আজঃ বুধবার ১ এপ্রিল, ২০২৬

কুষ্টিয়াতে এমপির বাসভবনের পাশে হাত বোমা বিস্ফোরণ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য
সৈয়দা রাশিদা বেগমের বাসভবনের পাশের মার্কেটের ছাদে একটি হাত বোমা বিস্ফোরিত হয় বলে জানা গেছে। ১ লা জানুয়ারী সন্ধা সাড়ে ছয়টার সময় কুষ্টিয়া -২ সংসদীয় আসনের মিরপুর পৌরসভার নতুন বাজার নামক স্থানে এমপির বাসভবন ও ব্যবসা। জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও আওয়ামী লীগ নেতা মিরপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা কাজ করছে। ঠিক এমন সময় এমপির বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের সামনের মার্কেটের ছাদে বোমা বিস্ফোরণে আতংকিত সাধারণ মানুষ।বিস্ফোরণের শব্দে মার্কেটের দোকানদার ও পথচারীরা আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি করতে দেখাযায় । এ ঘটনায় কোন হতাহত হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা। বিস্ফোরণের সময় এমপির বাসভবনে তার ব্যক্তিগত সরকারি ও এমপি পুত্র সৈয়দ কামরুল আরিফিন অবস্থান করছিলেন। কে বা কাহারা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে এখনো জানা যায়নি। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, দোকানে কাজে ব্যস্ত ছিলাম এমন সময় সন্ধা সাড়ে ছয়টার দিকে বিকট শব্দ হয়। শব্দে আতংকিত হয়ে আমরা জীবনের ভয়ে দোকান থেকে বের হয়ে আসি। পরে ধোয়া দেখতে পায়। এ প্রসঙ্গে এমপির ছেলে সৈয়দ কামরুল আরিফিন বলেন, আমি ঘুমিয়ে ছিলাম শব্দ পেয়ে আমার ঘুম ভাঙ্গে তখন ধোঁয়া উঠতে দেখে ঘটনা স্থলে গিয়ে ছবি তুলি এবং প্রশাসনকে খবর দিই।

তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মিরপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল খালেক, ওসি মোস্তফা হাবিবুল্লাহ সহ গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা হাবিবউল্লাহ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল আমরা পরিদর্শন করেছি। কি কারণে এ হামলা এটি এখনো জানা যায়নি। এতে কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। তবে পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করছে।

বোমা বিস্ফোরণে এলাকায় মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ বলছেন ভোট কে কেন্দ্র করে একপক্ষ আরেক পক্ষকে শক্তি জানান দিতে এমন ঘটনা ঘটাকে পারে। আবার কারোর ধারনা ভোটকে বাধা সৃষ্টি করতে জামাত বিএনপির চক্রান্তের অংশ হতে পারে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুষ্টিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গুলি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা।রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মিরপুর উপজেলার সদরপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ শফিকুল ইসলাম আজম (৫২) উপজেলার আমলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও একই এলাকার মৃত আবুল মণ্ডলের ছেলে। 

জানা যায়,সন্ধ্যায় সদরপুর বাজারে একটি তামাকের গোডাউনে বসেছিলেন শফিকুল ইসলাম। এ সময় কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে আজমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন-খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৩ রাউন্ড গুলির খোসা ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় সেখান থেকে একটি পরিত্যক্ত মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলটি ফেলে গেছেন।

জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য হত্যা মামলায় সর্বমোট গ্রেফতার-২০।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যা মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পৃথক অভিযানে এখন পর্যন্ত ২০ জন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম গ্রেফতার করেছে ১৩ জন এবং জেলা পুলিশ ৭ জনকে।

শনিবার র‌্যাবের পক্ষে থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।গ্রেফতার তিনজন হলেন, সাইদুল ইসলাম, মো. পারভেজ ও মো. বেলাল। তাদের নোয়াখালীর কবিরহাট, চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ও বায়েজিদ বোস্তামি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় র‌্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা হয়। এতে চারজন র‌্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে তাদের চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডিএডি আব্দুল মোতালেবকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পর র‌্যাব-৭ বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে। মামলায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও হামলাসহ একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
সর্বশেষ গত শুক্রবার নোয়াখালীর কবিরহাট, চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এবং বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে, ২৩ মার্চ সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকা থেকে মিজানুর রহমান সোহান (১৯), ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কাট্টালী থেকে সেলিম (৩৫) এবং ১০ ফেব্রুয়ারি চাঁদগাঁও এলাকা থেকে সেকেন্দার মিয়া (৪৩) গ্রেফতার হন।

এছাড়া, জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইউনুছ আলী হাওলাদার (৬২), খন্দকার জাহিদ হোসেন (৩৯), আলীরাজ হাসান (২৮), মিজান (৫৩), মামুন (৩৮), শহাজাহান (৫৩) ও শফিকুল ইসলামসহ (৫১) আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গ্রেফতারদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ