আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

পূর্ব আবুরখীল তালুকদার পাড়া শান্তিময় বিহারে প্রবারণা পূর্নিমা উদযাপণ

রতন বড়ুয়া: চট্টগ্রাম:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার আবুরখীল তালুকদার পাড়া শান্তিময় বিহারে যথাযোগ্য ও ভাবগাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত হয়েছে। পূর্বআবুরখীল তালুকদার পাড়া শান্তিময় বিহার পরিচালনা কমিটি ও উপাসক উপাসিকার আয়োজনে সারাদিনব্যাপি অনুষ্ঠান মালার মধ্য ছিল প্রথম পর্বে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন, বুদ্ধ পুজা, সীবলী পুজা, পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহন, এবং সমবেত প্রার্থনা। বিহার পরিচালনা কমিটির অর্থ সম্পাদক কমল বড়ুয়ার পঞ্চশীল প্রার্থনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক পিকলু বড়ুয়া। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিহার পরিচালনা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক বিরু বড়ুয়া, সাবেক অর্থ সম্পাদক রাজু বড়ুয়া, সহ-অর্থ সম্পাদক নিরু বড়ুয়া, বিহার পরিচালনা কমিটির সাবেক সহ সাধারন সম্পাদক বিজয় বড়ুয়া, প্রজ্ঞানন্দ স্মৃতি সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী হিরু বড়ুয়া।

২য় পর্বে মধ্যে ছিল একক ধর্ম দেশনা ও খণ্ডকালীন বিদর্শন ভাবনা ও প্রবারনা পুর্ণিমার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা, বিশ্বশান্তিকামনায় বিশেষ প্রার্থনা ও ফানুষ উত্তোলন। শান্তিময় বিহারের বিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত বুদ্ধানন্দ থের এর সভাপতিত্বে ও প্রজ্ঞানন্দ স্মৃতি সংসদের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক রতন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য পরিদর্শক রুপতি রঞ্জন বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিহার পরিচালনা কমিটির কার্যকরী সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত খাদ্য পরিদর্শক আনন্দ প্রসাদ বড়ুয়া, বিহার পরিচালনা কমিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক প্রদীপ বড়ুয়া, ডাক্তার জীবক কুমার বড়ুয়া। পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন বিহার পরিচালনা কমিটির সহ-ধর্মীয় সম্পাদক পুলক বড়ুয়া।

প্রবারণার তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিহার পরিচালনা কমিটির ধর্মীয় সম্পাদক শিক্ষক সুশীল বড়ুয়া, প্রজ্ঞানন্দ স্মৃতি সংসদের সভাপতি অপু বড়ুয়া, শিক্ষিকা সাজু বড়ুয়া, উপাসিকা রেখা বড়ুয়া, বিহার পরিচালনা কমিটির অর্থ সম্পাদক কমল বড়ুয়া বাবুল, প্রবীন সমাজ সেবক সলিল বিকাশ বড়ুয়া, সরকারী কর্মকর্তা প্রকৌশলী পিংকু বড়ুয়া, প্রকৌশলী অনিক বড়ুয়া, হিমেল বড়ুয়া, অনিক বড়ুয়া, রুপস বড়ুয়া, দপ্তর সম্পাদক রিমন বড়ুয়া, শৈশব বড়ুয়া সাগর।

সবশেষে শত ফানুস উত্তোলন এর শুভ উদ্বোধন করেন বিহারাধ্যক্ষ, বিহার পরিচালনা কমিটি ও প্রজ্ঞানন্দ স্মৃতি সংসদের কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন :যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নেভি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রামের যোগব্যায়াম উৎসাহীদের সাথে এ দিবস উদযাপন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ( চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে ৮০০ অধিক জনসমাগম হয়।যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের সুধীজনরা অংশগ্রহণ করেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন যোগ অনুশীলন পরিচালনা করেন।

সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হারীশ কুমার তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, যোগ একটি প্রাচীন অনুশীলন, যার অর্থ হলো ‘যুক্ত হওয়া’ বা ‘একত্রিত হওয়া’। এটি দেহ, মন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা অর্জনে সহায়তা করে।
প্রায় ৫ হাজার বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশে এর উৎপত্তি হলেও যোগ কেবল শারীরিক ব্যায়াম বা বিভিন্ন ভঙ্গির অনুশীলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনধারা, যা শারীরিক প্রাণশক্তি, মানসিক স্বচ্ছতা এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতি বছর ২১ জুন বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপিত হয়। ভারতের উদ্যোগে ইউনাইটেড নেশনস ২০১৪ সালে এই দিবসকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’, যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সুস্বাস্থ্য, নমনীয়তা, মানসিক স্থিতি এবং জীবনীশক্তি বজায় রাখতে যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। নিয়মিত যোগাভ্যাস মানসিক চাপ কমায়, শরীরকে সক্রিয় রাখে এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করে। তাই একটি সুস্থ, সুখী ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনে যোগকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, যোগ আমাদের সকলকে সংযুক্ত করে ও একত্রিত করে। যখন যোগ জীবনযাত্রার অংশ হয়ে ওঠে, তখন তা মানব ঐক্যের ভিত্তি স্থাপন করে। যোগ আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনের শিল্প শেখায় এবং মানসিক সুস্থতা থেকে শারীরিক সুস্থতার পথ দেখায়। এটি আমাদের শরীরকে নমনীয় হতে সাহায্য করে এবং আমাদের শক্তির মাত্রা উচ্চ রাখে। শারীরিক সুস্থতা থেকে শুরু করে মনের শান্তি পর্যন্ত, যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে।

গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী মঞ্জিলে সৈয়দা রওশন আরা বেগম মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র পবিত্র বার্ষিক ওরস ও ফাতেহা আগামী ৬ জুলাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ২২শে আষাঢ়, ৬ জুলাই ২০২৬ সোমবার গাউছুল আজম বাবা ভান্ডারী কেবলা কাবার প্রিয়তম সেজ পুত্রবধু, আওলাদে রাসুল (স.) ছানীয়ে ফারুকে আজম শাহসূফি হজরত সৈয়দ মাহবুবুল বশর মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র সহধর্মিণী, দয়াল মাওলা ছদরুল উলা চেয়ারম্যান বাবা মাইজভাণ্ডারীর আম্মাজান হজরত সৈয়দা রওশন আরা বেগম মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র পবিত্র বার্ষিক ওরস মোবারক ও ফাতেহা গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী মঞ্জিলে মহাসমারোহে উদযাপিত হবে। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের দাওয়াত জানানো হয়। আরজগুজার- দয়াল মাওলা ছদরুল উলা চেয়ারম্যান বাবা মাইজভাণ্ডারীর ৩ শাহজাদীগন ও আঞ্জুমানে গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী খেদমত পরিষদ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ