আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

পার্বত্য তিন জেলার ৩৩ কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জাম পাঠাতে হেলিকপ্টার চেয়েছে ইসি

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে তিন পার্বত্য জেলার ৩৩ কেন্দ্রে নির্বাচনী উপকরণ পাঠাতে ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের আনা নেয়ার জন্য হেলিকপ্টার চেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। হেলিকপ্টারের চাহিদা চেয়ে ইতোমধ্যে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর চিঠি দিয়েছে কমিশন।

আগামী বছরের ৬ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে যে কোনো একদিন জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য ভোটের দিন হিসাবে করে শেষ সময়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা) মো. আতিয়ার রহমানের সই করা চিঠি পার্বত্য তিন জেলার নির্বাচন অফিসার বরাবর পাঠানো হয়েছিল।

চিঠির জবাবে পার্বত্য তিন জেলার নির্বাচন অফিসার জানান, ভোটের মালামাল পাঠাতে পার্বত্য জেলাগুলোর দুর্গম ৩৩টি কেন্দ্রে হেলিকপ্টার প্রয়োজন। সোমবার (৬ নভেম্বর) ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ফলে জাতীয় নির্বাচনের জন্য তিন পার্বত্য জেলার ৩৩টি কেন্দ্রে নির্বাচনী মালামাল পাঠাতে ও ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের আনা-নেওয়ার জন্য হেলিকপ্টার চেয়েছে স্থানীয় নির্বাচন অফিস। এর মধ্যে খাগড়াছড়ি জেলায় ৩টি, বান্দরবান জেলায় ১২টি এবং রাঙ্গামাটি জেলায় ১৮টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে।

এর আগে ইসি জানায়, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পার্বত্য অঞ্চলে কোনো কোনো ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী মালামাল পাঠানো এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের আনা-নেওয়ার কাজে হেলিকপ্টারের প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য প্রয়োজনীয় হেলিকপ্টার, নির্দিষ্ট কেন্দ্রের কাছাকাছি হেলিপ্যাড এবং অন্য বিষয়গুলো সম্পর্কে তথ্য প্রয়োজন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন :যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নেভি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রামের যোগব্যায়াম উৎসাহীদের সাথে এ দিবস উদযাপন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ( চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে ৮০০ অধিক জনসমাগম হয়।যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের সুধীজনরা অংশগ্রহণ করেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন যোগ অনুশীলন পরিচালনা করেন।

সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হারীশ কুমার তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, যোগ একটি প্রাচীন অনুশীলন, যার অর্থ হলো ‘যুক্ত হওয়া’ বা ‘একত্রিত হওয়া’। এটি দেহ, মন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা অর্জনে সহায়তা করে।
প্রায় ৫ হাজার বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশে এর উৎপত্তি হলেও যোগ কেবল শারীরিক ব্যায়াম বা বিভিন্ন ভঙ্গির অনুশীলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনধারা, যা শারীরিক প্রাণশক্তি, মানসিক স্বচ্ছতা এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতি বছর ২১ জুন বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপিত হয়। ভারতের উদ্যোগে ইউনাইটেড নেশনস ২০১৪ সালে এই দিবসকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’, যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সুস্বাস্থ্য, নমনীয়তা, মানসিক স্থিতি এবং জীবনীশক্তি বজায় রাখতে যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। নিয়মিত যোগাভ্যাস মানসিক চাপ কমায়, শরীরকে সক্রিয় রাখে এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করে। তাই একটি সুস্থ, সুখী ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনে যোগকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, যোগ আমাদের সকলকে সংযুক্ত করে ও একত্রিত করে। যখন যোগ জীবনযাত্রার অংশ হয়ে ওঠে, তখন তা মানব ঐক্যের ভিত্তি স্থাপন করে। যোগ আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনের শিল্প শেখায় এবং মানসিক সুস্থতা থেকে শারীরিক সুস্থতার পথ দেখায়। এটি আমাদের শরীরকে নমনীয় হতে সাহায্য করে এবং আমাদের শক্তির মাত্রা উচ্চ রাখে। শারীরিক সুস্থতা থেকে শুরু করে মনের শান্তি পর্যন্ত, যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে।

৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে কেনা চট্টগ্রাম বন্দরে আনা ৪টি ক্রেন পণ্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারবাহী জাহাজ থেকে দ্রুত ও নিরাপদে পণ্য ওঠানামার জন্য চারটি অত্যাধুনিক কিউ গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি) আগামী মাস থেকে পন্য উঠানামায় কাজ করবে বলে জানা গেছে। চীনের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘স্যানি মেরিন হেভি ইন্ডাস্ট্রি’ থেকে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে এই ক্রেনগুলো কেনা হয়েছে। বিশেষ করে নিজস্ব ক্রেনবিহীন জাহাজ থেকে কনটেইনার খালাসে এসব ক্রেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ক্রেনগুলো বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের (পিসিটি) জন্য আনা হয়েছে। এসব ক্রেন বহনকারী বিশেষায়িত ডেক জাহাজ এমভি ল্যান হাই হং ইউন গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পিসিটি জেটিতে ভিড়ে। আগামী মাসের (জুলাই) মাঝামাঝি এগুলো দিয়ে পুরোদমে পণ্য ওঠানামা শুরু করা যাবে বলে বন্দর সূত্রে জানা গেছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান দুটি টার্মিনাল- নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এবং চিটাগাং কন্টেইনার টার্মিনাল (সিসিটি)-তে মোট ১৮টি কী গ্যান্ট্রি ক্রেন সচল রয়েছে। এর মধ্যে এনসিটিতে ১৪টি এবং সিসিটিতে ৪টি ক্রেন ব্যবহৃত হচ্ছে।

জানা গেছে, পিসিটির বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমাবদ্ধতার কথা মাথায় রেখেই স্যানি মেরিন থেকে এই ক্রেনগুলো কাস্টমাইজড বা বিশেষভাবে তৈরি করে নেওয়া হয়েছে। পিসিটির মোট তিনটি জেটির মধ্যে একটিতে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান ওঠানামার উচ্চতার কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে ওই জেটিতে কোনো গ্যান্ট্রি ক্রেন বসানো সম্ভব নয়। বাকি দুটি জেটিতেও উচ্চতার সীমাবদ্ধতা থাকায় ক্রেন চারটির উচ্চতা নির্দিষ্ট করে ৪২ ফুট রাখা হয়েছে।

বন্দর ও আরএসজিটি সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে চারটি কিউজিসি সংগ্রহের জন্য চুক্তি করে আরএসজিটি। এক বছরের বেশি সময় ধরে নির্মাণকাজ শেষে ক্রেনগুলো এসেছে। নতুন চারটি ক্রেন চালু হলে পিসিটির বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বর্তমান ২ লাখ ৫০ হাজার টিইইউএস থেকে বেড়ে ৬ লাখ টিইইউএসে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে জাহাজের অপেক্ষার সময় কমবে এবং লজিস্টিক ব্যয়ও হ্রাস পাবে।

এর আগে পিসিটির জন্য ১৪টি রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেন সংগ্রহে ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে আরএসজিটি। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ মাসে পিসিটিতে ১ লাখ ৪৩ হাজার টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ