আজঃ বুধবার ১৭ জুন, ২০২৬

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪০টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে বসবে আয়না

নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কক্সবাজার জেলা অংশে ১১৪টি বাঁক রয়েছে। তার মধ্যে ৪০টি বাঁকের অবস্থা খুব বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁকগুলোতে দুর্ঘটনা এড়াতে ‘আয়না’ বসানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহে আরেফীন। গতকাল শনিবার বিকালে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন,কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে বেশিরভাগ দুর্ঘটনা বাঁকের কারণে হয়। এ মহাসড়কের কক্সবাজার জেলা অংশে ১১৪টি বাঁক রয়েছে। এসব বাঁকে দুর্ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। তাই আমরা ৪০টি বাঁককে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে আয়না বসানোর পরিকল্পনা করেছি। আয়নাগুলো বসালে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহন অপর যানবাহনকে আয়নাতে দেখতে পাবে। ফলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটা কমে আসবে।

 

 

তিনি আরও বলেন, সড়কে চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে ‘আয়না’ লাগানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

বিআরটিএ কক্সবাজার কার্যালয়ের সূত্র মতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপসড়ক গুলোতে ৬৪টি দুর্ঘটনায় ৬৬ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ১০৮ জন।

হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়নের সূত্র মতে, সড়ক ও মহাসড়কে মারা গেছে ৫৬ জন। তন্মধ্যে চিরিঙ্গা হাইয়ে থানা এলাকায় ২৮ জন, শাহপুরীতে ৬ জন, রামুক্রসিংয়ে ৭ জন, মালুমঘাটে ১২ জন ও হোয়াইক্যংয়ে ৩ জন মারা যান।

কক্সবাজারের চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানার ইনচার্জ খোকন কান্তি রুদ্র বলেন, ‘কক্সবাজার-চট্রগ্রাম মহাসড়কের অধিকাংশ অংশে প্রশস্ততা কম এবং বাঁকও বেশি এবং সড়কের তুলনায় যানবাহনের সংখ্যাও অনেক বেশি মুল সড়ক থেকে ফুটপাত নিচু হওয়ায় গাড়ি খাদে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে।

তিনি বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে শনিবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত নিজ দায়িত্বে থাকা চিরিঙ্গা হাইয়ে সড়কে দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত, ২৬ জন আহত হয়েছে। এসব ঘটনায় ৩৪টি গাড়ি জব্দ করা হয়। ১৫ টি মামলা এবং ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আমরা সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম করে আসছি।

পুলিশ কর্মকর্তা খোকন কান্তি রুদ্র আরও জানান, মহাসড়কের চকরিয়ার ২৯ কিলোমিটার এলাকায় ২৯ টি বাঁক রয়েছে। এইসব বাঁক চরম ভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।

বিআরটিএ কক্সবাজার সার্কেলের (মোটরযান পরিদর্শক) মোঃ মামুনুর রশীদ বলেন, আজ রোববার (২২ অক্টোবর) জাতিয় নিরাপদ সড়ক দিবস। দিবসটি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে কক্সবাজার বিআরটিএ কার্যালয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা বিষয় সম্পর্কে সচেতন বৃদ্ধির লক্ষে জনসচেতনমূলক সেমিনার করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নগরীর ব্যস্ত ট্রাফিক জোনকে আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনা হবে : চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহানগরের যানজট সমস্যা নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নগর ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এ লক্ষ্যে ২১৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় নগরীর ৫৬টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশন ও ব্যস্ত ট্রাফিক জোনকে আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সোমবার চসিকের সম্মেলন কক্ষে এক সভায় একটি কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা চট্টগ্রামের জন্য প্রস্তুতকৃত দুটি প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।

সভায় মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে ‘ক্লিন, গ্রিন, হেলদি, সেফ অ্যান্ড স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য।আমাদের প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হচ্ছে এআই-ভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম। দীর্ঘদিনের যানজট, ট্রাফিক বিশৃঙ্খলা এবং সড়কে আইন অমান্যের প্রবণতা কমাতে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি জানান, প্রকল্পটির আওতায় নগরীর ৫৬টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশন ও ব্যস্ত ট্রাফিক জোনকে আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনা হবে। এসব স্থানে স্মার্ট সিগন্যাল, ট্রাফিক ফ্লো মনিটরিং ক্যামেরা, আইন লঙ্ঘন শনাক্তকারী ক্যামেরা, নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, রেড সিগন্যাল ডিটেক্টর এবং কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে যানবাহন চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হবে।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, এই সিস্টেম সম্পূর্ণ এআই-ভিত্তিক। কোনো যানবাহন ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করা যাবে। যানবাহনের নম্বরপ্লেট, চলাচলের ধরন এবং ট্রাফিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। ফলে যানজট কমবে, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং নাগরিকদের দুর্ভোগ কমবে।

তিনি বলেন, নগরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত ট্রাফিক করিডোর এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। ফলে পুরো শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। আমরা শুধু ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ নয়, একটি নিরাপদ নগর গড়ার লক্ষ্য নিয়েও কাজ করছি। সে কারণেই দ্বিতীয় প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার সড়কে সৌরবিদ্যুৎ চালিত অত্যাধুনিক এলইডি সড়কবাতি, ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে বোর্ড এবং সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪৪৫ কোটি টাকা।

তিনি জানান, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নগরের বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত অপরাধ, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, দুর্ঘটনা কিংবা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে সড়কবাতির সঙ্গে যুক্ত সিসিটিভি নেটওয়ার্ক নগর নিরাপত্তা জোরদারে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা, ড্রেনেজ প্রতিবন্ধকতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন নাগরিক সমস্যার বিষয়ে আগাম সতর্কবার্তা পাওয়ার সুযোগও থাকবে। ফলে নগর ব্যবস্থাপনায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে। সৌরবিদ্যুৎ চালিত স্মার্ট সড়কবাতি স্থাপনের ফলে বিদ্যুৎ ব্যয় ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসতে পারে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতেও এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

মেয়র জানান, প্রকল্প দুটির বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন, বিআরটিএ এবং সংশ্লিষ্ট সব সেবা সংস্থার মতামত নেওয়া হবে। তাদের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত ডিপিপি প্রস্তুত করা হবে। এটি এখনো প্রাথমিক ডিপিপি। সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে আমরা আরও পরিমার্জন করবো। তবে আমি বিশ্বাস করি, স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম এবং স্মার্ট নিরাপত্তা অবকাঠামো বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের ট্রাফিক সমস্যা নিরসনের পাশাপাশি নগরবাসী একটি নিরাপদ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর নগর উপহার পাবে।

সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) ফরহাদুল আলম, আবু সাদাত তৈয়ব, কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন। কর্মকর্তারা বলেন, এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু পুরকৌশলগত কাজ করতে হবে। বিশেষ করে লেন মার্কিং, আইল্যান্ড ঠিক করতে হবে। ইন্টারনেটের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি মূল্যবান ক্যামেরা, ক্যাবল, যন্ত্রপাতি যাতে চুরি না হয় সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রকল্পের বিষয়ে পুলিশ এবং অন্যান্য সেবা সংস্থার পরামর্শ গ্রহণ করে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপকৃত হবে নগরবাসী।

চট্টগ্রামে চসিকের অভিযান, গুঁড়িয়ে দেয়া হলো ২০০ অবৈধ দোকান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের সাগরিকা এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা প্রায় ২০০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে সাগরিকা রোডের বিটাক বাজার এলাকা পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরের সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এবং জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

চসিক সূত্র জানায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রায় ২০০টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় ফুটপাত ও সড়ক অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়, ফলে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে স্বস্তি ফিরেছে। অভিযানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাহাড়তলী থানা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ