আজঃ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মহান শহিদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সিএমপি’র ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগের নিদের্শনা

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ২১ ফেব্রæয়ারি ২০২৪ ইংরেজি বুধবার মহান শহিদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ মর্যাদা ও ভাব-গাম্ভীর্যের সাথে উদযাপনের জন্য সরকারীভাবে নগরীর চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে স্থাপিত শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণসহ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠান সুশৃক্সখল ও সুন্দরভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগ কর্তৃক বিশেষ ট্রাফিক পুলিশী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রণীত কতিপয় নির্দেশনা অনুসরণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আজ ১৯ ফেব্রæয়ারি সোমবার ট্রাফিক-দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন.এম নাসিরুদ্দিন কর্তৃক গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনাসমূহ জারী করা হয়। নির্দেশনাগুলো অনুসরণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হচ্ছে-আগামীকাল ২০ ফেব্রæয়ারী মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে নগরীর তিনপুল থেকে আমতল, আমতল থেকে নিউ মার্কেট ও সিনেমা প্যালেস থেকে রাইফেল ক্লাব রোডে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। নিউ মার্কেট থেকে আমতল রোডে দ্বিমুখী যান চলাচল বজায় থাকবে। এছাড়া তিনপুল মোড় থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস হয়ে আমতল পর্যন্ত একমুখী চলাচল বজায় থাকবে। আমতল, তিনপুল ও সিনেমা প্যালেস মোড়ে রোড ব্লক স্থাপন করে যানবাহনসমূহ ডাইভারশন দেওয়া হবে। শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে আসা সকল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও সরকারী কর্মকর্তাগণ ওয়াসা-কাজির দেউরী-নেভাল ক্রসিং-লাভ লেইন-বৌদ্ধ মন্দির-বোস ব্রাদার্স-রাইফেল ক্লাব হয়ে আমতল মোড় ড্রপিং জোন হিসেবে ব্যবহার করবেন এবং পরবর্তীতে প্রধান পার্কিং স্থান হিসেবে রাইফেল ক্লাব মাঠে গাড়ি পার্কিং করবেন। এছাড়াও অন্যদিক থেকে আসা গাড়িসমূহ নিজ নিজ সুবিধা অনুযায়ী নিউমার্কেট মোড় ও তিনপুল (গোলাম রসুল মার্কেটের সামনে) ড্রপিং জোন হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। অনুষ্ঠানকেন্দ্রিক আগত যানবাহনসমূহ রাইফেল ক্লাব পার্কিং এরিয়া, থিয়েটার ইনষ্টিটিউট থেকে সিনেমা প্যালেসগামী রাস্তা, তিনপুল থেকে এনায়েতবাজার রোড (জুবলী রোড), স্টেশন রোড ও নিউ মার্কেট থেকে কোতোয়ালী রোডে পার্কিং করতে পারবে। অনুষ্ঠানস্থলে আসা সকল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও সরকারী কর্মকর্তাগণ আমতল থেকে পায়ে হেঁটে শহীদ মিনারে (চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ) এসে ফুল দিয়ে পুনঃরায় আমতল মোড়ে গিয়ে গাড়িতে উঠে জুবলী রোড হয়ে প্রত্যাবর্তন করবেন। নিউ মার্কেট ও তিনপুল ড্রপিং জোন হিসেবে ব্যবহারকারীগণ পায়ে হেঁটে শহীদ মিনারে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণপূর্বক পূনঃরায় উক্ত ড্রপিং জোনসমূহে গিয়ে গাড়িতে উঠবেন। পদযাত্রা ও প্রভাতফেরিতে অংশগ্রহণকারীগণ সুশৃক্সখলভাবে রাস্তায় যান চলাচলের সুযোগ রেখে গমনাগমন করবেন।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৪ সুষ্ঠু, সুশৃক্সখল ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য সিএমপি’র ট্রাফিক-দক্ষিন বিভাগ নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বোধনের বসন্ত বন্দনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শীতকে আনুষ্ঠানিক বিদায় দিয়ে ভালোবাসার দিনে ফাল্গুনী সমীরণ, পাতাঝরা পলাশ আর শিমুলের ডালে ডালে যে রঙ লেগেছে, তাকে বরণ করতে দেশের পুরোধা সংগঠন বোধন আবৃত্তি পরিষদ, চট্টগ্রাম আয়োজন করেছে বসন্ত উৎসব- ১৪৩২। শনিবার পহেলা ফাল্গুন নগরের পাহাড়তলীর শহীদ ওয়াসিম পার্কে উৎসবের আঙিনায় ছিল সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, ঢোলবাদন, কথামালা, শোভাযাত্রা, যন্ত্রসংগীতসহ নানা আয়োজন।

সকাল ৯টায় ভায়োলিনিস্ট চিটাগাং এর যন্ত্রসংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বসন্ত উৎসবের আয়োজন। বসন্তের হাওয়ায় দলীয় নৃত্যে অংশ নেন নৃত্যরূপ, সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ, দ্যা স্কুল অব ক্লাসিক্যাল অ্যান্ড ফোক ডান্স, নৃত্য নিকেতন, মাধুরী ডান্স একাডেমির শিল্পীরা।গানে গানে দলীয় সংগীতে বসন্তকে স্বাগত জানান সুর পঞ্চম, আর কে মিউজিক, বাগেশ্বরী। একক গান পরিবেশন করেন কেশব জীপসী, ঋষু তালুকদার, চন্দ্রিমা ভৌমিক রাত্রি, কান্তা দে, সুমিতা সরকার, রিনা দাশ, মনি আচার্য্য। তবলা লহড়ায় ছিলেন উঠান সংগীত বিদ্যালয়। একক আবৃত্তি করেন কংকন দাশ, মিশফাক রাসেল, দেবাশীষ রুদ্র।ঢোলবাদনে ছিলেন দীপক ও তার দল।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যভাগে হয় বসন্তকথন পর্ব। এতে অংশ নেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বোধনের সহ-সভাপতি সুবর্ণা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সোহেল, অর্থ সম্পাদক অনুপম শীল।

মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও শোষণহীন সমাজ গঠনের জন্য বাঙালির এসব উৎসব-পার্বণগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সারা বছরের নানান বঞ্চনা, নানান টানাপোড়েনের গ্লানি মুছে যায় এই বসন্তে।এই ফাগুনেই রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বাংলার রাজপথ। বুকের রক্তে বাঙালি রক্ষা করেছে মাতৃভাষার মর্যাদা। পরে একক ও দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন বোধন আবৃত্তি পরিষদের আবৃত্তিশিল্পীরা। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন গৌতম চৌধুরী, পলি ঘোষ, শ্রেয়সী স্রোতস্বীনি, ঋত্বিকা নন্দী, পল্লব গুপ্ত। অনুষ্ঠান শেষে বসন্ত বরণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামফলক উপড়ে ফেলে চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দেয়ার অপচেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বৈরাচার ও তার দোসরদের নির্দেশে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নিজ হাতে স্থাপিত নামফলকটি উপড়ে ফেলে চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দেয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছেন আওয়ামী দলকানা নামধারী সাংবাদিকরা। এর ফলে নতুন প্রজন্ম আর জানতে পারেনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা। এসব সাংবাদিকরা পেশাকে জলাঞ্জলি দিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায় ও স্বৈরাচারের মন জয় করতে দলবাজিতে ব্যস্ত ছিল এবং গণমানুষের আশা ভরসার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছিল। তারা চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতাকে কলংকিত করেছে।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ভিআইপ লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি এসব তথ্য জানান। এসময় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নামফলকটি আগের স্থানে যথাযতভাবে স্থাপন করা হবে বলে উল্লেখ করেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটি গত ১০ ডিসেম্বর’২০২৬ ইং ২০২৬-২০২৭ সেশনের জন্য প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর জানতে পারে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অডিটরিয়াম ও ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মানকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সে সময় দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেকসহ সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ওই অনুষ্ঠানের ছবি তোলেন তৎকালীন নামকরা সাংবাদিক ও পরবর্তীতে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি মনসুর। তখন থেকেই সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদ্বোধনের ভিত্তিপ্রস্তর ফলকটি ক্লাবের সামনের দেয়ালে খোদাই করে লাগানো ছিল। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আগমনের সময় উক্ত ভিত্তিপ্রস্তরটি খুলে ফেলা হয় বলে জানা যায়। এরপর থেকে ভিত্তিপ্রস্তরটি কোথায় ছিল কেউ বলতে পারছিলেন না। বিগত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির নেতাদের কাছে এ সব বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা আমাদেরকে আওয়ামী সরকার বিরোধী আখ্যায়িত করে হুমকি ধামকি দেন।

এতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকতার প্রতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গভীর শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তিনি মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাসী ছিলেন এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে বিপুল অবদান রাখেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া সাংবাদিকদের সার্বিক কল্যাণ চাইতেন। বিদেশে রাষ্ট্রীয় সফরে গেলে তিনি চট্টগ্রামের সংবাদপত্র, সম্পাদক ও সাংবাদিকদের দু-তিনজন প্রতিনিধি সব সময় সঙ্গে নিয়ে যেতেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে শহীদ জিয়া আর্থিক সমর্থন দিয়েছেন। শেরশাহ কলোনীতে সাংবাদিকদের জন্য জমি প্রদান করেন। তারই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে ১৫ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক কমিটির কর্মকর্তারা মহান স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ফলকটি ফেলে দেয়। এর মাধ্যমে তারা চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রী-এমপিদের নির্দেশে এই ইতিহাস মুছে দেয়ার এই অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। তাদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায় ও তাদের মন জয় করতে ওইসব নামধারী সাংবাদিকরা পেশাকে জলাঞ্জলি দিয়ে দলবাজিতে ব্যস্ত ছিল এবং গণমানুষের আশা ভরসার বিপরীতে অবস্থান নেয়। তারা চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতাকে কলংকিত করেছে। তারা প্রকৃত ইতিহাস মুছে দিতে চেয়েছিল।

আমরা অনুসন্ধানে জানতে পেরেছি, ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অডিটরিয়ামের যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে তার হাত ধরে এই প্রতিষ্ঠান তিলে তিলে গড়ে ওঠে। কালক্রমে আওয়ামী দলকানারা সেটি মুছে দেয়। নতুন প্রজন্ম আর জানতে পারেনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা।

নেতৃবৃন্দরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকা প্রেসক্লাবের বিভিন্ন সময়ে ক্লাবের দেয়ালে সাটানো ভিত্তিপ্রস্তরগুলোর উদ্ধারের জন্য বর্তমান কমিটি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বিগত ০৫/০২/২০২৬ ইং প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ ও অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাতসহ কমিটির কর্মকর্তারা প্রেসক্লাবের আন্ডারগ্রাইন্ডে গোডাউন পরিদর্শনে গিয়ে নোংরা ও ময়লাযুক্ত পরিবেশে জিয়াউর রহমানের ভিত্তিপ্রস্তরটি খুজে পেয়ে উদ্ধার করে। ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে নামফলকটিতে সযত্নে ক্লাবের অফিসে রাখা হয়েছে।

প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্যদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলা ১১ ফাল্গুন ১৩৮৪ (শুক্রবার) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর থেকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইতিহাসের অংশ এই নামফলকটি এক সময় প্রেসক্লাবের সামনেই ওয়ালে সাটানো ছিল। কারা এটি সরালো? কোন উদ্দেশ্যে? ঐতিহাসিক এই নিদর্শন সরিয়ে ফেলার হোতাদের বিরুদ্ধে কি করা যায়?

তবে আইনেও এ ধরনের অপরাধের জন্য শাস্তির বিধানের কথা উল্লেখ আছে। ভিত্তিপ্রস্তর বা এ ধরনের স্থাপনার ফলক সরিয়ে ফেলা, ভাঙা বা বিকৃত করা আইনত গুরুতর অপরাধ, যা সাধারণত সম্পত্তি বিনষ্ট (Criminal Trespass/Mischief) হিসেবে গণ্য হয়। এর শাস্তি হিসেবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে। এই ভিত্তিপ্রস্তরটি কারা ক্লাবের দেয়াল থেকে সরিয়ে নিল এবং কারা এই ঘটনায় জড়িত তা নির্নয় করা প্রয়োজন বলে জানান নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনের এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত ও ওসমান গণি মনসুর, সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও রফিকুল ইসলাম সেলিম, সমাজসেবা ও অ্যাপায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

আলোচিত খবর

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে।শেখ আব্দুর রশিদ বলেন- নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ