গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ ও অডিটর বাবর আলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ।

প্রনব কুমার দেব গফরগাঁও:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার ও অডিটর বাবর আলী ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গফরগাঁও খায়রুল্লাহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বাংলাদেশের মহাহিসাব নীরিক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক এবং ডিভিশনাল হিসাব কর্মকর্তার বরাবরে বহুবার ঘুষ- দূর্নীতির অভিযোগ করেছেন । কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নেয়া হচ্ছে না জানা গেছে।
সরাসরি ঘুষের অভিযোগ থাকায় উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়াকে বিধি মোতাবেক সাময়িক বরখাস্ত করা প্রয়োজন ছিল অথবা বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো দরকার ছিল কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা না করে তাদেরকে অবাধ ঘুষ-দূর্নীতি চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।
ঘুষের বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ বিষয় । কিন্তু কিছু অভিযোগ ডকুমেন্টারি সহজেই প্রমাণিত । যেমন – সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী একই কর্মস্থলে ৩ বছরের বেশী সময় কর্মরত থাকতে পারেন না।
কিন্তু বাবর আলী ভূঁইয়া একযুগের বেশী সময় ধরে কর্মরত রয়েছেন , মাঝখানে স্বল্প সময়ের জন্যে অন্যত্র বদলী হলেই উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বশীভূত করে পুনরায় গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসেই বদলী নিয়ে চলে আসেন । একই কর্মস্থলে একযুগের বেশী সময় ধরে কর্মরত থাকা কিংবা একই কর্মস্থলে বার বার বদলী হয়ে আসা সরকারী চাকুরীবিধির পরিপন্থী । খায়রুল্লাহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক অভিযোগ করার পর ঘুষখোর অডিটর বাবর আলী ভূইয়াকে ফুলবাড়িয়া উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে তড়ঘড়ি বদলী করে তাকে রক্ষা করা হয়েছে। আশরাফুল ইসলামকেও ঢাকায় বদলী করে রক্ষার চেষ্টা চলছে বলে জানা গিয়েছে ।
উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার জনাব মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম কর্মস্থলে অবস্থান করেন না । তিনি ঢাকার উত্তরা থেকে অগ্নিবীণা ট্রেনে এসে কয়েক ঘণ্টা পরেই আবার ঢাকার উত্তরায় চলে যান। সরকারী বিধি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধানের কর্মস্থলে পরিবার সহ সার্বক্ষণিক অবস্থান করা বাধ্যতামূলক । এছাড়া একজন নিম্ন বেতন ভোগী কর্মকর্তা প্রতিদিন ঢাকার উত্তরা থেকে CNG ও ট্রেন যোগে হাজার টাকা খরচ করে অফিস করার অর্থ সংস্থানও তদন্তের বিষয় । বাবর আলী ভূঁইয়া কর্তৃক সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে” হিন্দুর বাচ্চা, মালোয়ানের বাচ্চা ” বলে গালি-গালাজ করার বিষয়টি সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখলেই বুঝা যাবে। আজকাল পানের দোকানেও সিসি ক্যামেরা লাগানো থাকে, যদি গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে সিসি ক্যামেরা লাগানো না থাকে তবে বুঝতে হবে বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
এবিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রয়োজন।

বিগত ০৫/০৪/২০২৩ খ্রি: তারিখে গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রক বরাবরে খায়রুল্লাহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় একজন শিক্ষক কর্তৃক আনীত ঘুষ ও দূর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করেন ডিসিএ ময়মনসিংহ কর্তৃপক্ষ । জানা গিয়েছে যে তদন্তকারী দল আগের দিন রাতে মোবাইলে অভিযোগকারী শিক্ষককে তদন্তে উপস্থিত থাকার জন্যে নির্দেশ করেন – যা বিধি বহির্ভূত । তদন্তের বিধি অনুযায়ী কমপক্ষে ৭ দিন আগে উভয়পক্ষকে লিখিত ভাবে তদন্তে উপস্থিত থাকার জন্যে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং নোটিশের সাথে অভিযোগের সত্যায়িত কপি, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনামা, তদন্তকারী দলের নাম,পদবী সংযুক্ত করে দিতে হয় । কিন্তু এক্ষেত্রে তা না করার রহস্য কি ?
চণ্ডিপাশা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী শাহেব আলী ভালুকা হিসাবরক্ষণ অফিসের ঘুষ-দূর্নীতি নিয়ে বাংলাদেশ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক বরাবরে অভিযোগ করলে ডিসিএ, ময়মনসিংহকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। সেখানেও তারা শাহেব আলীকে আগের দিন সন্ধ্যায় মোবাইলে পরদিন তদন্তে উপস্থিত থাকার জন্যে নির্দেশ প্রদান করেন ।

ডিসিএ কর্তৃক তদন্তের বিধিমালা লংঘন করার মানে কী ?
০৫ /০৪/২০২৩ তারিখের তদন্তে কি গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়ার ঘুষ-দুর্নীতি ও দূর্নীতি কি প্রমাণিত হয়েছে ? যদি প্রমাণিত হয়ে থাকে, তবে বিধি মোতাবেক উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়াকে চাকুরীচ্যূত করে তাঁদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা প্রয়োজন ছিল আর ঘুষ-দুর্নীতি প্রমাণিত না হলে খায়রুল্লাহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন ছিল কিন্তু এ পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ার রহস্য কি ?
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে, ঘুষ – দূর্নীতির অভিযোগে অডিটর বাবর আলী ভূইয়াকে ফুলবাড়িয়া উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে বদলী করা হয়েছে – ঘুষখোরদেরকে বদলী করার কোন আইন আছে কি ?
উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলামকেও কি বদলী করে রক্ষা করা হবে ?
সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ – দূর্নীতির মামলা করার জন্যে হিসাব বিভাগের উর্ধতন কতৃপক্ষের নিকট বার বার গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়ার তথ্য চেয়ে অদ্যাবধি তথ্য পাননি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে পারিবারিক কলহে স্বামীকে হত্যা, ১৬ বছর পর স্ত্রীর যাবজ্জীবন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের লাভলেইন এলাকায় ১৬ বছর আগে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী হেলাল উদ্দিনকে হত্যার মামলায় স্ত্রী হোসনে আরা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১২ অক্টোবর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১১ এর বিচারক নিষ্কৃতি হাগিদক এই রায় দেন। একই সঙ্গে আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।দণ্ডপ্রাপ্ত হোসনে আরা বেগম মহানগরের কোতোয়ালী থানাধীন লাভলেইন ঝাউতলা এলাকার বাসিন্দা। নিহত হেলাল উদ্দিন তাঁর স্বামী।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ জানান, আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে স্বামী হেলাল উদ্দিনকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় হোসনে আরা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।তিনি আরও জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানামূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৯ মে রাত ১টার দিকে নগরের এনায়েত বাজার বাটালী রোডের জাফর সওদাগরের কলোনিতে ভাড়া বাসায় হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক কলহ হয়। একপর্যায়ে হোসনে আরা বেগম অস্ত্র দিয়ে স্বামীর মাথায় আঘাত করেন। এতে হেলাল উদ্দিনের মৃত্যু হয়।

পরে ঘরের বাইরে তালা লাগিয়ে আত্মগোপন করেন হোসনে আরা বেগম। একই দিন দুপুরে খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে। তার মুখ, ডান পা ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাহাবুদ্দিন খান বাদী হয়ে মামলা করেন। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে ২০১০ সালের ১৪ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।

খেজুরে তেল মেখে প্যাকেটজাত চট্টগ্রামের ফলমণ্ডিতে অভিযানে জরিমানা গুনল ৫ প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বাজার তদারকি অভিযানে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।অভিযানে ফলমন্ডিতে খেজুরেৃ তেল মেখে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্যাকেটজাত করার চিত্র দেখতে পায়। এছাড়া

মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণে অনিয়ম ও বাজারজাত এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণের দায়ে এসব জরিমানা করা হয়। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহর নেতৃত্বে নগরীর ফলমন্ডি, স্টেশন রোড ও দেওয়ানহাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় মেসার্স আল্লাহওয়ালা এন্টারপ্রাইজকে ২ হাজার টাকা, মেসার্স এন্ড ব্রাদার্সকে ২ হাজার টাকা এবং মেসার্স রাউজান এন্টারপ্রাইজকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এ ছাড়া মোড়কজাত বিধি অনুসরণ না করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খেজুর রেখে তেল মিশিয়ে প্যাকেটজাত ও বাজারজাত করার দায়ে তুহিন এন্টারপ্রাইজকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, দেওয়ানহাট এলাকার তায়েফ রেস্তোরাঁয় রান্নায় ক্ষতিকর উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা কাশ্মীরি মরিচ ব্যবহার এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণের দায়ে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ জানান, বাজারে পণ্যের সঠিক মূল্য প্রদর্শন, খাদ্যপণ্যের মান বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ ধরনের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ