আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

আয়েবাপিসি’র তিন সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

রিপন শান:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

ইউরোপে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত সাংবাদিকদের পরিবারখ্যাত অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের বর্তমান কার্যকরী কমিটির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে আগামী ১৫ নভেম্বর ২০২৩ সাল।শনিবার (২১ অক্টোবর২০২৩) রাতে এক আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল বৈঠক করে অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাব (আয়েবাপিসি)।

সভাপতি হেলাল উদ্দিন (জার্মানি) প্রথম দিকে অনুপস্থিত থাকায় ফ্রান্স থেকে সিনিয়র সহ সভাপতি এনায়েত হোসেন সোহেলের সভাপতিত্বে এবং ইতালি থেকে সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন সুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। সাধারণ সম্পাদকের অনুরোধে অস্ট্রিয়া থেকে ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কবির আহমেদ অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন। পরে সভাপতি হেলাল উদ্দিন সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ভার্চুয়াল বৈঠকে পারস্পরিক আলাপ আলোচনার পর আয়েবাপিসির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইতালির রোম থেকে মনিরুজ্জামান মনির -কে আহ্বায়ক, অস্ট্রিয়া থেকে মাহবুবুর রহমান -কে সদস্য সচিব এবং জার্মানি থেকে মোহাম্মদ আল আমিন -কে সদস্য করে তিন সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই আহ্বায়ক কমিটি আগামী ৩০দিনের মধ্যে পারস্পরিক আলাপ আলোচনা বা নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করবে।

ভার্চুয়াল বৈঠকটি প্রায় আড়াই ঘন্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়।আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হওয়ার ফলে বর্তমান চলমান ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আয়েবাপিসির কার্যকরী কমিটি বিলুপ্ত হয়ে গেল। প্রায় মাঝ রাতের কিছু পূর্বে জার্মানি থেকে সভাপতি হেলাল উদ্দিন বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে বর্তমান কার্যকরী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। গঠিত তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন তথা আহ্বায়ক কমিটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আগামী পরিষদ গঠনকল্পে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে ।উক্ত সময়ের মধ্যে নির্বাচন করতে ব্যর্থ হলে তখন নেতৃবৃন্দ সকলে বসে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, সকল প্রক্রিয়ায় কমিশন বিগত পরিষদের সভাপতির সাথে আলোচনাপূর্বক গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ ও মোজাম্মেল হকের অবদান অবিস্মরণীয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রমিক কাজ করে মজুরি নিবে- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই মজুরি নেওয়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকরা কত বিড়ম্বনার স্বীকার হয় তা যারা ভুক্তভোগী একমাত্র তারাই জানেন। নির্যাতিত ও ভুক্তভোগী শ্রমিকদের বেতন কাঠামোর ধরন কিভাবে নির্ধারণ করা হবে তা এদেশের শিল্প এবং শ্রমিকের কর্মক্ষেত্রে প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিষয়টি অস্পষ্ট ছিল। এতে করে শ্রমিক মালিকদের দ্বন্দ্ব বিভাজন প্রতিনিয়ত লেগেই থাকতো।

এমনিই উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নিয়ম নীতির আলোকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মাধ্যমে সমাধান করার জন্য শ্রমিকের বেতন, মজুরি বোর্ড গঠন, বেতন কাঠামো নির্ধারণ করে সরকারি গেজেট প্রণয়ন আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ-এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী ও সদ্য প্রয়াত বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোজাম্মেল হকের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অদ্য ২৯ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় মাঝিরঘাটস্থ কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি এম. নুরুল হুদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মাস্টার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আন্দোলন এই দুই নেতার অবদান দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তারা আমাদের অনুসরনীয় ব্যক্তিত্ব। নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে শ্রমিকদের গেজেটের মজুরি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম মনিরুল ইসলাম মাস্টার।

তিনি বলেন, নৌ-সেক্টরে বিরাজমান সংকট থেকে উত্তরণের তাদের অবদান স্মরণীয়। এতে আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকতার জামান মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজগর হোসেন তালুকদার, অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম, সহ সম্পাদক রশিদ আহমদ মাস্টার, সাজ্জাদ হোসেন জনি, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান বাবু ড্রাইভার, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য সাব্বির আফরোজ, ইয়াহিয়া খান কুতুবী, মিরাজ হোসেন, সোহাগ লস্কর, আল আমিন, মো. ফিরোজ সুখানী, কাজল মোড়ল প্রমুখ। সভায় আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ ও মোজাম্মেল হকের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে খতমে কোরআন তেলাওয়াত এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন আইচ ফ্যাক্টরী রোড মহিউসুন্নাহ মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হক।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ