আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

মোস্তফা – হাকিম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ব্রুনাই দারুস সালামের হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান

মোঃ আব্দুর রহিম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

.

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রুনাই দারুস সালামের হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত এইচ.এম ষ্টীল, এইচ.এম. সেকশান স্টীল, এইচ.এম. অক্সিজেন ও মোস্তফা হাকিম ব্রিকস এবং আলহাজ¦ মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। আনোয়ারা উপজেলাধীন ডাঙ্গারচরে অবস্থিত অত্র কারখানাগুলো ৩ মার্চ ২০২৪ দুপুরে পরিদর্শন করেন মান্যবর হাই কমিশনার। তিনি, তাঁর স্ত্রী ম্যাডাম সুরাইয়া হাজী সালেহ ও হাইকমিশনের প্রথম সচিব রোজাইমি আবদুল্লাহসহ অত্র ইন্ডাষ্ট্রীতে পৌঁছালে মোস্তফা হাকিম গ্রুপের চেয়ারম্যান/ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম, এইচ এম স্টিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামুল আলম, পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফারুক আজম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাহিদুল আলম, নির্বাহী পরিচালক সামশুদোহা, জেনারেল ম্যানেজার বোরহান উদ্দিন আহমেদ ও প্রধান প্রকৌশলী এয়াকুব নবীসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ তাঁদের স্বাগত জানান। পরে মান্যবর হাইকমিশনার এইচ. এম ষ্টীল, এইচ.এম. সেকশান স্টীল, এইচ.এম. অক্সিজেন ও মোস্তফা হাকিম ব্রিকস-এর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং উৎপাদিত পণ্যের গুনগত মানের বিষয়ে সম্যক ধারণা নেন। সকালে মান্যবর হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান, তাঁর স্ত্রী ম্যাডাম সুরাইয়া হাজী সালেহ ও হাইকমিশনের প্রথম সচিব রোজাইমি আবদুল্লাহকে মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় এর পক্ষ থেকে দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা মিলনায়তনে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। মানবর হাইকমিশনার, তাঁর স্ত্রী ও সচিব অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হলে তাদেরকে সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনজুর আলম শিক্ষানুরাগী আলহাজ¦ মোহাম্মদ সরোয়ার আলমসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানে মান্যবর হাইকমিশনার, তাঁর স্ত্রী এবং প্রথম সচিব-কে ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অত্র কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম আলহাজ¦ মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ¦ হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত ১০৩টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম মান্যবর হাইকমিশনারকে অবহিত করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন প্রফেসর লায়লা নাজনিন রব। সংবর্ধিত অতিথি মান্যবর হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম এর মানবকল্যান ও ধর্মীয় কার্যক্রমের ভুয়সি প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি তার শিল্পকারখানায় গুণগত মানসম্পন্ন নির্মাণ সামগ্রী উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের বিষয়টিকে কর্মসংস্থানের এক মহান উদ্যোগ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের মানব সেবার দৃষ্টান্ত বিরল। মান্যবর হাইকমিশনার তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের দ্রুত উন্নয়নেরও প্রশংসা করেন। তিনি দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্ক অটুট রাখতে সরকারকে এবং বেসরকারী উদ্যোক্তাদের সকল ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়াও তিনি এইচ.এম ষ্টীল এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিসহ শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনকালে বেসরকারী শিল্প উদ্যোগের ব্যাপক প্রসারে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সভাপতির বক্তব্যে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম মান্যবর রাষ্ট্রদুতের অবগতির জন্য বলেন যে, তাদের সকল কার্যক্রম আল্লাহ ও রাসুলের সন্তোষ্টি বিধানের জন্য পরিচালিত হচ্ছে। তাদের ১০৩ টি সেবা ধর্মী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার আলোতে আলোকিত মানুষ গড়া সহ ধর্মীয় কাজে সহযোগীতা দেয়া হচ্ছে। তিনি ব্রুনাই দারুস সালামের হাইকমিশনারের প্রশংসা করে তাঁর শিল্প কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করায় সাধুবাদ জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতেই নিচু এলাকা প্লাবিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে মাত্র ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতে অনেক নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। রাস্তা প্লাবিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরীর নিচু এলাকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকাতে সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। এসব এলাকার রাস্তাগুলো নোংরা পানিতে ডুবে আছে। ফলে চলাচল করা কঠিন হয়ে উঠে। কোথাও হাঁটু, কোথাওবা কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি। ছুটির দিনেও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ এবং খেটে খাওয়া শ্রমজীবীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ৪০ মিনিট স্থায়ী এই বৃষ্টিতেই নগরীর চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়।

এসব এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সকালের মাত্র আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার সড়কগুলো দ্রুত পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান পানি জমে যাওয়ায় যানবাহনগুলো মাঝপথেই আটকে যাচ্ছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া সাধারণ মানুষের গন্তব্যে পৌঁছাতে যেমন দীর্ঘ সময় ব্যয় হচ্ছে, তেমনি চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাস্তায় জমে থাকা হাঁটু সমান পানি মাড়িয়েই পথচারীদের কষ্ট করে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

তবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার জন্য চিরচেনা এলাকা প্রবর্তক মোড়ে অবশ্য এবার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। মেগা প্রকল্পের আওতায় সেখানকার হিজড়া খালের মুখে বাঁধ দিয়ে চলমান কাজের সুবাদে প্রবর্তক মোড়ে আগের মতো পানি জমেনি। তবে প্রবর্তক মোড় রক্ষা পেলেও এর আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো ঠিকই পানিতে ডুবে ছিল। ফলে সামগ্রিক ভোগান্তি খুব একটা কমেনি।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের বিএফও মাহবুবুল আলম বলেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে মাত্র ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে মেঘের ঘনত্বের কারণে অল্প সময়ে তীব্র বৃষ্টি হওয়ায় নিচু এলাকায় পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘলা থাকবে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নগরবাসীর অভিযোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক তদারকি ও খালগুলোর সংস্কার কাজ সময়মতো শেষ না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামকে এখনো ডুবতে হচ্ছে।

কাতালগঞ্জের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, বহু বছর ধরে আমরা একটু বৃষ্টি হলেই পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছি। একের পর এক মেগা প্রকল্প আসে, কিন্তু আমাদের কষ্টের কোনো শেষ নেই। আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতে যদি এই অবস্থা হয়, সামনের দিনগুলোতে কী হবে?
ভোগান্তিতে পড়া রিকশাচালক মো. জলিল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বহুদিন ধরে আমরা এ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। ছুটির দিন হলেও আমাদের তো আয়ের আশায় বের হতে হবে। কিন্তু রাস্তায় পানি উঠে যাওয়ায় রিকশা চালানো যাচ্ছে না। আমাদের এই কষ্ট দেখার কেউ নেই।

আদালতে জামিন চাইতে এসে প্রতারণার মামলায় কারাগারে গেলেন শিক্ষক দম্পতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার ৫৫নং রহমতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার (৪২) ও তার স্ত্রী হ্যাপী রানী নন্দী (৩৫) নামের শিক্ষক দম্পতি জাল জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় জামিন চাইতে এসে আত্মসমর্পন করলে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ থাকায় শুনানী শেষে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ আদালত। বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৬ষ্ঠ আমলী আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এস.এম আলাউদ্দিন মাহমুদ এই আদেশ দেন। শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার সন্দ্বীপ উপজেলার রহমতপুর ৩নং ওয়ার্ডের মৃত ধীরেন্দ্র মজুমদারের ছেলে।

আদালত সূয়ত্রে জানা যায়, বিগত ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে সন্দ্বীপ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ৪৪২৯ নং পাওয়ার অব অ্যাটর্নিমূলে জমি রেজিস্ট্রি করেন এবং ২০২৩ সালের ৯ মে তারিখে ১৯৫৭ নং রেজিস্ট্রিকৃত সাফ কবলা ও একই সালের ৮ জুন তারিখে ২৩৩১ ও ২৫৩২ নং সাফ কবলা রহমতপুরের একটি জায়গার রেজিস্ট্রি করান শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার গং। তারা প্রতারণার মাধ্যমে জাল দলিলকে বৈধ দলিল হিসেবে ব্যবহার করে সন্দ্বীপ সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আবেদন কওে ৪৩১০ নং বি.এস খতিয়ান সৃজন করেন এবং বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট জমি বিক্রি করতে থাকেন। এর প্রতিবাদ করায় ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকালে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর হাউজিং সোসাইটি এলাকার আই-্ব্লক এলাকায় একা পেয়ে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রতন কান্তি দাশের উপর হামলা করেন শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার গং।

এ ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রতন দাশ বাদী হয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন, যাহার মামলা নং-৭২৪/২৫ (হালিশহর)। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রাম পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্টোকে নির্দেশ দেন। পিবিআই নিরপেক্ষ দীর্ঘ তদন্তে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ও মারধরের ঘটনা প্রমাণিত হয় এবং পিবিআই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। পরে আদালত মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক দম্পতি সহ

অপরাপর আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন। গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর পর সন্দ্বীপ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করে শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার চিকিৎসাজনিত দুই বার ছুটিতে থাকেন। গত ১৭ জুন শিক্ষক দম্পতি আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে জামিন চাইলে, আদালত শুনানী শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন। এ মামলার অপরাপর আসামীরাও কারাভোগ করেছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ