আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

মোস্তফা – হাকিম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ব্রুনাই দারুস সালামের হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান

মোঃ আব্দুর রহিম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

.

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রুনাই দারুস সালামের হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত এইচ.এম ষ্টীল, এইচ.এম. সেকশান স্টীল, এইচ.এম. অক্সিজেন ও মোস্তফা হাকিম ব্রিকস এবং আলহাজ¦ মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। আনোয়ারা উপজেলাধীন ডাঙ্গারচরে অবস্থিত অত্র কারখানাগুলো ৩ মার্চ ২০২৪ দুপুরে পরিদর্শন করেন মান্যবর হাই কমিশনার। তিনি, তাঁর স্ত্রী ম্যাডাম সুরাইয়া হাজী সালেহ ও হাইকমিশনের প্রথম সচিব রোজাইমি আবদুল্লাহসহ অত্র ইন্ডাষ্ট্রীতে পৌঁছালে মোস্তফা হাকিম গ্রুপের চেয়ারম্যান/ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম, এইচ এম স্টিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামুল আলম, পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফারুক আজম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাহিদুল আলম, নির্বাহী পরিচালক সামশুদোহা, জেনারেল ম্যানেজার বোরহান উদ্দিন আহমেদ ও প্রধান প্রকৌশলী এয়াকুব নবীসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ তাঁদের স্বাগত জানান। পরে মান্যবর হাইকমিশনার এইচ. এম ষ্টীল, এইচ.এম. সেকশান স্টীল, এইচ.এম. অক্সিজেন ও মোস্তফা হাকিম ব্রিকস-এর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং উৎপাদিত পণ্যের গুনগত মানের বিষয়ে সম্যক ধারণা নেন। সকালে মান্যবর হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান, তাঁর স্ত্রী ম্যাডাম সুরাইয়া হাজী সালেহ ও হাইকমিশনের প্রথম সচিব রোজাইমি আবদুল্লাহকে মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় এর পক্ষ থেকে দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা মিলনায়তনে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। মানবর হাইকমিশনার, তাঁর স্ত্রী ও সচিব অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হলে তাদেরকে সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনজুর আলম শিক্ষানুরাগী আলহাজ¦ মোহাম্মদ সরোয়ার আলমসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানে মান্যবর হাইকমিশনার, তাঁর স্ত্রী এবং প্রথম সচিব-কে ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অত্র কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম আলহাজ¦ মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ¦ হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত ১০৩টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম মান্যবর হাইকমিশনারকে অবহিত করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন প্রফেসর লায়লা নাজনিন রব। সংবর্ধিত অতিথি মান্যবর হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম এর মানবকল্যান ও ধর্মীয় কার্যক্রমের ভুয়সি প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি তার শিল্পকারখানায় গুণগত মানসম্পন্ন নির্মাণ সামগ্রী উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের বিষয়টিকে কর্মসংস্থানের এক মহান উদ্যোগ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের মানব সেবার দৃষ্টান্ত বিরল। মান্যবর হাইকমিশনার তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের দ্রুত উন্নয়নেরও প্রশংসা করেন। তিনি দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্ক অটুট রাখতে সরকারকে এবং বেসরকারী উদ্যোক্তাদের সকল ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়াও তিনি এইচ.এম ষ্টীল এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিসহ শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনকালে বেসরকারী শিল্প উদ্যোগের ব্যাপক প্রসারে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সভাপতির বক্তব্যে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম মান্যবর রাষ্ট্রদুতের অবগতির জন্য বলেন যে, তাদের সকল কার্যক্রম আল্লাহ ও রাসুলের সন্তোষ্টি বিধানের জন্য পরিচালিত হচ্ছে। তাদের ১০৩ টি সেবা ধর্মী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার আলোতে আলোকিত মানুষ গড়া সহ ধর্মীয় কাজে সহযোগীতা দেয়া হচ্ছে। তিনি ব্রুনাই দারুস সালামের হাইকমিশনারের প্রশংসা করে তাঁর শিল্প কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করায় সাধুবাদ জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কাতালগঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, গড়ে উঠবে আধুনিক সবুজ পার্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের ব্যস্ততম চকবাজার–মুরাদপুর সড়কের কাতালগঞ্জ এলাকায় রাস্তার পাশে ইবনে সিনা হাসপাতাল-এর সামনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিতে সৌন্দর্যবর্ধনের নামে চুক্তি লঙ্ঘন করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন-এর নির্দেশনায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন-এর তত্ত্বাবধানে বুধবার এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা।

চসিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের আড়ালে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী ও স্থায়ী অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছিল, যা শুধু চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনই নয়, বরং পথচারীদের চলাচল ও আশপাশের পরিবেশের জন্যও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিল। বিশেষ করে হাসপাতালসংলগ্ন হওয়ায় রোগী ও তাদের স্বজনদের চলাচলে ভোগান্তি বাড়ছিল এবং একটি অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছিল।

এ অবস্থায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে চসিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানঘর, টিনশেড স্থাপনা ও অন্যান্য দখলকৃত অবকাঠামো উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় দখলদারদের সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে পুনরায় দখল বা স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।

চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, উচ্ছেদকৃত জায়গাটি পুনরায় দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি এলাকাটিকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করে একটি নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব স্থানে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, উচ্ছেদ হওয়া জায়গায় রাজধানীর রমনা পার্ক-এর আদলে একটি আধুনিক সবুজ পার্ক নির্মাণ করা হবে। এতে শিশুদের জন্য আলাদা খেলার জায়গা, পথচারীদের বসার স্থান, ছায়াবৃক্ষ এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে হাসপাতালে আগত রোগী ও তাদের স্বজনদের জন্য এটি একটি স্বস্তির জায়গা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

চসিক জানিয়েছে, নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নগরকে বাসযোগ্য ও সুশৃঙ্খল রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছে সংস্থাটি।

অবৈধ স্থাপনা, খাল দখলের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিলেন চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি খাল-নালা পরিষ্কার কার্যক্রম তদারকির পাশাপাশি অবৈধ দখল ও নাগরিক অসচেতনতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। সোমবার সকালে মেয়র প্রথমে বহদ্দারহাট কাঁচা বাজার সংলগ্ন সড়ক পরিদর্শন করেন।

এ সময় সড়কের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত উচ্ছেদের নির্দেশ দেন মেয়র। পরে বহদ্দারহাট এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চলমান খাল সংস্কার কাজ ঘুরে দেখেন এবং পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা বাঁধগুলো অপসারণের নির্দেশনা দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের সুবিধার্থে সেখানে একটি বেইলি ব্রিজ নির্মাণেরও নির্দেশ দেন মেয়র।এরপর তিনি ৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডের ফরিদার পাড়া এলাকায় পরিচালিত নালা ও খাল পরিষ্কার অভিযান পরিদর্শন করেন। পরে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খাজা রোড এলাকায় নালা-খাল পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।

চসিক সূত্র জানায়, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা ও খাল পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। জলাবদ্ধতা কমাতে মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে সচল রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে। মানুষ যত্রতত্র ময়লা ফেললে খাল-নালা আবারও ভরাট হবে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ