আজঃ বুধবার ৮ এপ্রিল, ২০২৬

গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র ১১৮তম উরস শরিফ উপলক্ষে তাঁর রওজা শরিফকে ঘিরে ভক্ত জনতা

এম আরমান রাউজান (চট্টগ্রাম)

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লাখো আশেক-ভক্তের অংশগ্রহণে বাংলাদেশে প্রবর্তিত একমাত্র ত্বরিকা, বিশ্বসমাদৃত ত্বরিকা-ই-মাইজভাণ্ডারীয়ার প্রবর্তক গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-এর ১১৮তম উরস্ শরিফ আজ ২৪ জানুয়ারি বুধবার মাইজভাণ্ডার শরিফ ‘দরবার-ই গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী’র গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী’র প্রপৌত্র ও উত্তরাধিকারী এবং অছিয়ে গাউসুল আযম শাহ্ সুফি হযরত সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারীর জ্যেষ্ঠ পুত্র বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর নামে প্রতিষ্ঠিত গাউসিয়া হক মনজিলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে। আগেরদিন বা’দ আসর পবিত্র রওজা গোসলের পর খতমে কোরআন, খতমে গাউসিয়া, খতমে খাজেগান এবং মিলাদ পাঠের মাধ্যমে উরস শরিফের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ৯ মাঘ হতে দেশের দূর-দূরান্ত হতে বিপুল ভক্ত-আশেকের সমাগম ঘটে। রাতে ‘এস জেড এইচ এম ট্রাস্ট’-এর সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মাইজভাণ্ডারী মরমী গোষ্ঠী’র শিল্পীরা সামা মাহফিলে সুফি সংগীত পরিবেশন করেন।
গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র ১১৮তম উরস শরিফ উপলক্ষে তাঁর রওজা শরিফকে ঘিরে ভক্ত জনতা দোয়া, দুরূদ, মিলাদ, কিয়াম ও জিকির আজকারে মশগুল থাকেন। এ মহান অলির উসিলায় নিজেদের হাজত মকসুদ পূরণ ও আল্লাহ্ পাকের নৈকট্য অর্জনের অশ্রুসিক্ত ফরিয়াদ জানান ভক্ত জনতা।
রাত বারটায় কেন্দ্রিয় মিলাদ মাহ্ফিল ও আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী’র প্র-প্রপৌত্র, গাউসিয়া হক মন্জিলের সাজ্জাদানশীন, আওলাদে রাসূল হযরত শাহ্ সুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ)।
আজকের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ৮টি জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, উপদেশ ও দিক-নির্দেশনা সম্বলিত প্রচার, বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওযু এবং অস্থায়ী টয়লেটের ব্যবস্থা। এছাড়াও গাউসিয়া হক মন্জিল কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় আশেক-ভক্তদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ২৩ জানুয়ারি হতে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা নাজিরহাট ঝংকার মোড় হতে মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফের পুরো এলাকা জুড়ে দায়িত্ব পালন করবেন এবং নগরীর মুরাদপুর থেকে মাইজভাণ্ডার শরিফ শাহী গেইট পর্যন্ত বিআরটিসি’র বিশেষ বাস সার্ভিস চালু থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জ্যৈষ্ঠপুরা ভাণ্ডালজুড়ি খাল থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ।সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে তা উদ্ধার করে।বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পুলিশি তদন্ত চলছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জ্যৈষ্ঠপুরা ভাণ্ডালজুড়ি খালে উপুড় হয়ে পড়ে থাকা ওই নারীর পড়নে ছিল কালো রঙের সেলোয়ার-কামিজ। চুলে ক্লিপও ছিল। বয়স আনুমানিক ৩০-৩৫ বছর। খাল দিয়ে বর্ষা মৌসুমে পানির ঢল নামলেও শুকনো মৌসুমে পাহাড় থেকে অল্প পরিমাণে স্বচ্ছ পানি প্রবাহিত হয়। ফলে মরদেহ ভেসে আসার মতো তেমন একটা সুযোগ নেই বলে জানা গেছে।

গতমাসে ৬১৬ দুর্ঘটনায় ৬১৯ জন নিহত আহত ১৫৪৮ ————————- যাত্রী কল্যাণ সমিতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিদায়ী মার্চে দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ৬১৬ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬১৯ জন নিহত, ১৫৪৮ জন আহত হয়েছে। এই মাসে রেলপথে ৪৫ টি দুর্ঘটনায় ৫৪ জন নিহত, ২২৯ জন আহত হয়েছে । তথ্যমতে, নৌ পথে ০৯ টি দুর্ঘটনায় নিহত ০৯ জন, আহত ১৯ জন ও ০৩ জন নিখোঁজ রয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৬৭০ টি দুর্ঘটনায় ৬৮২ জন নিহত এবং ১৭৯৬ জন আহত হয়েছে। এই সময়ে ২২২ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩৭ জন নিহত, ১৯৭ জন আহত হয়েছে।

যা মোট দুর্ঘটনার ৩৬.০৩ শতাংশ, নিহতের ৩৮.৬১ শতাংশ ও আহতের ১২.৭২ শতাংশ। এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৬০ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭০ জন নিহত ও ৩২০ জন আহত হয়েছে, সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে ৩০ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ১২২ জন আহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে। প্রকৃত হতাহতের ঘটনা আরো বেশ কয়েকগুন বাড়তে পারে। যা সংবাদপত্রে স্থান না পাওয়ায় তুলে আনা সম্ভব হয়নি।

আজ ০৪ এপ্রিল শনিবার সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এই প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ০৯ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১৫৭ জন চালক, ৯০ জন পথচারী, ১৭ জন পরিবহন শ্রমিক, ৬৮ জন শিক্ষার্থী, ১৫ জন শিক্ষক, ৭৮ জন নারী, ৮৬ জন শিশু, ০৩ জন চিকিৎসক, ০৪ জন সাংবাদিক, ০১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ০১ আইনজীবি, ০৩ প্রকৌশলী এবং ১৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছে- ০৫ জন পুলিশ সদস্য, ০১ জন আনসার সদস্য, ০১ জন বিজিবি সদস্য, ০১ জন্য ফায়ার সার্ভিস সদস্য, ০১ জন চিকিৎসক, ০১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ১৫০ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৮৪ জন পথচারী, ৭৪ জন নারী, ৮২ জন শিশু, ৬৭ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন পরিবহন শ্রমিক, ১৪ জন শিক্ষক, ০১ আইনজীবি, ০৩ প্রকৌশলী ও ৯ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

এই সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৯৭৫ টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ২৬.৭৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২১.৬৪ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৩.৮৪ শতাংশ বাস, ১৪.৫৬ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক, ৭.২৮ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ৮.৪১ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৭.৪৮ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৩২.৪৬ শতাংশ গাড়ি চাপা বা ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা, ৩৭.৬৬ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২১.৪২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৭.১৪ শতাংশ বিবিধ কারনে, ০.৩২ চাকায় ওড়না পেছিয়ে এবং ০.৯৭ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪০.৯০ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০.০৩ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২২.০৭ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৫.৫১ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৪৮ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৯৭ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ মতে, মার্চ মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণসমূহ :
১. দেশের সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিক্সা, অটোরিক্সা অবাধে চলাচল।
২. জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকা, রেলক্রসিংয়ে হঠাৎ বাস উঠে আসা।
৩. সড়কে মিডিয়ামে রোড ডিভাইডার না থাকা, অন্ধবাঁেক গাছপালায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি।
৪. মহাসড়কের নির্মান ত্রুটি, যানবাহনের নানাবিধ ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
৫. উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন।
৬. অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন।
৭. বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানো।
৮. ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যের কারণে বাসের ছাদে, খোলা ট্রাক ও পিকআপে, ট্রেনের ছাদে, বাসের ইঞ্জিন বনাটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীসাধারণের যাতায়াত।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সুপারিশসমূহ :
১. সড়কে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো। ভাড়া আদায়ে স্মার্ট পদ্ধতির চালু করা।
২. মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিক্সা আমদানী ও নিবন্ধন বন্ধ করা।
৩. জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতের বেলায় অবাধে চলাচলের জন্য আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা।
৪. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহন, যানবাহনের ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিটনেস প্রদান।
৫. বিআরটিএ অনুমোদিত ড্রাইভিং স্কুলের সরকার ঘোষিত ৬০ ঘন্টা ইনক্লুসিভ ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করা।
৬. পরিবহন সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, মালিক সমিতির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা।
৭. গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা।
৮. সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকদের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা।
৯. মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা।
১০. উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওর্য়াক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
১১. মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।
১২. সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইউনিট চালু করা।
১৩. ঈদযাত্রা একসাথে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘœ করতে স্বল্প মেয়াদী, মধ্য মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী নানা পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি ঢাকা উপর জনসংখ্যার চাপ কমানোর দাবী জানাচ্ছি।

আলোচিত খবর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি পাচ্ছে ৩৬,জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট -১৩,স্বতন্ত্র -১।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচন কমিশন (ইসি)জানিয়েছে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন অনুযায়ী, বিএনপি জোট পাচ্ছে ৩৬টি সংরক্ষিত নারী আসন, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১৩টি আসন এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা একত্র হয়ে একটি আসন পেয়েছেন।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য
সোমবার (৬ এপ্রিল) কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান।তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ৮ এপ্রিল ঘোষণা করা হবে এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।
ইসির সূত্র অনুযায়ী, আসন বণ্টনে জোটগত অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিএনপির সঙ্গে থাকা কয়েকটি রাজনৈতিক দল মিলেই বড় অংশ পেয়েছে। অপরদিকে জামায়াতের সঙ্গেও রয়েছে কয়েকটি সহযোগী দল, যাদের সমন্বয়েই তাদের প্রাপ্ত আসন নির্ধারিত হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও জোট গঠন করে একটি আসন নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ