আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম জেলা:

বাঁশখালী এমপি,র বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ ইসির।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ১৬ বাঁশখালী থেকে নির্বাচিত সাংসদ মোস্তাফিজের নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

গতকাল রোববার (২৪ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব (আইন) আব্দুছ সালাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে অভিযুক্ত প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী গত ৩০ নভেম্বের বৃহস্পতিবার ব্যাপক শোডাউন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে আসেন।

এসময় তিনি তার সঙ্গীদের নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ নিয়ে প্রার্থীকে সাংবাদিক নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করার বিষয়ে প্রশ্ন করলে গালিগালাজ ও মারধর করেন।

ওই প্রার্থী নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ৮(খ) এর বিধান লঙ্ঘন করেছেন মর্মে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। প্রার্থী মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালতে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মামলা করবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার ১৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত জাতীয় সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার প্রকাশিত ১৩ বছর পেরিয়ে ১৪ বছরে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিসের উদ্যেগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে। ১৭ জুন বুধবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্ণফুলী হলে বর্ষপূতির এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব রফিকুল ইসলাম কাজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম পিআইডির সিনিয়র তথ্য অফিসার জিএম সাইফুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার মুখপাত্র ও আইন উপদেষ্টা এডভোকেট এম আর তোফায়েল, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সময়ের নিউজ এর সহকারী সম্পাদক মোঃ হোসেন, চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সোহাগ আরেফিন, বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রাম বিভাগ সভাপতি ও সমাজ সেবক বাবু সুজিত সরকার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক জনাব আবু বক্কর সিদ্দিক।

এতে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দল, শ্রেণি পেশার মানুষ এবং সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৮ জনকে গুনীজন সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়। পরিশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি, প্রতিবাদে অবস্থান ধর্মঘট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে ৮টি পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর চেরাগি পাহাড় চত্বর এলাকায় চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন এই ধর্মঘটের আয়োজন করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এস এম পেয়ার আলী সঞ্চালনায় অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেয় বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম, সৃষ্টি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদ, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, রেজাউল করিম শিকদার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন।
অবস্থান র্ধমঘট চলাকালে বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী নদী রক্ষায় তিন দফা দাবি অচিরেই বাস্তবায়ন করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যম কর্ণফুলীতে সাম্পান ও জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনটি দাবি হচ্ছে- মহামান্য হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষ নিয়ে জনস্বার্থ মামলার বিরোধিতাকারীদের প্রত্যাহার করতে হবে। হাইকোর্ট নির্দেশিত নদী জীবত্ব সত্ত্বা আদেশ অনুযায়ী কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করতে হবে এবং সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী নদীর তীরে টিকে থাকা সাড়ে তিন শতাধিক দেশিয় প্রজাতির গাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।পাশাপাশি নদী তীরে ব্যাপকহারে গাছ লাগাতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদলে গ্রাম সরকার বা ওয়ার্ড সরকার করে তাদের সমন্বয়ে দেশ পরিচালনা না করলে এই অব্যবস্থাপনা যাবে না।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কর্ণফুলীর কারণে। দুখের কথা হচ্ছে- দেশের সঞ্চালক এই নদী রক্ষার জন্য সরকার ও প্রশাসন বরাবর উদাসীন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছি- আপনারা কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করুন, না হয় জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবে না। সাংবাদিক আলীউর রহমান বলেন, নতুন সরকারের নদী ও খাল রক্ষার ঘোষণায় কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হওয়ার আশায় ছিলাম। এখন অনেকে দখলদারদের পক্ষ নিয়ে কর্ণফুলীকে চিরতরে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে, যা চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ প্রতিহত করবে।

এসময় বক্তব্য দেন ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সভাপতি জানে আলম, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি কামাল পারভেজ, বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এম নুরুল হুদা চৌধুরী, রেজাউল করিম সিকদার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল করিম বাপ্পি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আলম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক লোকমান দয়াল, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কের পরিচালক আমির হোসেন, হস্তচালিত বড় সাম্পান মাঝি সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন, চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট সাম্পান সমিতির সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী, মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন রায়, সমাজসেবক আরমান হোসেন প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ