আজঃ বুধবার ১৭ জুন, ২০২৬

আকরামুজ্জামান বিন আব্দুস সালাম মাদানীর বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে আরেকটি মামলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র শবে বরাত নিয়ে বাজে মন্তব্য করা সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভাইরাল’ শায়েখ আকরামুজ্জামান বিন আব্দুস সালাম মাদানীর বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে আরেকটি মামলা হয়েছে। মো. ইউসুফ জিলানী নামে একজন ইসলামী বক্তা বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ জহিরুল কবিরের আদালত মামলাটি গ্রহণ করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে তদন্ত করে একমাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বাদীর আইনজীবী মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, পবিত্র শবে বরাত নিয়ে করা অশালীন মন্তব্যটি মুসলিম উম্মাহর মনে দাগ কেটেছে। বাদী একজন ইসলামী গবেষক, ইসলামী বক্তা। সমস্ত মুসলিম উম্মাহর হয়ে তিনি এই অশালীন মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে মামলা করেছেন। মামলাটি আদালত গ্রহণ করেছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলেছেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে আরো একটি মামলা হয় শায়েখ আকরামুজ্জামান বিন আব্দুস সালাম মাদানীর বিরুদ্ধে। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের সদস্য মো. ফুয়াদ বিন হাকিম মামলাটি করেন। এছাড়া গত সোমবার রাতে নগরের ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার আরবি প্রভাষক আবুল আসাদ মোহাম্মদ জুবাইর পাঁচলাইশ থানায় উপস্থিত হয়ে আকরামুজ্জামান-কাণ্ড নিয়ে পুলিশের পরামর্শ চান। এ সময় পুলিশ কর্মকর্তাদের কথামতো মামলার পরিবর্তে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন মাওলানা আবুল আসাদ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মদ্যপান করে মাতলামি, চারজনকে জরিমানাসহ কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বোয়ালখালীতে মদপান করে মাতলামি করায় চারজনকে জরিমানাসহ ৭দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা এ আদালত পরিচালনা করেন।অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেলের সদস্যরা।

এর আগে উপজেলার ফুলতল এলাকায় অভিযান চালিয়ে পূর্ব গোমদণ্ডী দাসপাড়ার সুবল বড়ুয়ার ছেলে মৃণাল বড়ুয়া (৪৭), আবুল কালামের ছেলে মো. ওসমাণ গণি (৪৭), কধুরখীল এলাকার লাল মিয়ার ছেলে ইনতাজুর রহমান (৩৫) এবং পূর্ব কালুরঘাট এলাকার আইয়ুব মিয়ার ছেলে মো. ইকবালকে (৩২) আটক করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(৫) ধারা অনুযায়ী চারটি মামলায় চারজনের প্রত্যেককে ৫০ টাকা করে ২০০ টাকা জরিমানা এবং ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

পরিক্ষিত রাজনীতিবীদ সাংসদ এরশাদ উল্লাহ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাজ্জাদ হোসেন খাঁন : আমাদের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আস্তা-বিশ্বাস ও ধৈর্য শব্দটির তাজ্জবতা অতি গুরুত্বপূর্ণ, যা আমার নিজের দু চোখ এই ৩টি শব্দ সমূহের বাস্তব স্বাক্ষী। যাকে নিয়ে কথা গুলো বলছিলাম, আমাদের চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির বর্তমান আহবায়ক এবং চট্টগ্রাম ৮ -সংসদীয় আসনে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের প্রতি আস্তাশীল যেমন-তেমনি শহীদ জিয়ার বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আর্দশের প্রতি পরিপূর্ণ বিশ্বাস ও নিজের ধৈর্য শক্তির পরিক্ষাতেও উত্তির্ণ রাজনীতিবীদ পরিক্ষিত থেকে ভাগ্য প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার অন্যন দৃষ্টান্ত এমপি এরশাদ উল্লাহ।

২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর পরর্বতী বিস্ময় এর এক রাজনৈতিক আচমকা সংকটের মূখে প্রিয় স্বদেশ যার সংকেপে বলতে গেলে তৎকালীন ১/১১ “ওয়ান ইলেভেন”। ঠিক সেই রাজনৈতিক কঠিন সংকটময় মূর্হতে বীর চট্টলার গুটি কয়েকজন মধ্যম সারির নেতাদের মধ্যে নীতিনির্ধারকের ভূমিকায় নানান কৈাশলে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে এরশাদ উল্লাহর আবির্ভাব যেন দিশেহারা তৃণমূল কর্মীদের জাগিয়ে ছিল আশার আলো আর এ আলোকে আরো আলোকিত করেছিল ডা: শাহাদাত, নাজিমুর রহমান, শ্রমিক নেতা নাজিম উদ্দিন, কমিশনার শামসুল আলম, এডভোকেট আব্দুস সত্তার সহ আমরা অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের জুনিয়র কিছু সহযোগি কর্মী হিসেবে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সীমিত আকারে দলীয় কর্মকান্ড শুরু করি অতি গোপনীয়তা রক্ষা করে এরি মাঝে চলমান ছিল মঈন-ফখরুদ্দীনের জারী করা জরুরী অবস্থায় এবং তাদের শাসন ব্যবস্থা।

এরশাদ উল্লাহর মূল শক্তি বিএনপির তৃণমূল কর্মীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। আমি একজন যা নিজের দু চোখ কখনো ভুল বলতে পারেনা তারপর শুরু হয়ে গেল কিছুটা জরুরী অবস্থার শিথিলের মধ্য দিয়ে নির্বাচনীয় ডামা-ঢোল প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকান্ড ঘরোয়া পরিবেশের মধ্য দিয়ে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম, এরশাদ উল্লাহ বিএনপির মনোনিত তৎকালীন চারদলীয় জোট প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশনেন আর সেই নীল নকশার ষড়যন্ত্রের নির্বাচনে পরাজিত হয়েও মানুষ এবং দলীয় কর্মীদের প্রতি রেখে দিয়েছেন আস্তা বিশ্বাস ও পরিপূর্ণ ভালোবাসা যেন পিছু ছাড়েনি এরশাদ উল্লাহর তারপর আবারো দৃঢ় অবস্থান ব্যাক্তিগত সদিচ্ছা অনিশ্চায়তাকে হার মানিয়ে নানান ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে পথচলার তার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নিজের উপর আস্তা-বিশ্বাস এরশাদ উল্লাহর আজকের সফলতা ২০২৬ সালের সধ্য সমাপ্ত ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ