আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও সঙ্গীত নিকেতনের বার্ষিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

অরুন নাথ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর জে এম সেন হল প্রাঙ্গণে ১২ জানুয়ারি শুক্রবার দিনব্যাপী বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও সঙ্গীত নিকেতনের বার্ষিক অনুষ্ঠান ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক,খ,গ তিন বিভাগে দুইশত শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধক ছিলেন গ্লোবাল অফিস অটোমেশান লি: এর সমণ্বয়কারী তানজিলা খাঁন, শিশু শিল্পীদের আঁকা প্রায় শতাধিক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়। উক্ত চিত্র প্রদর্শনী স্থান পাওয়া চিত্রর্কম উপস্থিত দর্শকদের মাঝে বিক্রি করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে ছিল আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণকারীদের সনদ ও ক্রেস্ট বিতরণ, বিগত বার্ষিক পরিক্ষায় যারা ১ম,২য়,তয় স্থানকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ঈশা দে,র উপস্থাপনায় আলোচনা সভায় রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ ট্রাস্টের সভাপতি দুলাল কান্তি মজুমদার সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভার উদ্বোধন করেন রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রম ফতেয়াবাদ চট্টগ্রাম এর তত্ত্বাবধায়ক স্বামী পূর্ণব্রতানন্দ মহারাজ। প্রধান আলোচক ছিলেন রামকৃষ্ণ –বিবেকানন্দ ট্রাস্টের শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর রীতা দত্ত, সম্মানিত আলোচক ছিলেন ডা: ওম প্রকাশ বিশ্বাস, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রিটন কুমার বড়ুয়া, আশুতোষ সরকার,সম্মানিত বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিত্রশিল্পী অধ্যাপক প্রণব মিত্র চৌধুরী,চিত্রশিল্পী অধ্যাপক উত্তম কুমার বড়ুয়া,আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতনের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নারায়ণ চৌধুরী, বিবেকানন্দ সঙ্গীত নিকেতনের অধ্যক্ষ মানু মজুমদার, আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের সম্পাদক তাপস হোড়, বক্তারা বলেন শিশুদের লেখাপড়ার পাশা পাশি কলাবিদ্যার উপর মনোযোগি করে তোলতে হবে, বর্তমান সময়ে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে লেখাপড়া ও কলা বিদ্যার গুরুত্ব তোলে ধরেন। অন্যান্য বিদ্যালয়ের চেয়ে বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও সঙ্গীত নিকেতন একটু আলাদা উল্লেখ করেন, সমগ্র অনুষ্ঠান তত্ত্বাবধানে ছিলেন ট্রাস্টের সদস্য বিকাশ মজুমদার ও অজিত দাশ, সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাপ্পী দাশ। পুরস্কার বিতরনী সভা শেষে সঙ্গীত বিদ্যানিকেতনের ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয় পরিচালনায় ছিলেন সঙ্গীত নিকেতনের শিক্ষক –শিক্ষিকাবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ