আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চবি কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চবি উপাচার্য

প্রেস রিলিজ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করছেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খেলাধূলা শিক্ষার্থীদেচবির চরিত্র গঠন, মানসিক উন্নয়ন এবং সামাজিক মেলবন্ধন দৃঢ় করে কর্মস্পৃহা বাড়িয়ে দেয়
বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে দু’দিন ব্যাপি (১৯-২০ ফেব্রæয়ারি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৪ শুরু হয়েছে। সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চবি শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব আনিসুল আলম।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে চবি কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আমন্ত্রিত অতিথি, ক্রীড়াবিদসহ উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন খেলাধূলা ও শরীরচর্চা মানুষের জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ। শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠন, মানসিক উন্নয়ন এবং সামাজিক মেলবন্ধন দৃঢ় করতে বিদ্যানুশীলনের পাশাপাশি খেলাধূলা ও শরীরচর্চা কর্মস্পৃহা বাড়িয়ে দেয়। তাই লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলাকেও সমান গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। খেলাধুলা ও শরীরচর্চার মাধ্যমে সুস্থ শরীর ও প্রফুল্ল মন নিয়ে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করলে কাক্সিখত সাফল্য অর্জন সম্ভব।” মাননীয় উপাচার্য ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশ্যে বলেন, “খেলার মাঠে জয়-পরাজয় মেনে নেয়ার মানসিকতা ও খেলোয়াড়সূলভ আচরণের মাধ্যমে শৃংখলা ও নিয়মানুবর্তিতা বজায় রেখে ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করে দর্শকদের উজ্জীবিত করে উপভোগ্য খেলা উপহার দেবে এটাই সকলের প্রত্যাশা।” মাননীয় উপাচার্য তরুণদের শিক্ষা-গবেষণা, ক্রীড়া-শরীরচর্চা, শিল্প-সংস্কৃতিসহ বহুমাত্রিক দক্ষতা সম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের অগ্রযাত্রায় শামিল হওয়ার আহবান জানান। মাননীয় উপাচার্য দু’দিন ব্যাপি চবি’র কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন এবং ক্রীড়াবিদসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠাবান থাকার আহবান জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের সুর ও মুর্চ্ছনায় মাননীয় উপাচার্য জাতীয় পতাকা, মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা, ¯^ ¯^ হলের প্রভোস্ট হল পতাকা ও শারীরিক শি¶া বিভাগের পরিচালক অলিম্পিক পতাকা উত্তোলন করেন। প্রতিযোগীতায় মশাল হাতে মাঠ প্রদ¶িণ করেন দুই কৃতি ক্রীড়াবিদ নুসরাত জাহান তৃণা এবং মোহাম্মদ সজীব। মাননীয় উপাচার্য বিচারকবৃন্দের প¶ে প্রধান বিচারক চবি বনবিদ্যা ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. মোঃ দানেশ মিয়াকে এবং ক্রীড়াবিদদের প¶ে কৃতি ক্রীড়াবিদ মোঃ শফিউল্লাহকে শপথ বাক্য পাঠ করান। ব্যান্ডের তালে তালে অনুষ্ঠিত ক্রীড়াবিদদের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ মাননীয় উপাচার্য ও অতিথিবৃন্দ উপভোগ করেন এবং তাদের অভিবাদন গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে চবি সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, অনুষদসমূহের ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, কলেজ পরিদর্শক, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট এবং গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, শারীরিক শি¶া বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী শি¶ক-শি¶ার্থীবৃন্দ ও সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এবারের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় হলসমূহ হতে ৩০টি ইভেন্টে ২৭৫ জন ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। এছাড়াও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।চ.বি. শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক জনাব মো. রাশেদ বিন আমিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন চ.বি. কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র মোয়াজ্জিন হাফেজ শাহা মোঃ আজম, পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন প্রবীন সেন, পবিত্র ত্রিপিটক থেকে পাঠ করেন কংকন বড়–য়া অন্তু এবং পবিত্র বাইবেল থেকে পাঠ করেন আকাশ ত্রিপুরা।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করছেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি, খুবি শিক্ষকের কুশপুত্তলিকা দাহ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি)এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানিমূলক বার্তা পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে।
অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ওই শিক্ষককে ইতোমধ্যে ডিসিপ্লিন-প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্র’।

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার উত্তাল হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল, শিক্ষকের কুশপুত্তলিকা দাহ এবং জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করেন।

মেসির হেট্রিক। গোল ৩ – ০ ব্যবধানে এগিয়ে আর্জেন্টিনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেসির হেট্রিক। গোল ৩ – ০ ব্যবধানে এগিয়ে আর্জেন্টিনা

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ