মতলব উত্তর সাংবাদিকদের উপর হামলাকারি গ্রেফতার।

এস আর শাহ আলম চাঁদপুর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা দৈনিক কালবেলার চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ মমিনুল ইসলামের শরীরে আঘাত করা আসামী মোঃ আমির হোসেন মোল্লাকে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে চিরুনী অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

১৮ ডিসেম্বর সোমবার এই আসামী গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন মতলব উত্তর থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদ মোবারক।

মতলব উত্তর থানার এসআই মোঃ ইউনুছ মিয়া বলেন, সাংবাদিক পেটানোর মামলায় আমরা আমির হোসেন মোল্লাকে গ্রেফতার করেছি। তার সহযোগীদেরও দ্রুত গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। আপাতত গ্রেফতারকৃত আসামীকে আদালতে সোপর্দ করেছি।

এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদ মোবারক বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ নিয়ে যদি সাংবাদিকদের সাথে কেউ খারাপ আচরণ করে। কিংবা তাদের চলার পথ বাঁধাগ্রস্থ করতে হুমকি ধমকি বা মারধর করে আইনের ব্যতয় ঘটায়। তাহলে অপরাধী যেই হউক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা সাংবাদিক মমিনুলকে পেটানোর মামলায় একজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছি। দ্রুত মামলার বাকি আসামীদেরকেও গ্রেফতার করার অভিযান অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর শনিবার সকালে মতলব উত্তর উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সামনের পাকা রাস্তার উপর সংবাদ প্রকাশের জের ধরে কালবেলার মতলব উত্তরের সাংবাদিক মোঃ মমিনুল ইসলামকে দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা চালিয়ে পিটিয়েছে চিহ্নিত মাদক কারবারী মোঃ আমির হোসেন মোল্লা, রাজিব মৃধা, মোঃ মিজান মোল্লাসহ আরও ৬/৭ জন। তারা প্রত্যেকেই ছেংগারচর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের ঘনিয়ারপাড়ের বাসিন্দা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে চুরির ঘটনায় গ্রেফতার-২, উদ্ধার ১০ ভরি স্বর্ণালংকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বাসা থেকে ১২ ভরি স্বর্ণ চুরির ঘটনায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মাহে আলম ওরফে শাহ আলম (৩০) এবং মো. মনির হোসেন (২৮)। পুলিশ বলছে, প্রধান অভিযুক্ত মাহে আলমের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি ও মাদক আইনে ১২টি মামলা রয়েছে। আকবরশাহ এলাকায় এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে এ সময় চুরি হওয়া প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) আকবরশাহ থানা পুলিশ এ তথ্য জানায়।

পুলিশ জানায়, গত ২০ জুলাই বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে আকবরশাহ এলাকার বিশ্ব কলোনির কে-ব্লকে উর্মিলা আক্তার নামের এক নারীর বাসায় এই চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা ওই বাসা থেকে ৩টি নেকলেস, ৩টি চেইন, ১টি ব্রেসলেট, ২টি চুড়ি, ৬ জোড়া কানের দুল ও ৮টি আংটিসহ মোট প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ ৪ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে গত ২৪ জুলাই আকবরশাহ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর সিএমপির পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় আকবরশাহ থানার একটি চৌকস দল তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে গত সোমবার (২৭ জুলাই) পাহাড়তলী থানাধীন নেছারিয়া মাদ্রাসা গলি এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় আসামি মাহে আলম ও মনির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা চুরির ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য ও শনাক্ত মতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া ৩টি নেকলেস, ৩টি চেইন, ২টি চুড়ি, ৩ জোড়া কানের দুল এবং ২টি আংটিসহ মোট প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।

আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান জানান, উদ্ধার করা স্বর্ণালংকার যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে। এছাড়া চুরি হওয়া বাকি মালামাল উদ্ধার এবং এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রামের চন্দগাঁওয়ে সিআইএমসি’র সামনে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের চন্দগাঁও এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ (সিআইএমসি) ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রবেশমুখের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) চন্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আবেদনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখে রাস্তার পাশে কবরস্থানের সামনে কিছু অবৈধ দোকানপাট ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এসব স্থাপনা বর্তমানে কিশোর গ্যাং, মাদকসেবী, বখাটে এবং ছিনতাইকারীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। এর ফলে মেডিকেল, ডেন্টাল ও নার্সিং কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ নারী রোগী ও তাদের স্বজনরা প্রতিনিয়ত ইভটিজিং বা যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

সিআইএমসি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, রাতের বেলায় এই এলাকায় মাদক সেবন ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব অবৈধ স্থাপনা অপরাধীদের জমায়েত হওয়ার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা ওই এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ।

সিআইএমসি’র অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিন (সবুজ) স্বাক্ষরিত এই আবেদনে উল্লেখ করেন, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ ও নার্সিং কলেজ নিয়ে গঠিত এই ক্যাম্পাসে প্রতিদিন প্রায় ১১০০ ছাত্র-ছাত্রী এবং ১০০০ জন শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা যাতায়াত করেন

এছাড়া প্রতিদিন গড়ে ১২০০ জন রোগী ও তাদের স্বজন এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন।সকলের জন্য নিরাপদ পরিবেশ এবং নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য চন্দগাঁও থানা পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ