাদের যাচাই-বাছাইয়ের পর রোহিঙ্গারা ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তাদের বাদ দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারি কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি করে বিষয়টি অনুসন্ধান করলে ভালো হতো। তা না হলে তাদের অনুসন্ধান প্রতিবেদনটি প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

এদিকে একই অভিযোগ কক্সবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে দাখিল করার পর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ইউএনও নিজে ৪ সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করে, তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে সত্যতা পান। ঔ প্রতিবেদনও জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কাতালগঞ্জে জলাবদ্ধতা নিরসনে নালা-নর্দমা পরিদর্শনে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর কাতালগঞ্জ এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে নালা-নর্দমার বর্তমান পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন ডা. শাহাদাত হোসেন। পরিদর্শনকালে তিনি এলাকার বিভিন্ন সড়ক, ড্রেন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অবস্থা ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনের সময় কাতালগঞ্জ বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে ওয়াসার পানির পাইপ লিকেজের কারণে সড়কে পানি জমে থাকার বিষয়টি মেয়রের নজরে আসে। এ সময় তিনি দ্রুত সমস্যা সমাধানে ওয়াসা কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

মেয়র বলেন, নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কোথাও পাইপ লিকেজ, অপরিকল্পিত বর্জ্য ফেলা কিংবা ড্রেনেজ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে পানি জমে থাকলে তা দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্ষা মৌসুমে নগরবাসী যেন জলাবদ্ধতার কারণে ভোগান্তিতে না পড়ে, সে লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকার নালা-নর্দমা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

চসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রামকে ক্লিন সিটি হিসেবে গড়তে চাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে নগরীর কাজীর দেউরী ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই উপহার হস্তান্তর করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এবার চসিকের মোট ৩,২৭০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রত্যেকে ৫,০০০ টাকা করে ঈদ উপহার পেয়েছেন। এর আগে গত শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের হাতে ১ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এর আগে এবছরের ঈদুল ফিতর উপলক্ষেও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতা জানিয়ে এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাই একটি শহরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি। তারা দিন রাত পরিশ্রম করে, রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে নগরবাসীর জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করেন। তাদের এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রদত্ত এই ঈদ উপহার একটি মানবিক উদ্যোগ, যা কর্মীদের মনোবল আরও বাড়াবে।

“পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্র্রী অত্যন্ত মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি লালন করেন। তিনি আমাদের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে আবাসন নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ প্রকল্পের আওতায় সাতটি ভবনে মোট ১,০৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন হবে প্রায় ৬০০ বর্গফুট। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো পরিচ্ছন্নকর্মীদের ঈদ আনন্দ নিশ্চিত করার জন্য এই ঈদ উপহার প্রদানের সংস্কৃতি চালু করেছেন। ইনশাল্লাহ বর্ষায় পরিচ্ছন্নকর্মীরা যাতে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেন তার জন্য রেইনকোট প্রদানের উদ্যোগও নিয়েছি।’’

মেয়র আরও বলেন, চট্টগ্রামকে একটি ক্লিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল কাজ, যার উপর পুরো নগরের ভাবমূর্তি নির্ভর করে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, যার ফলে শহরের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা অনেকটাই উন্নত হয়েছে। তবে এখনও কিছু ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে ময়লা পরিবহনের সময় রাস্তায় বর্জ্য পড়ে যাওয়া, যানবাহন দ্রুত চালানোর কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

মেয়র নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে চসিক বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বর্জ্য থেকে সম্পদ উৎপাদনের লক্ষ্যে রিসাইক্লিং, বায়োগ্যাস, গ্রিন ডিজেল এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, উন্নত দেশগুলো বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করছে, আর আমাদের দেশে এখনো অনেকেই অনিয়মভাবে বর্জ্য ফেলছেন, যা জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ।তিনি জানান, বাসা থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহের একটি উদ্যোগ নেওয়া হলেও নাগরিকদের আপত্তির কারণে তা বন্ধ করা হয়েছে। এখন চসিক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে বাসা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

মেয়র পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই শহর আমাদের সবার। আপনারা যদি আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করেন, তাহলে চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব।

চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, সিডিএ’র বোর্ড মেম্বার জাহিদুল করিম কচি, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি, উপ প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মাসহ চসিকের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

পবিত্র ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, ২৩ মে।শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটি থাকছে। তবে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে আগামীকাল শনিবারের ২৩ মে ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ঈদের ছুটি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এর আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও পরদিন ২৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ