আজঃ মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬

কাশ্মীরে স*হিংসতা বাড়িয়ে লাদাখে চোখ চীন–পাকিস্তানের।

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে সম্প্রতি ভারতীয় সেনাদের ওপর হা*মলা চালিয়েছে স*ন্ত্রাসীরা। তাদের গু*লিতে ৫ সেনা নি*হতের খবরও পাওয়া গেছে। ভারতের সামরিক বাহিনীর দাবি, পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদীরা এই হা*মলা করেছে। এবার জানা গেল, লাদাখ থেকে ভারতীয় সেনা সরানোর জন্যই পাকিস্তান ও চীন মিলে কাশ্মীরে এই স*হিংস হা*মলা চালিয়েছে।

কয়েকটি সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে এই হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে এই এলাকায় আবারও অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় ইসলামাবাদ ও বেইজিং। আর এভাবে ভারতীয় এই সীমান্তে হট্টগোল তৈরি করতে পারলে ভারত লাদাখ থেকে সেনা কমিয়ে নিতে পারে—এই ভাবনা থেকেই স*হিংসতা।

সূত্র বলছে, কাশ্মীরের পুঞ্চ এলাকার জঙ্গলে এরই মধ্যে অন্তত ৩০ সন্ত্রাসীকে পাঠিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। ভারতীয় সেনাদের দেখলেই যেন হামলা চালানো হয়—এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তাদের।

২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় সংঘাতের পর সীমান্তে সেনা বাড়িয়েছে ভারত। লাদাখে সেনা বাড়ানোর কারণে চীন তেমন খুশি হওয়ার কথা না। তখন থেকেই লাদাখের এসব সেনাদের ভারত সরকার যাতে কাশ্মীর নিয়ে যায়, সেই চেষ্টা করছিল বেইজিং। এবার এতে পাকিস্তান সহায়তা করছে বলেই অভিযোগ ভারতের।

সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে ভারতের রাষ্ট্রীয় রাইফেলস নামক বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে। ২০২০ সালের ঘটনার পর এই বাহিনীর সেনাদের পুঞ্চ থেকে সরিয়ে লাদাখ নিয়ে যাওয়া হয়, যেটি চীনের জন্য মাথ্যাব্যথার কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ মনোজ কুমার বলেন, পুঞ্চ–রাজৌরিতে বর্তমান পরিস্থিতি ২০০৩ সালের অপারেশন সার্প বিনাশের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। ওই সময়ও স*ন্ত্রাসীরা এভাবে হা*মলা করেছিল। ওই সময় সেখানে ১৫ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়। মারা যায় ৬৫ স*ন্ত্রাসী।

এবার পুঞ্চে সংঘাতের পর এরই মধ্যে সেখানে বাড়তি সেনা পাঠিয়েছে ভারতের সামরিক বাহিনী। এরই মধ্যে ২০ সন্ত্রাসী নিহতের দাবি করেছে ভারত। এ ছাড়া চীন ও পাকিস্তানের বিষয়ও মাথায় রেখেছে ভারতের সামরিক বাহিনী। এমন কথাই বলেছেন বাহিনীর সাবেক প্রথম সারির কর্মকর্তা অজয় কোতিয়াল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রীলঙ্কায় প্রবেশের অনুমতি চেয়েছে তিনটি ইরানি জাহাজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রীলঙ্কা সফরের অনুমতি চেয়ে তিনটি ইরানি জাহাজ ৯ ও ১৩ মার্চ  দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করেছে বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে।   বিশেষ সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি জানান- ইরানি সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই সফরের জন্য শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমতি চেয়েছিল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন- জাহাজগুলো ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কার জলসীমার কাছে অবস্থান করছিল এবং মানবিক অনুরোধে জাহাজের দু’জন কর্মকর্তাকে দেশে আনা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট দিসানায়েকে বলেন-চলমান বা ভবিষ্যতের কোনো আন্তর্জাতিক সংঘাতে শ্রীলঙ্কার ভূখণ্ড, সমুদ্রসীমা কিংবা আকাশসীমা কোনোভাবেই ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

এছাড়াও ‘আইআরআইএস বুশেহর’ নামের একটি ইরানি জাহাজ শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরের কাছে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন এলাকায় নোঙর করা রয়েছে। জাহাজটি শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি চেয়েছে এবং ইতোমধ্যেই জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করে তীরে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট।শ্রীলঙ্কায় ইরানি দূতাবাস ও শ্রীলঙ্কা সরকারের মধ্যে আলোচনার পর ক্রুদের উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট জাহাজের অধিনায়ক। সেই অনুযায়ী আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজগুলো ওই জাহাজের কাছে পৌঁছেছে এবং ক্রুদের উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে।

সানায়েকে বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তাতে ২০৮ জন ক্রুকে তীরে আনার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৩ জন কর্মকর্তা, ৮৪ জন ক্যাডেট, ৪৮ জন সিনিয়র নাবিক এবং ২৩ জন নাবিক রয়েছেন।  আমরা এখন ওই ২০৮ জনকে জাহাজ থেকে আমাদের নৌযানে নিয়ে এসে কলম্বো বন্দরে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এরপর ওই জাহাজের ক্রু ও আমাদের নাবিকদের ত্রিনকমালি বন্দরের এলাকায় নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এর আগে গত বুধবার পূর্ব ভারতের একটি বন্দর থেকে ইরানের দিকে যাত্রা করা ফ্রিগেট ‘আইআরআইএস ডেনা’ হামলা চালায় একটি মার্কিন সাবমেরিন। এতে কমপক্ষে ৮৭ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও ৩২ জনকে জীবিত  উদ্ধার করে লঙ্কান নৌবাহিনী।

সংগৃহীত –

banglakhaborpatrika/বাংলা খবর পত্রিকা

ইরানি যুদ্ধজাহাজ ও ১৮৩ নাবিককেকে আশ্রয় দিল ভারত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস লাভান এবং তার ১৮৩ নাবিককে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। জাহাজটি ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রযুক্তিগত সমস্যায় বিপদ সংকেত পাঠায়, যেদিন মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকার জানিয়েছে-কচিতে জাহাজটির নোঙরের জন্য আবেদন এসেছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। ডকিং অনুমোদন করা হয় ১ মার্চ এবং ৪ মার্চ থেকে জাহাজটি কচিতে অবস্থান করছে। সরকারি একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন-জাহাজের নাবিকদের জন্য কচিতে থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ঘটনাটি এমন সময় আসে, যখন ভারত এ সপ্তাহেই সমালোচনার মুখে পড়েছে। ভারত সরকার জানায়-আইআরআইএস লাভানকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তে মানবিক দৃষ্টিকোণ এবং নাবিকদের নিরাপত্তাকে প্রধান ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
সংগৃহীত –

নিউজ পাঠাতে মেইল করুন- [email protected]

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ