আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও সঙ্গীত নিকেতনের বার্ষিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

অরুন নাথ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর জে এম সেন হল প্রাঙ্গণে ১২ জানুয়ারি শুক্রবার দিনব্যাপী বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও সঙ্গীত নিকেতনের বার্ষিক অনুষ্ঠান ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক,খ,গ তিন বিভাগে দুইশত শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধক ছিলেন গ্লোবাল অফিস অটোমেশান লি: এর সমণ্বয়কারী তানজিলা খাঁন, শিশু শিল্পীদের আঁকা প্রায় শতাধিক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়। উক্ত চিত্র প্রদর্শনী স্থান পাওয়া চিত্রর্কম উপস্থিত দর্শকদের মাঝে বিক্রি করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে ছিল আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণকারীদের সনদ ও ক্রেস্ট বিতরণ, বিগত বার্ষিক পরিক্ষায় যারা ১ম,২য়,তয় স্থানকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ঈশা দে,র উপস্থাপনায় আলোচনা সভায় রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ ট্রাস্টের সভাপতি দুলাল কান্তি মজুমদার সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভার উদ্বোধন করেন রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রম ফতেয়াবাদ চট্টগ্রাম এর তত্ত্বাবধায়ক স্বামী পূর্ণব্রতানন্দ মহারাজ। প্রধান আলোচক ছিলেন রামকৃষ্ণ –বিবেকানন্দ ট্রাস্টের শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর রীতা দত্ত, সম্মানিত আলোচক ছিলেন ডা: ওম প্রকাশ বিশ্বাস, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রিটন কুমার বড়ুয়া, আশুতোষ সরকার,সম্মানিত বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিত্রশিল্পী অধ্যাপক প্রণব মিত্র চৌধুরী,চিত্রশিল্পী অধ্যাপক উত্তম কুমার বড়ুয়া,আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতনের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নারায়ণ চৌধুরী, বিবেকানন্দ সঙ্গীত নিকেতনের অধ্যক্ষ মানু মজুমদার, আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের সম্পাদক তাপস হোড়, বক্তারা বলেন শিশুদের লেখাপড়ার পাশা পাশি কলাবিদ্যার উপর মনোযোগি করে তোলতে হবে, বর্তমান সময়ে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে লেখাপড়া ও কলা বিদ্যার গুরুত্ব তোলে ধরেন। অন্যান্য বিদ্যালয়ের চেয়ে বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও সঙ্গীত নিকেতন একটু আলাদা উল্লেখ করেন, সমগ্র অনুষ্ঠান তত্ত্বাবধানে ছিলেন ট্রাস্টের সদস্য বিকাশ মজুমদার ও অজিত দাশ, সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাপ্পী দাশ। পুরস্কার বিতরনী সভা শেষে সঙ্গীত বিদ্যানিকেতনের ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয় পরিচালনায় ছিলেন সঙ্গীত নিকেতনের শিক্ষক –শিক্ষিকাবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ