আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

চবি কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চবি উপাচার্য

প্রেস রিলিজ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করছেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খেলাধূলা শিক্ষার্থীদেচবির চরিত্র গঠন, মানসিক উন্নয়ন এবং সামাজিক মেলবন্ধন দৃঢ় করে কর্মস্পৃহা বাড়িয়ে দেয়
বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে দু’দিন ব্যাপি (১৯-২০ ফেব্রæয়ারি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৪ শুরু হয়েছে। সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চবি শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব আনিসুল আলম।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে চবি কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আমন্ত্রিত অতিথি, ক্রীড়াবিদসহ উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন খেলাধূলা ও শরীরচর্চা মানুষের জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ। শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠন, মানসিক উন্নয়ন এবং সামাজিক মেলবন্ধন দৃঢ় করতে বিদ্যানুশীলনের পাশাপাশি খেলাধূলা ও শরীরচর্চা কর্মস্পৃহা বাড়িয়ে দেয়। তাই লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলাকেও সমান গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। খেলাধুলা ও শরীরচর্চার মাধ্যমে সুস্থ শরীর ও প্রফুল্ল মন নিয়ে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করলে কাক্সিখত সাফল্য অর্জন সম্ভব।” মাননীয় উপাচার্য ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশ্যে বলেন, “খেলার মাঠে জয়-পরাজয় মেনে নেয়ার মানসিকতা ও খেলোয়াড়সূলভ আচরণের মাধ্যমে শৃংখলা ও নিয়মানুবর্তিতা বজায় রেখে ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করে দর্শকদের উজ্জীবিত করে উপভোগ্য খেলা উপহার দেবে এটাই সকলের প্রত্যাশা।” মাননীয় উপাচার্য তরুণদের শিক্ষা-গবেষণা, ক্রীড়া-শরীরচর্চা, শিল্প-সংস্কৃতিসহ বহুমাত্রিক দক্ষতা সম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের অগ্রযাত্রায় শামিল হওয়ার আহবান জানান। মাননীয় উপাচার্য দু’দিন ব্যাপি চবি’র কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন এবং ক্রীড়াবিদসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠাবান থাকার আহবান জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের সুর ও মুর্চ্ছনায় মাননীয় উপাচার্য জাতীয় পতাকা, মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা, ¯^ ¯^ হলের প্রভোস্ট হল পতাকা ও শারীরিক শি¶া বিভাগের পরিচালক অলিম্পিক পতাকা উত্তোলন করেন। প্রতিযোগীতায় মশাল হাতে মাঠ প্রদ¶িণ করেন দুই কৃতি ক্রীড়াবিদ নুসরাত জাহান তৃণা এবং মোহাম্মদ সজীব। মাননীয় উপাচার্য বিচারকবৃন্দের প¶ে প্রধান বিচারক চবি বনবিদ্যা ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. মোঃ দানেশ মিয়াকে এবং ক্রীড়াবিদদের প¶ে কৃতি ক্রীড়াবিদ মোঃ শফিউল্লাহকে শপথ বাক্য পাঠ করান। ব্যান্ডের তালে তালে অনুষ্ঠিত ক্রীড়াবিদদের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ মাননীয় উপাচার্য ও অতিথিবৃন্দ উপভোগ করেন এবং তাদের অভিবাদন গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে চবি সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, অনুষদসমূহের ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, কলেজ পরিদর্শক, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট এবং গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, শারীরিক শি¶া বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী শি¶ক-শি¶ার্থীবৃন্দ ও সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এবারের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় হলসমূহ হতে ৩০টি ইভেন্টে ২৭৫ জন ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। এছাড়াও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।চ.বি. শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক জনাব মো. রাশেদ বিন আমিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন চ.বি. কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র মোয়াজ্জিন হাফেজ শাহা মোঃ আজম, পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন প্রবীন সেন, পবিত্র ত্রিপিটক থেকে পাঠ করেন কংকন বড়–য়া অন্তু এবং পবিত্র বাইবেল থেকে পাঠ করেন আকাশ ত্রিপুরা।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করছেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইতিহাসও গড়েছে টাইগাররা। ২০১৫ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজার পর নিজেদের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। এই সিরিজ জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরেও উঠে এসেছে বাংলাদেশ দল।

মিরপুরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।   জবাবে ২৯১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই  ধাক্কা৷ খায়  পাকিস্তান।

সালমানের ব্যাটে যখন পাকিস্তান জয়ের স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক তখনই  তাসকিন আহমেদের  দুর্দান্ত এক স্লোয়ার ডেলিভারিতে পরাস্ত হয়ে সালমান সাজঘরে ফিরেন।পাকিস্তান শেষ হয়ে যায়।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৭৯ রানে পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায়।

 

হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবপ্রজন্মের উদ্ভাবনী মিলনমেলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিসারিজ অডিটোরিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স অনুষ্ঠান। হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই আয়োজনটি  স্কুল-কলেজের তরুণ উদ্ভাবক ও নেতৃত্বকে একত্রিত করে সৃজনশীলতা ও সামাজিক উদ্ভাবন উদযাপনের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুর রশিদ সোহাগ, প্রতিষ্ঠাতা, সিইও ও চেয়ারম্যান, পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেড; সারফুদ্দিন, সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার, রবি আজিয়াটা লিমিটেড; মো. মুফিদুর রহমান, প্রভাষক, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; এবং মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা;অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও পরিচালক;আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নার্গিস ফাতেমা-এর মূল বক্তব্য, যেখানে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া নিজের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য প্রমাণ করে যে, প্রভাবশালী ধারণার সূচনা যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

এ বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২০টি দল নিবন্ধন করে, যার মধ্যে নির্বাচিত কয়েকটি দল অনুষ্ঠানে তাদের উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতায় টিম “ইকোজিরকন (EcoZircon)” সেরা দল নির্বাচিত হয়, টিম “টম অ্যান্ড জেরি (Tom & Jerry)”  প্রথম রানার-আপ এবং টিম “অ্যাকোয়া ফাইবার (Aqua Fiber)” দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ অনিক (২০২৫–২৬)-এর নেতৃত্বে। এতে কাজী মুহাইমিনুল ইসলাম মুনাজ চিফ অব স্টাফ এবং কারিন সাফফানা চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুরো আয়োজনের সফল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন কমিউনিটি এনগেজমেন্ট টিম-এর প্রধান নিশাত তাহসিন চৌধুরী লামিয়া ও তানজিফ হাসান, পাশাপাশি জাজেস অ্যান্ড পার্টিসিপ্যান্টস ম্যানেজমেন্ট টিম-এর প্রধান শাজিয়া রহমান ও রাহবার করিম।

হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবারও প্রমাণ করেছে যে এটি তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ এবং সাহসী চিন্তা ও সীমাহীন স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণাদায়ক একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ