আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম ডিসি পার্কে বিভাগীয় সাংস্কৃতিক উৎসব আঞ্চলিক সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে ঃ বিভাগীয় কমিশনার

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম বলেন, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সভ্যতাকে সাথে নিয়ে উন্নয়নের মাহসড়কে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। চট্টগ্রাম বিভাগ পাহাড় ও সমুদ্রের মেলবন্ধন এই পাহাড় আর সমতলের মানুষের বিভিন্ন ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্রে মোড়ানো। চট্টগ্রামের মানুষের বরাবরই সঙ্গীত প্রেমী। বাংলাদেশের আধুনিক সঙ্গীতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের শিল্পী ও কলাকুশলীদের অবদান অনেক বেশি। এছাড়াও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান, ওরে সাম্পান ওয়ালা, মধু হই হই-গানগুলো ইতোমধ্যেই শিশু, যুবক কিংবা বৃদ্ধ সকলের হৃদয় জয় করে নিয়েছে। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংস্কৃতিক উৎসব। আজ ১৯ ফেব্রæয়ারি সোমবার
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনের উদ্যোগে ফৌজদারহাট বন্দর সংযোগ সড়ক ডিসি পার্ক প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শুরুতে বেলুন উড়িয়ে বিভাগীয় সাংস্কৃতিক উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার।
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক উৎসবে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি নুরেআলম মিনা বিপিএম (বার) পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আ স ম মাহতাব উদ্দিন, পিপিএম-সেবা, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাকিব হাসান অনুষ্ঠানে ¯^াগত বক্তব্য রাখেন।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম জেলার সাংস্কৃতিক দল ও শিল্পীরা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন।
বিভাগীয় সাংস্কৃতিক উৎসবে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংস্কৃতিক উৎসব এ অঞ্চলের ইতিহাস ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সভ্যতার ধারাবাহিকতা রক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। এতে চট্টগ্রামের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি দেশের মানুষের মাঝে আরো ছড়িয়ে পরার পাশাপাশি নতুন নতুন শিল্পী, কলাকুশলী ও সাংস্কৃতিক কর্মী তৈরি হবে।##

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ