আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ ও অডিটর বাবর আলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ।

প্রনব কুমার দেব গফরগাঁও:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার ও অডিটর বাবর আলী ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গফরগাঁও খায়রুল্লাহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বাংলাদেশের মহাহিসাব নীরিক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক এবং ডিভিশনাল হিসাব কর্মকর্তার বরাবরে বহুবার ঘুষ- দূর্নীতির অভিযোগ করেছেন । কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নেয়া হচ্ছে না জানা গেছে।
সরাসরি ঘুষের অভিযোগ থাকায় উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়াকে বিধি মোতাবেক সাময়িক বরখাস্ত করা প্রয়োজন ছিল অথবা বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো দরকার ছিল কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা না করে তাদেরকে অবাধ ঘুষ-দূর্নীতি চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।
ঘুষের বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ বিষয় । কিন্তু কিছু অভিযোগ ডকুমেন্টারি সহজেই প্রমাণিত । যেমন – সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী একই কর্মস্থলে ৩ বছরের বেশী সময় কর্মরত থাকতে পারেন না।
কিন্তু বাবর আলী ভূঁইয়া একযুগের বেশী সময় ধরে কর্মরত রয়েছেন , মাঝখানে স্বল্প সময়ের জন্যে অন্যত্র বদলী হলেই উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বশীভূত করে পুনরায় গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসেই বদলী নিয়ে চলে আসেন । একই কর্মস্থলে একযুগের বেশী সময় ধরে কর্মরত থাকা কিংবা একই কর্মস্থলে বার বার বদলী হয়ে আসা সরকারী চাকুরীবিধির পরিপন্থী । খায়রুল্লাহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক অভিযোগ করার পর ঘুষখোর অডিটর বাবর আলী ভূইয়াকে ফুলবাড়িয়া উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে তড়ঘড়ি বদলী করে তাকে রক্ষা করা হয়েছে। আশরাফুল ইসলামকেও ঢাকায় বদলী করে রক্ষার চেষ্টা চলছে বলে জানা গিয়েছে ।
উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার জনাব মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম কর্মস্থলে অবস্থান করেন না । তিনি ঢাকার উত্তরা থেকে অগ্নিবীণা ট্রেনে এসে কয়েক ঘণ্টা পরেই আবার ঢাকার উত্তরায় চলে যান। সরকারী বিধি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধানের কর্মস্থলে পরিবার সহ সার্বক্ষণিক অবস্থান করা বাধ্যতামূলক । এছাড়া একজন নিম্ন বেতন ভোগী কর্মকর্তা প্রতিদিন ঢাকার উত্তরা থেকে CNG ও ট্রেন যোগে হাজার টাকা খরচ করে অফিস করার অর্থ সংস্থানও তদন্তের বিষয় । বাবর আলী ভূঁইয়া কর্তৃক সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে” হিন্দুর বাচ্চা, মালোয়ানের বাচ্চা ” বলে গালি-গালাজ করার বিষয়টি সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখলেই বুঝা যাবে। আজকাল পানের দোকানেও সিসি ক্যামেরা লাগানো থাকে, যদি গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে সিসি ক্যামেরা লাগানো না থাকে তবে বুঝতে হবে বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
এবিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রয়োজন।

বিগত ০৫/০৪/২০২৩ খ্রি: তারিখে গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রক বরাবরে খায়রুল্লাহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় একজন শিক্ষক কর্তৃক আনীত ঘুষ ও দূর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করেন ডিসিএ ময়মনসিংহ কর্তৃপক্ষ । জানা গিয়েছে যে তদন্তকারী দল আগের দিন রাতে মোবাইলে অভিযোগকারী শিক্ষককে তদন্তে উপস্থিত থাকার জন্যে নির্দেশ করেন – যা বিধি বহির্ভূত । তদন্তের বিধি অনুযায়ী কমপক্ষে ৭ দিন আগে উভয়পক্ষকে লিখিত ভাবে তদন্তে উপস্থিত থাকার জন্যে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং নোটিশের সাথে অভিযোগের সত্যায়িত কপি, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনামা, তদন্তকারী দলের নাম,পদবী সংযুক্ত করে দিতে হয় । কিন্তু এক্ষেত্রে তা না করার রহস্য কি ?
চণ্ডিপাশা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী শাহেব আলী ভালুকা হিসাবরক্ষণ অফিসের ঘুষ-দূর্নীতি নিয়ে বাংলাদেশ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক বরাবরে অভিযোগ করলে ডিসিএ, ময়মনসিংহকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। সেখানেও তারা শাহেব আলীকে আগের দিন সন্ধ্যায় মোবাইলে পরদিন তদন্তে উপস্থিত থাকার জন্যে নির্দেশ প্রদান করেন ।

ডিসিএ কর্তৃক তদন্তের বিধিমালা লংঘন করার মানে কী ?
০৫ /০৪/২০২৩ তারিখের তদন্তে কি গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়ার ঘুষ-দুর্নীতি ও দূর্নীতি কি প্রমাণিত হয়েছে ? যদি প্রমাণিত হয়ে থাকে, তবে বিধি মোতাবেক উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়াকে চাকুরীচ্যূত করে তাঁদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা প্রয়োজন ছিল আর ঘুষ-দুর্নীতি প্রমাণিত না হলে খায়রুল্লাহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন ছিল কিন্তু এ পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ার রহস্য কি ?
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে, ঘুষ – দূর্নীতির অভিযোগে অডিটর বাবর আলী ভূইয়াকে ফুলবাড়িয়া উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে বদলী করা হয়েছে – ঘুষখোরদেরকে বদলী করার কোন আইন আছে কি ?
উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলামকেও কি বদলী করে রক্ষা করা হবে ?
সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ – দূর্নীতির মামলা করার জন্যে হিসাব বিভাগের উর্ধতন কতৃপক্ষের নিকট বার বার গফরগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও অডিটর বাবর আলী ভূইয়ার তথ্য চেয়ে অদ্যাবধি তথ্য পাননি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের ধান সংগ্রহের সময় শেষ, সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছে খাদ্য বিভাগ।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্য থেকে আগে আসলে আগে বিক্রয় ভিত্তিতে ধান ক্রয় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষি বিভাগের নিবন্ধিত কৃষকরা কৃষি কার্ড ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ পান। সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান গ্রহণের পর মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন।
উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ৭০০ নিবন্ধিত কৃষকের কৃষি কার্ড ও কৃষক হিসাব রয়েছে। ধান বিক্রি করা অনেক কৃষক জানান, বাজারমূল্যের তুলনায় সরকারি মূল্য বেশি হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ জানায়, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। কৃষকদের পরিচয়, কৃষি কার্ড এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই ধান গ্রহণ করা হয়েছে। সব অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে।ভাঙ্গুড়া খাদ্যগুদামের উপ-পরিদর্শক নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। সব ধরনের কাগজপত্র যাচাই করে ধান গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের নিজস্ব হিসাবেই অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, সরকার চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে গত ৩ মে থেকে সারাদেশে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নির্ধারিত ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান ইতোমধ্যে সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হয়েছেন। ফলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ বর্ম্মন বলেন, ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কৃষি কার্ড ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের পরই বিল অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকদের আশা, আগামী মৌসুমেও সরকার একইভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অব্যাহত রাখবে। এতে কৃষকরা উৎপাদনে আরও উৎসাহিত হবেন এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ