আজঃ মঙ্গলবার ২৪ মার্চ, ২০২৬

সর্বজনীন ধর্মপাল বৌদ্ধ বিহারের দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান সম্পন্ন

প্রেস রিলিজ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সর্বজনীন ধর্মপাল বৌদ্ধ বিহারের
দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
রাউজান উপজেলাস্থ পূর্ব গুজরা জয় চাঁদ বাড়ী সর্বজনীন ধর্মপাল বৌদ্ধ বিহারের দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান দিনব্যাপী ধর্মীয় ভাবগাম্বীর্যের মাধ্যমে ভদন্ত জীনানন্দ মহাথের’র সভাপতিত্বে বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দেবজিৎ বড়–য়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলাচরণ ও উদ্বোধনী সংগীতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করা হয়। শুভ কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার মহাসচিব ভদন্ত ড. সংঘপ্রিয় মহাথের। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মমন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি মিথুন রশ্মি বড়–য়া। প্রধান ধর্ম দেশক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তদন্ত জ্ঞানবংশ থের। সদ্ধর্মদেশক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত জ্যোতিশ্রী থের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিনন্দ বড়–য়া, শিমুল বড়–য়া, মঙ্গলাচরণ করেন ভদন্ত নন্দপাল ভিক্ষু। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সজল কান্তি বড়–য়া, সৌরভ বড়–য়া। পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন বিন্দু বড়–য়া প্রমুখ। উক্ত কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার ঘোষণা ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সভার এরই ধারাবাহিকতায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম আমরা পরিচালনা করি বৌদ্ধদের ধর্মীয় উৎসব সমূহ পালনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মনমানসিকতা উদার এবং প্রত্যেক ধর্মালম্বীদের সমমর্যাদা প্রদান করে থাকেন। কোমলমতি বৌদ্ধ শিশু কিশোরদের প্রাক প্রাথমিক গণশিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি আবাল বৃদ্ধদের জন্যও ত্রিপিটক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছেন।সমাজে যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পরিচালনা করেন তাদেরকে সতর্কতার সহিত পরিচালনা করার উদাত্ত আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার বেড়ায় রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা বেড়া উপজেলার বড়শিলা গ্রামের এক বৃদ্ধ রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২০ মার্চ সকালে বেড়া উপজেলা বড়সিলা গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে ফজলু রহমান (৫৫) নামে এক ভ্যান রিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে বেড়া থানা পুলিশ। নিহত বৃদ্ধ পৌরসভার হাতিগাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পৌরসভা এলাকার বড়শিলা গ্রামে ধানের ক্ষেত থেকে বৃদ্ধ রিকশা চালকের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশ কে খবর দেয়।

বেড়া থানার অফিসার ইনচার্জ নিতাই চন্দ্র জানান, থানা পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ