আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

নির্বাচনী খবর চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঈগলের এজেন্ট ঢুকতে দিবো না, চেয়ারম্যান মুজিব।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঈগল প্রতীকের কোনো এজেন্ট কেন্দ্রে ঢুকতে দেবেন না বলে হুমকি দিয়েছেন চাম্বল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী। মঙ্গলবার উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নে নৌকার পক্ষে এক নির্বাচনী সভায় তিনি এই হুমকি দেন। এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং জেলা পুলিশকে অভিযোগ করেন চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান।এর আগে চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে হুমকি দিয়ে সমালোচিত হন।

এ ছাড়া গত বছর ইউপি নির্বাচনের সময় তিনি ইভিএমে নিজে টিপ মেরে জনগণের ভোট নিয়ে ফেলবেন বলে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর চাম্বল ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা ও হয়। মঙ্গলবার ছনুয়াতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর পক্ষে এক নির্বাচনী সভায় প্রকাশ্যে ঈগলের এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেবেন না বলে হুমকি দেন মুজিবুল হক। মুজিব তাঁর বক্তব্যে চট্টগ্রামের ভাষায় বলেন, ‘এজেন্ট ঢুকতে দেব না। বুঝতে পারবি বাঁশখালীর মুজিব চেয়ারম্যান কী জিনিস। তাঁর বক্তব্যের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

তাঁর এই বক্তব্যের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান। অভিযোগে বলা হয়, তাঁর এই বক্তব্যের কারণে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এটা নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। হুমকির প্রতিবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমানের পক্ষে আজ বেলা তিনটায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে তাঁর প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী আবদুর রাজ্জাক বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, ‘মুজিব চেয়ারম্যান অন্যায় করতে করতে এমন অবস্থায় পৌঁছেছেন যে তিনি মনে করেন তাঁর বিরুদ্ধে কেউ ব্যবস্থা নিতে পারবে না। তাই বারবার অন্যায় করে যাচ্ছেন। এখন নির্বাচনী এলাকায় প্রকাশ্যে হুমকি এবং উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে চলেছেন তিনি।’ সাংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মুজিবুর রহমানের সমর্থনকারী আওয়াল হোসেন ও রাহুল দাশ। এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বেলা তিনটায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফায়েল আহমেদ বলেন, ছনুয়া ইউনিয়নে এক নির্বাচনী সভায় মুজিবুল হক চেয়ারম্যান এ রকম একটা বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁর ভিডিও আমার কাছে আছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগে মুজিবের বিরুদ্ধে একটা মামলাও হয়েছে মঙ্গলবার। বক্তব্যের বিষয়ে জানতে মুজিবুল হক চৌধুরীকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এদিকে চেয়ারম্যান মুজিবের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে একটা প্রতিবেদন দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

তাতে মুজিবের অতীত কর্মকাণ্ড এবং সাম্প্রতিক উসকানিমূলক বক্তব্য তুলে ধরা হয়। তাতে বলা হয়, মুজিবের বক্তব্যটি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যাচ্ছে। এর ফলে সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে জনমনে ভীতি সঞ্চার হয়েছে, যা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল। তার এ ধরনের বক্তব্যে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে আমাকে। এর ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন-বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া যতবারই দেশ পরিচালনা করেছে ততবারই দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দেখা পেয়েছে। জিয়া পরিবারের সুুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করছেন।

 

মানুষের যে মৌলিক চাহিদা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রতিটি মৌলিক চাহিদা পূরণ করে; দল-মত, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ যাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে, সে লক্ষ্যেই তিনি কাজ করছেন। নির্বাচনের পূর্বে জনগণকে তিনি যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছেন তা ধীরে ধীরে বাস্তবে রুপ নিচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড, ই হেলথ কার্ড, কৃষক কার্ডের মত কল্যাণমুখী কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন ও নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডে মরহুম আব্দুর রাজ্জাক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত “ঈদবস্ত্র বিতরণ” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ১৫০০ মানুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি জনগণের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল। জনগণের জন্য কাজ করা, জনগণের সেবা করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য। জনগণ ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেছে, জনগণের কাছে আমরা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চাই।

বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের এমপি-কাউন্সিলররা জনগণের পাশে ছিলনা। জনগণের ভাগ্যন্নোয়নের কথা বলে তারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে। মেগা প্রকল্পের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। সে পাচারের টাকায় আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রী ও নেতাকর্মীরা এখন বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন করছে।

৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. আবু তালেব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব মো. ইসমাঈল বালি, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজ সেবক বাবু দিলীপ মজুমদার, পাথরঘাটা ওয়ার্ড বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. শহিদুল হক, আশরাফুল ইসলাম মামুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শফিকুল আলম, মোহাম্মদ হামিদ, জিয়া সাইবার ফোর্স বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী বাহাউদ্দিন ফারুক মুন্না, কোতোয়ালি থানা তাঁতি দলের যুগ্ম আহবায়ক মো. শেখ আলী মিঠু , প্রবাল কৃষ্ণ, মোহাম্মদ সেলিম, যুবদলের মো. সাইফুল ইসলাম, মো. নাদিম, রিয়াজ, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ তুহিন,  সদস্য সচিব মো. জসিম, কোতোয়ালী থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মারুফ,  কৃষক দলের সদস্য সচিব মো. হোসেন মোহাম্মদ নাসির প্রমুখ।

নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরবাসীর জন্য নিরাপদ পানি ও কার্যকর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা এবং কমিউনিটির সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।চট্টগ্রামে আয়োজিত “ওয়াশ ফর আরবান পুওর” প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের ফেইজ আউট ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গত মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন। ওয়াটারএইড বাংলাদেশের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)-এর বাস্তবায়নে পরিচালিত এ প্রকল্পটি ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে শুরু হয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে সমাপ্ত হচ্ছে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্যানিটেশন ও নিরাপদ পানির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করার কারণে নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আমাদের একটি সমন্বিত সিস্টেম গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সিটি কর্পোরেশন, প্রশাসন, উন্নয়ন সংস্থা ও সাধারণ জনগণ সবাই একসাথে কাজ করবে।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, নগরের স্টেডিয়াম এলাকায় এবং পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় নাগরিকদের জন্য টয়লেট নির্মিত হওয়ায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্ভব হচ্ছে।

এভাবে জনবহুল এলাকাগুলোতে টয়লেট নির্মাণ করা হলে মানুষ উপকৃত হবে এবং পরিবেশ উন্নত হবে।
মেয়র বলেন, নগরের জনসাধারণের সুবিধার্থে সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জনস্বাস্থ্যবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তুলছে। ইতোমধ্যে নগরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপন করা হয়েছে, যাতে মায়েরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে শিশুদের দুধ পান করাতে পারেন। কর্ণফুলী সেতুর পাশসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নগরের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নয়ন সংস্থা ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো একসঙ্গে কাজ করলে নগরবাসীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা ও স্যানিটেশন সুবিধা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, নগরীর এখনও অনেক এলাকায় নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। এ ক্ষেত্রে কমিউনিটিকে সচেতন হয়ে নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরতে হবে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করতে হবে। এমন গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য তিনি ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও ডিএসকে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।কর্মশালায় ওয়াটারএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম লিড বাবুল বালা প্রকল্পের অর্জন ও কার্যক্রম নিয়ে একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব আশরাফুল আমিন বলেন, ডিএসকে ও ওয়াটারএইডের কাজের গুণগত মান ও নান্দনিকতা দেখে বোঝা যায় প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। ভবিষ্যতে পাহাড়ি এলাকা বাদ দিয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কাজ করলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী বলেন, আজকের উপস্থাপনাটি অত্যন্ত তথ্যবহুল। সমাজে এখনও নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ব্যক্তি সচেতনতার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সিনিয়র আর্কিটেক্ট বলেন, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও ডিএসকে গত তিন বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছে। তাদের কাজের গুণগত মান অত্যন্ত ভালো এবং ভবিষ্যতে নিজেদের কার্যক্রমে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ রয়েছে।

ডিএসকে ঢাকার ওয়াশ বিভাগের পরিচালক এম. এ. হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক আরেফাতুল জান্নাত।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম ওয়াসা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সমাজসেবা অধিদপ্তর, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, থানা শিক্ষা অফিস, পুলিশ প্রশাসন, ফার্মেসি প্রতিনিধি, স্কুল ও মাদ্রাসা প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, সিবিও প্রতিনিধি, হাইজিন হকার এবং স্বেচ্ছাসেবকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ