আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

জাহাজে জরুরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সকল জেলা থেকে এসে চাকরি করতে পারবেন।
#যোগাযোগ :- মোবাইল নম্বর :- 01926-456-960

➡ প্রয়োজনীয় জিনিস : জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি, চেয়ারম্যান সনদ নিয়ে আসলে আসামাত্র জয়েন করা যাবে।
১/পদের নাম: জাহাজের , চেকিংম্যান/ স্কট/ট্যালীম্যান
২/পদের সংখ্যা: ৩২
৩/বেতন: ১৩০০০/- টাকা-১৪০০০/-টাকা।
দক্ষতা বৃদ্ধি পেলে ১৫,০০০/- থেকে ১৬,০০০/- টাকা
পর্যন্ত বেতন বাড়ানো হবে।
৪/ যোগ্যতা: এসএসসি / জেএসসি / পঞ্চম শ্রেণি
৫/ থাকা, খাওয়ার, সুব্যবস্থা আছে;
৬/ জাহাজে থাকতে হবে। মালামাল যাতে চুরি না হয়, নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মালামাল লোড হবার সময় বুঝে নিতে হবে, আর আনলোড হবার সময় হিসাব রাখতে হবে।
৭/ ম্যাচ সিস্টেমে খেতে হবে, যাহা বেত
৮/ দুই ঈদে দুই বোনাস;
৯/ বাৎসরিক ২৪ দিন ছুটি;
১০/ বিশেষ কারণে ছুটির ব্যবস্থা;

যোগাযোগঃ পতেঙ্গা, বিজয়নগর , চট্টগ্রাম।
মোবাইল নম্বর :-01926-456-960
01926-456-960
Gmail- [email protected].
company :- RG SSL্
অযথা কেউ কল দিবেন না দয়াকরে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাতছাড়া হচ্ছে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের ৪১ একর ভূমি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ রেলওেয়ে পূর্বঞ্চলের ৪১ একর ভূমি হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম মহানগরের ফৌজদার হাট স্টীল মিল রেল লাইনের উপর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণের কাজ চলমান থাকায় বিশাল এই ভূমি রেল কর্তৃপক্ষের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। এদিকে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখতে রেল লাইনের পাশ্ববর্তী জায়গার ১০ জন মালিক গতকাল বাংলাদেশ রেলওয়ে(পূর্বঞ্চল) জেনারেল ম্যানেজার বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেছেন।


ওই আবেদনে জানা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের এ লাইন চালুর জন্য ওইসব মালিকদের ভূমি হুকুম দখল করে। পরবর্তী পর্যায়ে রেল লাইন নির্মিত হলে বেশ কয়েক বছর রেল চলাচল করে। হঠাৎ স্টীল মিল বন্ধ হলে লাইনটির উপর দিয়ে রেল চলাচল না করায় বিভিন্ন পর্যায়ে রেল লাইনের অংশ বিশেষ তুলে নেয়ায় রেল লাইন বিলুপ্ত হয়ে যায়।

তবে ফৌজদার হাট স্টীল মিল রেল লাইনের জায়গাগুলো যাদের থেকে হুকুম দখল করেছে সরকার সংঙ্গত কারণে পাশ্ববর্তী লাগোয়া জায়গা হওয়ায় উক্ত জায়গাগুলোতে এরা চাষাবাদ করে আসছে। বর্তমানে ওই রেললাইনের উপর দিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণ করে চলেছে। এ ব্যাপারে রেল কর্তৃপক্ষের আর.এম.ডি এর অনেক কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানালেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। এই রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মাণ করলে ৪১ একর ভূমি রেল কর্তৃপক্ষের হাতছাড়া হয়ে যাবে বলে আবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

জায়গার মালিকরা জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে রাস্তা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে উক্ত রেল লাইনের একপাশ দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হোক। কাজেই রেল লাইনের এ রাস্তার ৪১ একর ভূমি রক্ষা করার স্বার্থে সিটি কর্পোরেশনকে অনুমতি না দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত অনুরোধ করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) সুবক্তগীন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হালিশহর এলাকায় নির্মিত হচ্ছে রাস্তাটি। পরিত্যক্ত এই রেল লাইনের উপর কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণ করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কারো মতে স্থানীয়দের জমি একোয়ার করা হয়েছে রেল লাইনের জন্য, রেল লাইন হয়েছিল কিন্তু স্টীল মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই রেল লাইনটির গুরুত্বও কমে যায়। আবার কারো মতে এই রেল লাইন যেহেতু নেই এখানে রাস্তা নির্মিত হলে জনগনের যাতায়তে সুবিধা অনেকটাই ভালো হবে।

সরকার একসময় স্টীল মিল থেকে ফৌজদার হাট পর্যন্ত রেল লাইন নির্মাণ করে। এই রেললাইন দিয়ে স্টীল মিলের উৎপাদিত পণ্য পরিবহন করতো। স্টীল মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এ রেল লাইনটি কার্যত অচল হয়ে যায়। তবে ওই রেল লাইনের পাশে রেল স্থাপনার কিছু নিদর্শন রয়ে গেছে।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্টীল মিল সাইডিং এ প্রকল্পে ৪১ একরের বেশী জায়গা রয়েছে। তবে ভুমি সংস্থাটির হাতে নেই। রেল লাইন না থাকায় বেদখল হয়ে গেছে অধিকাংশ ভুমি। এরই মধ্যে এ রেল লাইনের পশের কিছু জায়গা লীজ দিয়েছিল রেলওয়ে ভূ সম্পত্তি বিভাগ।

সূত্র জানায়, ২০২২ সালের ২০ অক্টোবর এ রেল লাইনের একাংশের ১ একর ৮১ শতক জায়গা লীজ প্রদান করার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। পরবর্তীতে লীজ গ্রহীতা দরপত্রের টাকা জমা দিতে না পারায় রেল কর্তৃপক্ষ কোন সিদ্ধান্ত নিতে এখনো পারেনি। রেল কর্তৃপক্ষ পূর্বাঞ্চলের ভূমি অনেক স্থানে বেদখল রয়েছে এমন অভিযোগ নতুন কিছু না। আবার কখনো অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করার পর আবার বেদখলের ঘটনাটিও চলমান রয়েছে।

রেল সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করেন, রেল কর্তৃপক্ষ কোন জায়গায় লীজ প্রদান করেন, তা যেন লাইনের একপাশ থেকে দেয়া হয়। যদি লাইনের মাঝখানের জায়গা লীজ দেয়া হয় কিংবা কোন সংস্থাকে দেয়া হয়, তাহলের পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ পুনরায় রেল লাইন স্থাপন করতে চাইলেও আর সুযোগ থাকবেনা। কাজেই লীজ কিংবা কোন সংস্থাকে রেল লাইনের কোন জায়গা প্রদান করা হয়, তাহলে ওই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বে-টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহন করেছে। অদূর ভবিষ্যতে এ রেল লাইনটি পুনরায় চালু করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে, এমনটি আশংকা করছেন রেল ও বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে পূর্বাঞ্চল স্টীল মিল সাইডিং প্রকল্পের রেল লাইনের উপর এরই মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হালিশহর কলসীর দীঘির পাড় থেকে আনন্দ বাজার পর্যন্ত রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে। অথচ রেল কর্তপক্ষ জনেইনা তাদের পরিত্যক্ত রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মানের জন্য কোন আন্তঃবিভাগীয় সভা বা সিদ্ধান্তক্রমে রেলভূমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে হস্তান্তরের কোন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তাদের মনে হয়না।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান সোহেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পতেঙ্গা সৈকত দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে চসিক : মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামের অমূল্য সম্পদ। বারবার সতর্ক করার পরও যারা সৈকত দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে সিটি করপোরেশন। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সি-বিচ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পর তিনি এ কথা জানান।

মেয়র বলেন, ‘পতেঙ্গা দেশের ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য প্রধান আকর্ষণ। সৈকতকে সুশৃঙ্খল ও সুন্দর রাখা সব মানুষের দায়িত্ব। জনসাধারণের পথ বা বিচ ওয়াকওয়ে কেউ দখল করে ব্যবসা করতে পারবে না। যারা পর্যটকদের জোর করে খাবার খাওয়ায় বা বিল চাপিয়ে দেয়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, সৈকতের পেছনের অংশে পর্যাপ্ত দোকান ও খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। তাই সৈকতে স্থায়ী ব্যবসা বা হোটেল গড়ে জনস্বার্থ বিপন্ন করা গ্রহণযোগ্য নয়। মেয়র জানান, ইতোমধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অভিযান চালানো হয়েছে, এরপরও অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই কার্যক্রম জেলা প্রশাসন, সিডিএ, টুরিস্ট পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে পরিচালিত হবে।এদিন মেয়র জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলা সচেতনতামূলক কর্মসূচিতেও অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘পতেঙ্গা শুধু পর্যটনকেন্দ্র নয়, এটি চট্টগ্রামের গর্ব। প্লাস্টিক দূষণ সৈকতের সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। আমরা এমন দায়িত্বশীল সংস্কৃতি গড়তে চাই, যেখানে প্রত্যেকে সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখবে।’
ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহকারী রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সরদার এম. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রতিদিন এখানে জমা হওয়া প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানাই।’

এদিন তরুণ স্বেচ্ছাসেবীরা সৈকত পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করেন, সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড ও পরিবেশবান্ধব ডাস্টবিন স্থাপন করেন এবং আগত পর্যটকদের প্লাস্টিক কম ব্যবহারের জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় সংগঠনের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে দেখান, ছোট উদ্যোগ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
কর্মসূচিটি ইউএনডিপি বাংলাদেশের ‘প্লাস্টিক সার্কুলারিটি প্রজেক্ট’-এর অংশ, যা দ্য কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির লক্ষ্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও টাঙ্গাইল জেলায় ১৫,০০০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদে রূপান্তরিত করা।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ