চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ – উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে ভিসি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)’র উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষক সমিতি। পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী ভিসি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে শিক্ষকরা। বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে আন্দোলনরত শিক্ষকরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের দুর্নীতি ও অনিয়ম চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য করে চলেছে। ৪৪ লক্ষ টাকা ভবন নির্মানে দূর্নীতির জন্য ব্যাখা চেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরী কমিশন। বর্তমান ভিসি ও প্রভিসি মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম ও দুর্নীতির আখরায় পরিণত করেছে। এভাবে চলতে দেয়া যায়না। যারা অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করবে তারাই দুর্নীতি করে চলেছে, আর এসব দেখে শিক্ষার্থীরা শিখবে। আমরা শিক্ষক সমিতি আজকের রবিবারের কর্মসুচীর মধ্য দিয়ে জানিয়ে দিতে চাই যেখানে অন্যায় হবে শিক্ষক নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে শিক্ষকরা প্রতিবাদ করবে। প্রশাসনের এ কর্তাদ্বয় দায়িত্ব নেয়ার পর একের পর এক নিযোগ বাণিজ্য হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববদ্যিালয়ের অতীতের সুনাম ধ্বংস করে চলেছেন তারা। তাদের এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ। অবিলম্বে তাদের অপসারণ করা দরকার। অবস্থান কর্মসুচীতে অংশ গ্রহন করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল হক, সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আলউদ্দিন, সদস্য মো. শেখ সাদী, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর সিরাজ উদ দৌল্লা, প্রফেসর ড. খসরুর আলম কুদ্দুসি, প্রফেসর ড. আবু নোমান, প্রফেসর ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য্য, প্রফেসর ড. সফিউল আলম ডালিম, প্রফেসর ড. গোলাম কবির, প্রফেসর আসাদুল হক, প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন, ড. আব্দুল করিম, ড. লিটন মিত্র, মো. বখতিয়ার উদ্দিন, মো. সাখাওয়াত হোসেন ও তানভির আহমেদ প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বেতার-টিভিতে চট্টগ্রামের শিল্পীদের ৮০ শতাংশ সুযোগ দেওয়ার দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের চট্টগ্রাম কেন্দ্রসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের স্থানীয় শিল্পীদের অন্তত ৮০ শতাংশ সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সংস্কৃতিকর্মীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি এবং বেতার ও টেলিভিশনের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের চট্টগ্রাম কেন্দ্র, চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম বিভাগের বাইরের বিভিন্ন জেলার শিল্পীদের প্রাধান্যের কারণে স্থানীয় শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা পর্যাপ্ত অনুষ্ঠান করার সুযোগ পাচ্ছেন না। এ পরিস্থিতির পরিবর্তন করে স্থানীয় শিল্পীদের যথাযথ মূল্যায়ন ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

বিগত ১৭ বছরে বিভিন্ন কারণে যেসব শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মী বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান বক্তারা। পাশাপাশি সুবিধাভোগী এবং ফ্যাসিবাদী চক্রকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তদন্তসাপেক্ষে শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান তাঁরা।
১৪ অক্টোবর বুধবার রাত ৮টায় চট্টগ্রামের চেরাগী পাহাড়স্থ লুসাই ভবনের তৃতীয় তলায় চট্টগ্রামের সংস্কৃতিকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব দাবি জানান।
জাতীয় সাংস্কৃতিক মঞ্চ, চট্টগ্রামের সভাপতি কামরুল হুদার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও গীতিকার নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবিতা মঞ্চ, চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি কবি এম এ হাশেম আকাশ, বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কবি সুলতান আহমেদ কমল, নজরুল গবেষক ও সাংবাদিক কবি ওচমান জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের গীতিকার ও সুরকার দীলিপ ভারতী, নাট্যকার রতন চক্রবর্ত্তী, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের শিল্পী চন্দনা চক্রবর্ত্তী, আঞ্চলিক গানের শিল্পী ফরিদুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ শিল্পী পাপড়ী বৈরাগী, সংগীতশিল্পী এস কে মানিক, ব্যাংকার ও সংস্কৃতিকর্মী মতিউর রহমান ফরহাদী, কবি জহিরুল ইসলাম জহির, কবি আব্দুল্লাহ মজুমদার, নারী উদ্যোক্তা ও কবি তানিয়া সুলতানা এবং সংস্কৃতিকর্মী এস এম পারভেজ প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামের স্থানীয় শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বৈষম্য দূরীকরণ এবং সরকারি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। তাঁদের দাবিগুলো মানা না হলে বিষয়টি লিখিতভাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টাকে জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ ছাড়া আগামী ডিসেম্বর মাসে বড় পরিসরে জাতীয় সাংস্কৃতিক মঞ্চের উদ্যোগে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

খেজুরে তেল মেখে প্যাকেটজাত চট্টগ্রামের ফলমণ্ডিতে অভিযানে জরিমানা গুনল ৫ প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বাজার তদারকি অভিযানে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।অভিযানে ফলমন্ডিতে খেজুরেৃ তেল মেখে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্যাকেটজাত করার চিত্র দেখতে পায়। এছাড়া

মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণে অনিয়ম ও বাজারজাত এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণের দায়ে এসব জরিমানা করা হয়। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহর নেতৃত্বে নগরীর ফলমন্ডি, স্টেশন রোড ও দেওয়ানহাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় মেসার্স আল্লাহওয়ালা এন্টারপ্রাইজকে ২ হাজার টাকা, মেসার্স এন্ড ব্রাদার্সকে ২ হাজার টাকা এবং মেসার্স রাউজান এন্টারপ্রাইজকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এ ছাড়া মোড়কজাত বিধি অনুসরণ না করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খেজুর রেখে তেল মিশিয়ে প্যাকেটজাত ও বাজারজাত করার দায়ে তুহিন এন্টারপ্রাইজকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, দেওয়ানহাট এলাকার তায়েফ রেস্তোরাঁয় রান্নায় ক্ষতিকর উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা কাশ্মীরি মরিচ ব্যবহার এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণের দায়ে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ জানান, বাজারে পণ্যের সঠিক মূল্য প্রদর্শন, খাদ্যপণ্যের মান বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ ধরনের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ