আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

বাঁশখালীতে আনসার ও ভিডিপির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

চট্টগ্রাম জেলা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার ভিডিপি সদস্য সদস্যাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ০১ (এক) দিন ব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

আজ ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ খ্রি. রোজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক ( বিএএম, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, পিএইচডি) এর উদ্যোগে চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিচালক এর আয়োজনে বাঁশখালী উপজেলার গুনাগরী আনসার-ভিডিপি ক্লাবে চট্টগ্রাম জেলা কমান্ড্যান্টের সহযোগিতায় বাহিনীর ভিডিপি সদস্য/সদস্যাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূলে ঔষধ বিতরণ করা হয়।
উক্ত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী চট্টগ্রাম রেঞ্জের রেঞ্জ কমান্ডার উপমহাপরিচালক মো: সাইফুল্লাহ্ রাসেল (বিএএম, পিএএমএস) । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩৭ আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান, সার্বিক ব্যবপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আনসার ও ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট উপ-পরিচালক এ এইচ এম সাইফুল্লাহ হাবিব। আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী জেলা কমান্ড্যান্ট ফরিদা পারভীন সুলতানা । দিন ব্যাপী এ ক্যাম্পের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা আনসার ও ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রানা ভট্টাচার্য, উপজেলা প্রশিক্ষিকা, ইউনিয়ন দলনেতা দলনেত্রী সহ তৃণমূলের আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা।
রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন ১। ডা. মো: জাকারিয়া মাহমুদ ২। ডা. মো: ইফতেখার আলম ৩। ডা. খাজা হোসেন মো: কাউছার ৪। ডা. শিরিনাজ বেগম। সহযোগিতায় ছিলেন মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট মো: জহিরুল ইসলাম, মোসা: শারমিন আক্তার, অনুদর্শী বড়ুয়া , সজিব হোসেন । ভিডিপি সদস্যরা বলেন মহাপরিচালক মহোদয়ের এমন উদ্যোগে আমরা ফ্রি মেডিকেল ও বিনামূল্যে ঔষধ পেয়ে অনেক উপকৃত হয়েছি। উল্লেখ্য , প্রায় ৫০০ জন রোগীর মাঝে চিকিৎসা সেবা ও বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ