আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

দীর্ঘ তেইশ বছর আন্দোলন সংগ্রামে বাংলাদেশের অভ্যুদ্ধয় -আ জ ম নাছির উদ্দিন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ তেইশ বছর আন্দোলন, লড়াই, সংগ্রাম এবং অতঃপর মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদ্ধয় ঘটে । বঙ্গবন্ধুর আকাক্সক্ষা ছিল বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি। সেই লক্ষেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এগিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ গরীব দেশ থেকে মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। আওয়ামী লীগের ধারাবাহিক টানা ১৫ বছর ক্ষমতাসীন থাকায় এ জাতির সবচেয়ে বড় সাফল্য অর্জিত হলেও সামাজিক বৈষম্য, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি নির্মূল হয়নি। আগামী জাতীয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা চতুর্থবারের মত বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার প্রতিষ্ঠা করে সামাজিক বৈষম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতিকে সমূলে উৎপাটনের প্রত্যয় ধারণ করে জনগণের কাছে আমাদেরকে যেতে হবে। তিনি আজ শনিবার সকালে নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বিএনপি নির্বাচনী ট্রেন মিস করে এখন আবোল-তাবোল বকছে। তারা অবরোধ হরতালের নামে ধ্বংসাত্মক রাজনীতি শুরু করে দিয়েছে। চোরাগুপ্ত হামলায় পরিবহনে আগুন দিচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার কাটার দিয়ে রেললাইন কেটে ফেলছে। তাই এই দলটি কিছুতেই গণতান্ত্রিক দল নয়। এটা একটি আন্ডারগ্রাউন্ড গুপ্ত ঘাতকের আস্তানা। এ আস্তানাকে অবশ্যই গুরিয়ে দেয়া হবে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন, বঙ্গবন্ধু যে লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলেন এবং সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন তা তিনি করে যেতে পারেননি। বাংরাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় একাত্তরের পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মারা তাঁকে সপরিবারে খুন করেছে। এরপর বাংলাদেশ পাকিস্তানী ভাবধারায় নিমর্জ্জিত হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা ৬ বছর নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে এসে দল ও জাতির হাল ধরেছেন এবং ১৯৯৬ সালে নৌকা প্রতীকের বিজয়ের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতায় এসে দেশকে পাকিস্তানী ভাবধারার কবল থেকে উদ্ধার করেন। এরপর ২০০১ সালে সূক্ষ্ম কারচুপির মাধ্যমে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করলে খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধী নিজামী ও মুজাহিদকে মন্ত্রী বানিয়ে তাদের গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা তুলে দেন। এ লজ্জা রাখি কোথায়। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে জাতিকে যে উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন তা অকল্পনীয়। আমরা অনেক সূচকে পাকিস্তানকে অনেক আগেই পিছনে ঠেলে দিয়েছি। ভারত একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ক্ষমতা সম্পন্ন দেশ। বেশকিছু সূচকে আমরা ভারতের চেয়ে এগিয়ে। অচিরেই ভারতে বিভিন্ন সূচকে আরো বেশি পিছনে ফেলে দেয়ার সক্ষমতা বাংলাদেশ অর্জন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিএনপি জেনে গেছে নির্বাচন হবে এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবেই। বিএনপি নেতা মঈন খান বলেছেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ৫ দিনও ঠিকবে না, এটা পাগলের প্রলাপ। যারা বিদেশী প্রভুর পা ধরে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিল তাদের প্রভুরাও বুঝে গেছে বিএনপি শিকড়হীন পরগাছা। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগ এবং তার গঠনতান্ত্রিক সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন ছাড়াও নৌকামুখী আরো একাধিক সংগঠন রয়েছে। আওয়ামী লীগসহ এ সকল সংগঠনের নেতাকর্মী ও আত্মীয় স্বজন এবং ঘনিষ্ঠজনরা ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হলে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে। তাই কে নির্বাচনে আসুক বা না আসুক সেটা বড় কথা নয়; ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতির ঢল থাকলে প্রমাণ হবে বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হয়েছে এবং ইনশাল্লাহ হবেই। চট্টগ্রাম-০৯ আসনে নৌকা প্রতীক প্রার্থী ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের আইন ও বিধিমালায় সুস্পষ্ট উল্লেখ আছে, কোন রাজনৈতিক দল পর পর যদি দুইটি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তাহলে ঐ দলের নিবন্ধন বাতিল হবে। ২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচন করেনি, ২০১৮ সালে বিএনপি নির্বাচন করতে বাধ্য হয়। ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনও তারা বর্জন করেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা যদি না আসে তাহলে তাদের নিবন্ধন থাকবে না। তাই তারা ঐ নির্বাচনে আসতে বাধ্য হবে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ নঈম উদ্দীন চৌধুরী, এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ এমপি, শিক্ষা মানব সম্পদ সম্পাদক জালাল উদ্দিন ইকবাল, নির্বাহী সদস্য আবুল মনসুর, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, ড. নিছার উদ্দিন মঞ্জু, মোহাম্মদ জাবেদ, রোটারিয়ান হাজী মো. ইলিয়াস, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের রুহুল আমিন তপন, মো. এরশাদ উল্লাহ, জাফরুল হায়দার সবুজ, সাইফুল আলম বাবু, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা যুবলীগের আহŸায়ক সায়েরা বানু রুশনী। সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা শেখ মোহাম্মদ ইসহাক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ হাসান মাহমুদ শমসের, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাজী মো. হোসেন, মহিলা সম্পাদিকা জোবাইরা নার্গিস খান, ইঞ্জিনিয়ার মানস রক্ষিত, উপসম্পাদক শহিদুল আলম, নির্বাহী সদস্য বখতিয়ার উদ্দিন খান প্রমুখ। এছাড়া ১৫টি থানা, ৪৪ সাংগঠনিক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে অস্থায়ী শহীদ মিনারে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীনের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে (প্রস্তাবিত) দেশের অর্থনৈতিক কোনো সংস্কার হবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা মূলত বাস্তবতাবিবর্জিত। কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনোই এত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান যে কর বা রাজস্ব আদায়ের কাঠামো রয়েছে, তার মধ্য দিয়ে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের এই বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ আখ্যা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, আমরা আশা করেছিলাম এই বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার আসবে; কিন্তু বর্তমান বাজেটের যে রূপরেখা, তাতে কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব হবে না।

বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কিছু সৃজনশীল জায়গা দেখিয়েছে। কিছু পণ্যের কর কমানো হয়েছে; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও শেষ পর্যন্ত তা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে— তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এত কম সময়ের ব্যবধানে আগে কখনো এভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তার লাগাম টেনে ধরতেই আমরা প্রতিটি বিভাগে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালন করছি।

বাজেটে সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বাজেট কীভাবে দুর্নীতি বন্ধ করবে— তার কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। বড় বাজেট মানেই তা নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতি করারও সুযোগ তৈরি হওয়া। এই যে বিভিন্ন কার্ড বিতরণ কিংবা খাল খনন কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে; সেখানে ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা বরাদ্দ পাচ্ছেন, কিন্তু বিরোধীদলীয় এমপিরা পাচ্ছেন না— তারা সেটি কীভাবে করছেন? অর্থাৎ কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। বাজেটে দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিদের রুখতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আনন্দ মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদল কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটি পূর্ণাঙ্গ ঘোষিত হওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন এর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শহরের বহরদ্দার হাট বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদপুর চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক দীপংকর ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহেদুল ইসলাম, সহ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম আজাদ, সদস্য শাখাওয়াত হোসেন টিপু, চান্দগাও থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলী আজম মাসুম, আরিফ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ এরশাদ, মোহাম্মদ ফরহাদ, আলী আসমান, মোহাম্মদ ছাবের, ইমতিয়াজ নিশান, সহাব উদ্দিন শিহাব, মোহাম্মদ মোরশেদ, অহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ, মো: খোরশেদ আলম, মো: মিনহাজ, জয়নাল আবেদীন মানিক, মোহাম্মদ আরিফ, আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ আল মামুন, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ দুলাল, মোহাম্মদ নুর নবী, আবদুল আজিজ, সহ চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল,থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোশাররফ হোসাইন নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুবদল দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সফলতা কামনা করে এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা বা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর মতো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলও প্রায়ই আনন্দ মিছিল ও স্বাগত কর্মসূচি পালন করেছে।
কেন্দ্রীয় যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানাতে এবং দলীয় প্রধানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রামের রাজপথে সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে এই আনন্দ আয়োজনে অংশ নেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ