আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

নোয়াখালীতে ৬টি আসনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী জয়ী

মোঃএনায়েত হোসেন (নোয়াখালী প্রতিনিধি)

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল জল্পনা-কল্পনা শেষে অবশেষে নোয়াখালীর ৬টি সংসদীয় আসনে নৌকা প্রতীকের সব প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন।সোমবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা দেওয়ান মাহবুবুর রহমান ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নোয়াখালীর ৬টি সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত ফলাফল :

নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ি আংশিক) – আওয়ামী লীগের এইচ এম ইব্রাহিম নৌকা প্রতীকে ৫৯,২৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
এ কে এম সেলিম ভূঁইয়া, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ফুলের মালা পেয়েছেন ২৮১৯ ভোট।

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ি আংশিক) আসনে আওয়ামী লীগের
মোরশেদ আলম নৌকা ৫৬,১৮৬ পেয়েছে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শিহাব উদ্দিন শাহীন স্বতন্ত্র কাঁচি প্রতীকে আতাউর রহমান ভূঁইয়া কাঁচি পেয়েছেন ৫২,৮৬৩।

নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মামুনুর রশিদ কিরন ৫৬ হাজার ৪৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীক নিয়ে মিনহাজ আহমেদ জাবেদ পেয়েছেন ৫১ হাজার ৮৮৫ ভোট পেয়েছেন।

নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী একরামুল করিম চৌধুরী ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীক নিয়ে শিহাব উদ্দিন শাহীন পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫৭৩ ভোট।

নোয়াখালী ৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নৌকা প্রতীক নিয়ে ১লাখ ৮১ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকের প্রার্থী খাজা তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৯ হাজার ৭০২ ভোট।

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ আলী নৌকা প্রতীকে ভোট ১৯৩৭১৫ পেয়ে বেসরকারি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মুশফিকুর রহমান লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৯৩৬

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার কমিটি গঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহবায়ক লায়ন তাহের আহম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পরিষদের উত্তর জেলার সদস্য সচিব আবু সাঈদ, পরিষদের উত্তর জেলার যুগ্ন আহবায়ক আবুল কাশেম আজাদ (ভিপি শামীম), যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ হোসেন,নাছির উদ্দিন বিপ্লব। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাবেক ছাত্রনেতা মো. দেলোয়ার হোসেনকে আহবায়ক, অধ্যাপক ছালাহুদ্দীন মোহাম্মদ ছলিম নিজামীকে সদস্যসচিব এবং শহিদুল ইসলাম, আবুল বশর, মো. নিজাম উদ্দিন, মেসকাত উদ্দিন, কামরুল হাসান আজাদ, শামছু উদ্দিন, জিয়া উল হক জিল্লু, ইসমাইল হোসেন খোকন, সিরাজুল ইসলাম লিটন প্রমূখকে সদস্য করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী একমাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশ দেন জেলার নেতৃবৃন্দ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ও ছোট জামাই সোহেলের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন বড় জামাই এ.কে আজাদ। আজ শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের হুজরাপুরে অবস্থিত চাঁপাই প্রেসক্লাবে হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিন।

লিখিত বক্তব্য এ. কে আজাদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুরে অবস্থিত মার্কেটসহ বাড়ি দখলের বিরোধের জেরে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে উক্ত আর.এস দাগ নং ১১৪৯ জমির উপরে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। এর পরেও মোশাররফ হোসেন ও তার ছোট জামাই সোহেল রানা আদালতের আইন অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গত ১ বছর ধরে তার নামে থাকা একটি মার্কেটসহ বাড়ী জোর পূর্বক দখল করে নেন। সে সঙ্গে বাড়ি ও মার্কেটের প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা শশুর এবং তার ছোট জামাই উত্তোলন করে আসছেন। মার্কেটসহ বাড়ির বর্তমান মালিক এ.কে আজাদ দখল ছাড়তে বললে বিভিন্ন প্রকার হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানতে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ