আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

রাঙ্গামাটি:

নানিয়ারচর-মহালছড়ির সীমান্তবর্তী এলাকায় ইউপিডিএফের দুই গ্রুপের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধে ২জন নিহত।

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর ও খাগড়াছড়ি মহালছড়ির সীমান্তবর্তী দূর্গম পক্ষীমুড়ো এলাকার দূরছড়ী গ্রামে ইউপিডিএফের দুই গ্রুপের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় ২ জন ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুপের কর্মী নিহত হয়েছে। অপর এক সদস্য আহত হয়েছে। বুধবার (২৪ জানুয়ারী) সকালে সাড়ে ৭টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নানিয়ারচ-মহালছড়ির সীমান্তবর্তী দূর্গম পক্ষিমুড়া এলাকার দুরছড়ি গ্রামের একটি বাড়িতে দুই গ্রুপের বন্দুক যুদ্ধে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হচ্ছে, দুরছড়ি গ্রামের রবি কুমার চাকমা (৬৫) পিতা- মৃত প্রিয় মোহন চাকমা ও
দাতকুপ্যা গ্রামের বিমল চাকমা ওরফে শান্ত (৫২) পিতার নাম মোহনী মোহন চাকমা। এই সময় রহিন্তু চাকমা ওরফে টিপন (পোষ্ট পরিচালক) গুরুত্বর আহত হয়। তার বাড়ি গুইমারা উপজেলাধীন সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের জগনাপাড়া (পক্ষীমুড়ো) গ্রামে।

ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের খাগড়াছড়ি জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিন ইউপিডিএফ সদস্য রবি কুমার চাকমা (৬৫), শান্ত চাকমা ওরফে বিমল (৫২) ও রহিন্তু চাকমা ওরফে টিপন (৩২) সেখানের একটি বাড়িতে অবস্থান করছিলো। এই সময় প্রতিপক্ষের অর্তকিত হামলায় রবি কুমার চাকমা ও শান্ত চাকমা (বিমল) মারা যায়। তিনি আরো জানান, আহত রহিন্তু চাকমা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

তিনি এ ঘটনার জন্য ঠ্যাঙাড়েরা ইউপিডিএফ সদস্যদের ওপর গুলি চালালে এতে দু’জন নিহত হয় বলে দাবী করেন। তিনি এই হামলাকে কাপুরুষোচিত ও ন্যাক্কারজনক বলে নিন্দা জানিয়ে হত্যাকা-ের জন্য ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিককে দায়ী করেছেন। তবে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক এ হত্যাকা-ে তাদের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছে।

মহালছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন জানান. খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্য পুলিশ রওনা দিয়েছে। তবে এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় পুলিশ এখনো ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। সেখান থেকে তারা ফিরে আসলে বিস্তারিত জানা যাবে।

স্থানীয়দের তথ্য মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামের কয়েকটি আঞ্চলিক সংগঠনের সশস্ত্র তৎপরতার মাধ্যমে বছরে প্রায় হাজার কোটি টাকার বিরাট অঙ্কের চাঁদাবাজি চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এই চাঁদাবাজি ও এলাকা আধিপত্য ধরে রাখতে আঞ্চলিক সংগঠনের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রতিনিয়তই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, চাঁদাবাজি, অপহরণের ঘটনা ঘটাচ্ছে। এতে এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষ অশান্তিতে দিন যাপন করছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে র‌্যাব সদস্য হত্যা মামলার আরও দুই আসামি গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নরুমপুর এলাকার শাহজাহান মোল্লা প্রকাশ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. মিজান (৫৩) ও সন্দ্বীপ থানার কালাভানিয়া এলাকার মৃত বোরহান উদ্দিনের ছেলে মো. মামুন (৩৮)।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, র‌্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৫ জানুয়ারি নগরের খুলশী থানার ইস্পাহানি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১৬ নম্বর এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ২৬ জানুয়ারি ভোরে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার বগুড়া নিবাস এলাকায় পৃথক অভিযানে সন্দেহভাজন পলাতক আসামি মো. মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাব-৭ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে চারজন র‌্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজন র‌্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর তিনজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ