আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপির ভোট চেয়ে সরব গণসংযোগ নিরব ভূমিকায় স্বতস্ত্র প্রার্থী।

প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম তারাকান্দা ময়মনসিংহ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মযমনসিংহ-২ (ফুলপুর- তারাকান্দা) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গৃহায়ণ ও গণপুর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপির ভোট চেয়ে সরব গণসংযোগ নিরব ভূমিকায় স্বতস্ত্র প্রার্থী।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হওয়ার পর প্রায় প্রতিদিন নিজ আসনে সকাল থেকে দুপুর রাত পর্যন্ত তারাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পথসভাসহ বিভিন্ন ওয়াজ মাফিলে নৌকার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন। সাধারন মানুষ তাকে একান্তে কাছে পেয়ে মানুষ খুব খুশি, কাউকে বুকে জড়িয়ে নিচ্ছেন, কেউ হাত মিলাচ্ছেন, কেউ ছবি তুলছে, কারো মাথা হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রীকে একান্তে কাছে পেয়ে আমজনতা বেজায় খুশি।ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনটিতে দলীয় মনোনয়নে হ্যাটট্রিক করেছেন শরীফ আহমেদ।

জয় দিয়েও হ্যাটট্রিক করবেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এমনটায় ধারনা করছেন ফুল-তারার আসনটির আমজনতা। একুশে পদকপ্রাপ্ত (মরণোত্তর) ভাষা সংগ্রামী সাবেক ৫ বারের এমপি মরহুম এম সামছুল হকের জ্যেষ্ঠ পুত্র শরীফ আহমেদ-ই- বর্তমানে এই নির্বাচনী এলাকার সর্বোচ্চ নেতা ও আওয়ামী রাজনীতির সর্বোচ্চ অভিভাবক। আসনটিতে তার বাবা পাঁচবার এবং শরীফ আহমেদ দুই বার বিজয়ের মধ্য দিয়ে আসনটি আওয়ামী লীগের দুর্গে পরিণত হয়েছে।

এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমত সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং দ্বিতীয়বার গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়ে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নের রূপকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সহিত গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি পূর্ণমন্ত্রী হবেন এমনটায় আশা করছেন ফুল-তারার লাক্ষো মানুষ।
এদিকে স্থানীয় আওয়ামী নেতাদের নিজ ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে দেখা যায় তাকে, কি অদৃশ্য মন্ত্রদিয়ে বস করে নিয়েছেন সকল নেতাকর্মীদের যেনো তার হাতের ছুঁয়া যাদু আছে, প্রতিমন্ত্রীর হাত যার মাথায় পরচ্ছে ভোট যেনো তার পকেটে ভরছেন এমন দৃশ্য ই দেখা যায় সরেজমিনে , কি যেনো এক যাদুর ছুয়া তার হাতের স্পর্শে। ফুলপুর আওয়ামী নেতাদের মাঝে কিছু ফাটল থাকলেও মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের মহৎগুণের বহিঃপ্রকাশ ও যাদুর হাতে স্পর্শ পেয়ে সকলেই আজ এক নৌকায় বৈঠা বৈইচ্ছে ফুল-তারার আমজনতা । নেই কোন মনমালিন্য, নৌকার প্রতিটির ঘরে ঘরে যেনো ঈদ উৎসবের আমেজ বইছে। ফুলপুর -তারাকান্দার আসনটির এমন কোন বাজার, রাস্তামোড় বা স্থান নেই যেখানে প্রতিমন্ত্রী শত শত শরীফ সৈনিক নিয়ে দিন রাত গণসংযোগ করে যাচ্ছেন। তারাকান্দা উপজেলা ও ফুলপুর স্থানীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষদের সঙ্গে নিয়ে তিনি নির্বাচনী গণসংযোগ করেছেন উৎসব মুখর পরিবেশ নিয়ে। তারাকান্দা উপজেলায় শরীফ ভোট ব্যাংক বলে সাধারণ মানুষ মনে করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নৌকা প্রতীকের জন্য ভোট চান স্থানীয় আওয়ামী নেতাকর্মীদের নিয়ে । এসময় দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঈদ উৎসবের মত এক হয়ে মানুষের দারে দারে গিয়ে গণসংযোগ করেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন স্থানীয় ছোট বড় সকল নেতাকর্মীরা। পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এ্যাভোকেট মোঃ ফজলুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বাবু প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী রনু ঠাকুর, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ বাবুল মিয়া সরকার,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম নয়ন,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালমা আক্তার কাকন,ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক তালুকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান ছামছুল আলম রাজু, যুবলীগের আহবায়ক মোঃ আব্দুল মান্নান ও ছাত্রলীগের সভাপতি মাহফুজ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জয়, সাইদুল ইসলাম, আনোয়ার মন্ডল,বিকাশ, ফজুমরল, ফুজায়েল, আবুল কাশেম সরকার, লিমন দেবনাথ, প্রজন্মলীগ সভাপতি মনির, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, সেচ্ছাসেবকলীগের জুয়েল চৌধুরী , সাধারণ সম্পাদক কাজল সরকারসহ তাঁতীলীগ,শ্রমিকলীগ, মৎষজীবিলীগসহ স্থানীয় আওয়ামী অঙ্গ সংগঠনর নেতাকর্মীসহ প্রমুখ। বিভিন্ন পথসভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী গৃহায়ণ ও গণপুর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি। পথসভায় হাজার হাজার মানুষের ভালবাসায় আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী গৃহায়ণ ও গণপুর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি মহা খুশি, আমজনতার উৎচ্ছাসি হৃদয়ের আনন্দে সিক্ত তিনি।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত করতে পারবে। আর ভোটগ্রহণ ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন-বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া যতবারই দেশ পরিচালনা করেছে ততবারই দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দেখা পেয়েছে। জিয়া পরিবারের সুুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করছেন।

 

মানুষের যে মৌলিক চাহিদা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রতিটি মৌলিক চাহিদা পূরণ করে; দল-মত, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ যাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে, সে লক্ষ্যেই তিনি কাজ করছেন। নির্বাচনের পূর্বে জনগণকে তিনি যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছেন তা ধীরে ধীরে বাস্তবে রুপ নিচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড, ই হেলথ কার্ড, কৃষক কার্ডের মত কল্যাণমুখী কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন ও নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডে মরহুম আব্দুর রাজ্জাক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত “ঈদবস্ত্র বিতরণ” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ১৫০০ মানুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি জনগণের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল। জনগণের জন্য কাজ করা, জনগণের সেবা করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য। জনগণ ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেছে, জনগণের কাছে আমরা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চাই।

বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের এমপি-কাউন্সিলররা জনগণের পাশে ছিলনা। জনগণের ভাগ্যন্নোয়নের কথা বলে তারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে। মেগা প্রকল্পের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। সে পাচারের টাকায় আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রী ও নেতাকর্মীরা এখন বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন করছে।

৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. আবু তালেব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব মো. ইসমাঈল বালি, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজ সেবক বাবু দিলীপ মজুমদার, পাথরঘাটা ওয়ার্ড বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. শহিদুল হক, আশরাফুল ইসলাম মামুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শফিকুল আলম, মোহাম্মদ হামিদ, জিয়া সাইবার ফোর্স বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী বাহাউদ্দিন ফারুক মুন্না, কোতোয়ালি থানা তাঁতি দলের যুগ্ম আহবায়ক মো. শেখ আলী মিঠু , প্রবাল কৃষ্ণ, মোহাম্মদ সেলিম, যুবদলের মো. সাইফুল ইসলাম, মো. নাদিম, রিয়াজ, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ তুহিন,  সদস্য সচিব মো. জসিম, কোতোয়ালী থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মারুফ,  কৃষক দলের সদস্য সচিব মো. হোসেন মোহাম্মদ নাসির প্রমুখ।

নারীদের শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, আমাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচীর মধ্যে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন অন্যতম। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদেরকে স্বনির্ভর, আত্মপ্রত্যয় এবং শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে মেয়েদের জন্য এইচ.এস.সি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। এছাড়া নারীদের সার্বিক কল্যাণে তিনি অনেকগুলো কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছিলেন। তাঁরই সুযোগ্য পুত্র বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্সমতায় আসার পর নারীদের ক্ষমতায়নে কাজ করছেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও বেগবান করতে প্রত্যেক নারীকে উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা কাজও শুরু করেছেন।


সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় পর্যায়ে ৩ ক্যাটাগরিতে ৪ জন অদম্য নারীকে ফুল, ক্রেস্ট ও সনদপত্রসহ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি। সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা হচ্ছেন-শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আবদুল হালিমের মেয়ে আসমা আকতার রুনা, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের শামসুল ইসলামের মেয়ে শমলা বেগম, সফল জননী নারী ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর গ্রামের আমিন আহমদ ভূঁঞার স্ত্রী বেগম তাজকেরা চৌধুরী ও সফল জননী নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার চান্দনপুর পাখাচং গ্রামের আবদুল কাদেরের মেয়ে বিলকিছ বেগম। অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা তাদের জীবন-সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন।

অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সাথে কথা বলে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা মেরামতের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে বিএনপি ৩১ দফা ঘোষনা করেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই মাসে জাতির সামনে প্রকাশ করা হয়েছিল। বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে ৩১ দফার ৮টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কাজ শুরু করেছে। তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-ফ্যামিলি কার্ড। এটি পাবেন পরিবারের প্রধান নারী। কোন রাজনৈতিক বিবেচনা বা জনপ্রতিনিদিদের মাধ্যমে নয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এডমিন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ তালিকার মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে, যাতে পরবর্তীতে কোন সরকার এটি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে। পাইলট প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৪টি জেলার ১৪টি ওয়ার্ড/উপজেলার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের পতেঙ্গা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুর ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সবক’টি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত অদম্য নারীদের বক্তব্যের আলোকে তিনি বলেন, আজকের অদম্য নারীদের মধ্যে এ পুরস্কার সীমাবদ্ধ নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে-ইউনিয়নে-পৌরসভা-উপজেলা-থানা-নগর ও জেলা পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের প্রতিটি নারী সম্মানের হকদার। বাংলাদেশে যত নারী আছেন তারা কোন না কোন জায়গায় অদম্যতার পরিচয়ে ঠিকে আছেন। অদম্য নারীদের জীবন-যুদ্ধে হার না মানার কাহিনীর ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা দরকার এবং সমাজের অন্যান্য নারীদেরকে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমরা বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে চাই, চট্টগ্রামের জন্য অনেক কিছু করতে চাই, এজন্য সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, সংবিধানে সকলের সমান অধিকার। ১৯ কোটি মানুষের দেশে ৪ কোটি মানুষও যদি কর্মক্ষম বা অর্থনীতির বাইরে থাকে তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা কাঙ্খিত উন্নয়ন কোনভাবে সম্ভব নয়। পুরুষের পাশাপাশি নারীরা উদ্যেক্তা হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে এবং উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবো।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশকে যদি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, সমতা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তাহলে আমাদের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদেরকে সাথে নিয়ে পথ চলতে হবে। উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে নারী-পুরুষের সমতা আনায়ন অত্যন্ত জরুরী।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো.জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ নাজিমুল হক, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অদম্য নারী পুরস্কার কর্মসূচীর অতিরিক্ত পরিচালক ও কর্মসূচী পরিচাল মোঃ মনির হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিচালক (উন্নয়ন) নুসরাত সুলতানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত অদম্য নারীগণ, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ