আজঃ মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

ঝালকাঠি জেলা বিএনপি’র কালোপতাকা মিছিল পুলিশের বাঁধায় পন্ড

মশিউর রহমান রাসেল ঝালকাঠি প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্রব্যমুল্যের সীমাহীন উর্ধ্বগতি, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দী নেতৃবৃন্দের মুক্তি এবং অবৈধ সংসদ বাতিলের ১ দফা দাবিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী ২৬ জানুয়ারী শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় এ কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা বিএনপি। কালোপতাকা মিছিলের পুর্বে জেলা বিএনপির আহবায়ক এ্যাডভোকেট মোঃ সৈয়দ হোসেন এর সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন, ঝালকাঠি পৌর বিএনপির সভাপতি এ্যাড. নাসিমুল হাসান, ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ এজাজ হাসান, নলছিটি পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট মোঃ মিজানুর রহমান মুবিন, নলছিটি উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম গাজী, জেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ শামিম তালুকদার। সমাবেশে বক্তরা সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করতে চাইছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে মানুষের ভোটাধিকার হরন করেছে। গত ৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচন এর আয়োজন করে গণতন্ত্র হত্যার মহাউৎসব করে চলছে বলে বক্তৃতারা অভিযোগ করেন। আওয়ামী সরকার তাদের আজ্ঞা বাহ প্রশাসন কে ব্যবহার করে সকল বিরোধী দল মতকে নির্মুল করতে মরিয়া হয়ে ওঠায় দেশের সকল ক্ষেত্রে নৈরাজ্যকর অবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় দ্রব্য মুল্যের লাগাম টানতে পারছে না। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এর কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি। জণগনের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করায় বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সহ হাজার হাজার নেতাকর্মী মিথ্যা গায়েবী মামলায় অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে। বিএনপি নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে খালেদা জিয়া সহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দাবী করেন এবং দ্রব্য মুল্যের দাম কমানো এবং বর্তমান সংসদ বাতিল করে নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে পুনঃ নির্বাচন আয়োজনের দাবী জানান। সমাবেশে বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের তিন শতাধিক নেতাকর্মী অংশ গ্রহণ করেন। সমাবেশ শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে জেলা বিএনপির আহবায়ক এবং সদস্য সচিব এর নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল বের হয়ে কিছুটা অগ্রসর হলে পুলিশের বাঁধায় মিছিলটি পন্ড হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ছোটন চেয়ারম্যানের ১০০ কর্মদিবস উদযাপন ! উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ন. ম শহীদ উদ্দিন ছোটনের দায়িত্ব গ্রহণে (১৫ নভেম্বর) ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ায় কর্মদিবস উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে এলাকাবাসী চেয়ারম্যানের উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে পরিষদ কার্যালয় বর্ণিল সাজে সাজানো হয় এবং সন্ধ্যায় আনন্দঘন পরিবেশে কেক কেটে ১০০কর্মদিবস উদযাপন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য যথাক্রমে মাহাবুব আলম, মোঃ জামাল হোসেন, মো: সালাহ উদ্দিন, মো: আজিজুল হক, রেজাউল করিম ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ন. ম শহীদ উদ্দিন ছোটনের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ কর্মদিবস উপলক্ষে ইউনিয়নজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে তার গৃহীত নানা উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই চেয়ারম্যান ছোটন ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছেন। বিশেষ করে রাস্তা সংস্কার, অসহায় ও দুস্থদের সহায়তা প্রদান এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত সমাধানে তার আন্তরিকতা এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন বলেন, “এই ১০০ দিনে আমি চেষ্টা করেছি জনগণের পাশে থাকতে এবং ইউনিয়নকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও উন্নয়নমুখী এলাকায় রূপ দিতে। আগামীতেও বড়ঘোপ ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যেতে চাই।”

এলাকাবাসী জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রতি নতুন আশার সঞ্চার করেছে। চেয়ারম্যান ছোটনের এই কার্যক্রম বড়ঘোপ ইউনিয়নের উন্নয়ন যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ইরান ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইরান ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে । তেলবাহী জাহাজটিতে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার ১৮ নাবিক রয়েছে। ইরানি গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স জানায়- ছয় মিলিয়ন লিটার চোরাচালানকৃত ডিজেল বহনকারী একটি তেলবাহী জাহাজ ওমান উপকূলে আটক করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ